1. sbnews2016@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  4. info@wordpress.org : __ : __
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৯:১২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহান মুক্তিযুদ্ধে নৃ-তাত্ত্বিক জনগোষ্ঠীর ভূমিকা অপরিসীম -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি ঘোড়াঘাটে বিনোদন পার্কের নৈশ্য প্রহরীর লাশ উদ্ধার ঐতিহাসিক কান্তজীউ মন্দিরে নবাগত রংপুর বিভাগীয় কমিশনারকে সংবর্ধনা প্রদান বীরগঞ্জে প্রচেষ্টা ব্লাড ব্যাংক এর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী  উপলক্ষে স্বেচ্ছাসেবী মিলন মেলা বীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত ঘোড়াঘাটে বুলাকীপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের কার্যালয় উদ্বোধন খোকাকে জাতির জনক করার অন্যতম কারিগর বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি মিশরের তরুনী এখন বীরগঞ্জের গৃহবধু! বিরামপুরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন বিরামপুরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছার ৯২ তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন ঘোড়াঘাটে বাংলা চোলাই মদ সহ আদিবাসী নারী আটক বীরগঞ্জে ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবরে বৃদ্ধার অভিযোগ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ধর্মান্ধদের প্রতিহত করতে হবে -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি দিনাজপুরে অম্বিকা সাংস্কৃতিক পরিবার এর কার্যনির্বাহী কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

শার্শায় মাদ্রাসা ছাত্র মৃত শাহপরানের পিতার সংবাদ সম্মেলন: আসামীর সহযোগীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ৭ মার্চ, ২০২০
  • ১২৮ জন দেখেছেন

 

মোঃ হাসানূল কবীর, খুলনা ব্যুরো চীফঃ

যশোরের শার্শা উপজেলার উত্তর কাগজপুকুর গ্রামের মাদ্রাসা ছাত্র শাহপরান হত্যার মূল আসামী শিক্ষক হাফিজুরের সহযোগীরা ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে বলে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন শাহপরানের পিতা মোঃ শাহাজান আলী। তিনি মামলাটি পুনঃ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন।

সীমান্ত প্রেসক্লাব বেনাপোল’র নিজস্ব কার্যালয়ে উপস্থিত হয়ে তিনি এই অভিযোগ করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন ২০১৯ সালের জুন মাসে আমার পুত্র শাহপরানকে হত্যা করার পূর্বে প্রধান আসামী একই মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজুরের সাথে তার বাড়ীতে যাবে বলে শাহপরান কয়েকদিন আগে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তাকে আর পাওয়া যাচ্ছিলনা। ঘটনার দিন অর্থাৎ রমজান মাসে হাফিজুর আমার বাড়িতে আসেন এবং কাঁপতে থাকেন, কাঁপতে থাকার কারণ তাকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, “আমার শরীর খারাপ গায়ে জ্বর তাই কাঁপছি, আমাকে এক গ্লাস পানি দেন”। রমজান মাসে রোজা না রেখে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজুর পানি খাবে ও কাঁপতে থাকা দেখে আমাদের মনে সন্দেহ হয় যে, সে আমার পুত্