1. sbnews2016@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জের নিজপাড়ায় জমি নিয়ে বিবাদে দুই মহিলা আহত বিএনপি’র আহুত সমাবেশে জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বিএনপি’র আহুত সমাবেশে জনগণের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা উচিত -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জে ক্ষেতের ফসল ক্ষেতেই নষ্ট হয়ে বর্গা চাষীদের স্বপ্ন দুঃস্বপ্ন হচ্ছে কাহারোলে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড উপজেলা কমিটি গঠন সভাপতি দিলীপ সাঃসম্পাদক আলমাস হোঃ খান বিরামপুরে মেয়র কাপ টি-২০ ক্রিকেট টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কাহারোলে দুই নির্বাহী অফিসার ( ইউএনও)’র বিদায়ী ও বরণ অনুষ্ঠান নীলফামারীতে বৃদ্ধার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার বীরগঞ্জে দুর্বৃত্তের অমানবিক নিষ্ঠুরতার বলি হয়ে আগুনে পুড়ল কৃষকের পাকা আমন ধানের পালা কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিরুল হাসানের বিদায়ী সংবর্ধনা ধর্ষণের চেষ্টা ও ভাংচুরের মামলায় আটক -১ কাহারোল উপজেলা নির্বাহী অফিসার কে বাংলাদেশ প্রেসক্লাব কাহারোল উপজেলা শাখার পক্ষ থেকে, বিদায় সম্বর্ধনা বীরগঞ্জ উপজেলায় জাতীয় পার্টির বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে বীরগঞ্জে মহান বিজয় দিবস, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে প্রস্তুতিমূলক সভা বীরগঞ্জে প্রচেষ্টা ব্লাড ব্যাংক এর মাসব্যাপী শীতবস্ত্র বিতরণ কর্মসূচি

উদীয়মান তারকার দেশ বাংলাদেশ

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৬০ জন দেখেছেন

আমি সদ্য লিখেছি ‘আত্মবিশ্বাস ছাড়া প্রতিভার বিকাশ ঘটবে না’। এর আগেও লিখেছি অনুপ্রেরণা মূলক ঘটনা নানা বিষয়ের উপর। শুধু যে ঘটনার ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য লিখি তা নয়, বরং পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বিশ্ব নাগরিক হয়ে টিকে থাকতে হলে ইনোভেটিভ চিন্তার বিকাশ ঘটাতে হবে সেই উদ্দেশ্যে লিখি।

আজ আমি আমার শেয়ার ভ্যালুর কনসেপ্ট থেকে যে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব সেটা হলো মাতৃভাষার পাশাপাশি অন্যান্য ভাষার উপর দক্ষতা অর্জন করার পেছনে কি কি সুবিধা রয়েছে সেটা নিয়ে। বর্তমানে চাহিদা ভিত্তিক প্রশিক্ষণ খুব জরুরি হয়ে পড়েছে টেকসই কর্মী হিসাবে টিকে থাকতে। যেমন- শেয়ার বাজার নির্ধারণ করছে কী চাহিদা কেন চাহিদা ইত্যাদি। সে ক্ষেত্রে একই ধারায় প্রশিক্ষণকে চলমান রাখলে সে শিক্ষা শুধু গুদাম জাত হয়ে পড়ে থাকবে।

কারণ শিক্ষার যদি ডিমান্ড না থাকে তবে সে শিক্ষা বিক্রি করা যাবেনা। ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফ্রেন্স এসব ভাষার দৌরত্ব বিশ্বে বেশি, কারণ অতীতে ব্রিটিশ, স্পেন, ফ্রান্স বিশ্বের বহু দেশ দখল করে নেতৃত্ব দিয়েছে। সে ক্ষেত্রে মানুষ মাতৃভাষার পাশাপাশি এসব ভাষা শিখেছে। যার ফলে চাকরি পেতে সহজ হয়েছে।

এখন পরিবর্তনের যুগে লক্ষণীয় বিশ্বের অনেক দেশ অর্থনৈতিক ভাবে সামনের দিকে এগিয়ে চলছে। গণচীন একটি চমৎকার উদাহরণ। চীন বিশ্ব বাণিজ্য প্রবেশ করার পর ইউরোপ, আমেরিকা ও এশিয়ার অনেক দেশের গতি-প্রকৃতি বদলে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, যেসব দেশের হাতে তেল ও ধাতুর মতো মূল্যবান সম্পদ আছে, তাদের সময়ও বদলে যাচ্ছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা বিশ্ব মনে করেছিল, চীনের মতো বড় দেশ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পেলে রাজনৈতিক স্বাধীনতা লাভের পথেও হাঁটবে। মানুষ স্বপ্ন পূরণের সক্ষমতা অর্জন করলে কথা বলার স্বাধীনতাও দাবি করবে। কিন্তু পশ্চিমা বিশ্বের সেই কৌশল কার্যকারী হয়নি। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার সদস্য হওয়ার পর চীন এখন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। এখন তারা অনিবার্যভাবে বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতি হওয়ার পথে এগোচ্ছে।

১৯৯৫ সাল পর্যন্ত বিশ্ব অর্থনীতিতে চীনের ভূমিকা ছিল অত্যন্ত ম্রিয়মাণ। প্লাস্টিকসহ বিভিন্ন ধরনের সস্তা পণ্য উৎপাদন করত তারা। তার যে গুরুত্ব ছিল না তা নয়, কিন্তু তা কোনোভাবেই বিশ্বকে বদলে দেওয়ার মতো ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে চীন উঠে আসতে শুরু করে। তার উত্থানের সঙ্গে বিশ্ব ব্যবস্থাতেও বড় পরিবর্তন আসতে শুরু করে। এ উত্থানের পেছনে চীনের জাতিগত ঐকমত্য প্রধান ভূমিকা পালন করেছে—চীনা শ্রমিক শ্রেণির আকাঙ্ক্ষা, উচ্চ প্রযুক্তির কারখানা, চীনা সরকারের সঙ্গে পশ্চিমা বহুজাতিক করপোরেশনগুলোর বিশেষ সম্পর্ক গড়ে উঠেছে।

চীন ধীরে ধীরে বিশ্বের বৃহত্তম কোম্পানিগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থায় ঢুকে পড়ে। সস্তা শ্রম তার জন্য আশীর্বাদ হয়ে দাঁড়ায়। চীনের এ প্রবেশ নিঃসন্দেহে বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ঝাঁকুনি দেয়। এর প্রভাব এখনো সারা পৃথিবীতে অনুভূত হচ্ছে।

এখন চীনের জনগণ ছাড়া খুব কম লোকই রয়েছে বিশ্বে যারা চীন ভাষা শিখে। আমরা ইংরেজি শিখে চেষ্টা করি বিশ্বায়নের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে। এখন কর্ম ক্ষেত্রের সকল স্তরে লক্ষণীয় চীন বিশ্বকে ডমিনেট করতে শুরু করেছে অর্থনৈতিক দিক দিয়ে। সে ক্ষেত্রে আর দেরি নয়, চীন ভাষার চর্চা শুরু করার এখনই চমৎকার সময়।

শুধু ভারত বা আমেরিকাপন্থি হলে চলবে না। ভারত বড় দেশ, স্বাভাবিক ভাবেই ভারত বাংলাদেশের উপর চাপ সৃষ্টি থেকে শুরু করে নানা ভাবে প্রভাব ফেলতে চেষ্টা করে। এটা খুবই স্বাভাবিক।

সোভিয়েত ইউনিয়নের দাপটে ইউরোপের আশেপাশের ছোট ছোট দেশগুলো কোন এক সময় অস্থির ছিল, তখন তারা ন্যাটো জোট তৈরি করে। আমাদের উচিৎ হবে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করা, তাদের ভাষা শেখার পাশাপাশি তাদের কালচার জানা। এতে করে একটি ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক যেমন তৈরি হবে একই সাথে বাংলাদেশে কেউ হুট করে চাপ সৃষ্টি করতে পারবে না। ব্যবসা বাণিজ্যসহ অন্যান্য বিনিয়োগের সাথে একটি ভালো সম্পর্ক তৈরি করতে হলে চীন ভাষা শেখা আমাদের আশু প্রয়োজন।

বাংলাদেশ জনবহুল দেশ, হিউম্যান রিসোর্স ছাড়া তেমন কোন ভালো সুযোগ আমাদের এই মুহূর্তে নেই। সে ক্ষেত্রে ম্যান পাওয়ারকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশকে সোনার বাংলায় পরিণত করার এই উদ্যোগে সবার সক্রিয় অংশগ্রহণ কামনা করছি।

লেখক : সাবেক পরিচালক (প্রোডাকশন অ্যান্ড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট), ফাইজার, সুইডেন।

rahman.mridha@gmail.com

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | সবুজ বাংলা নিউজ
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )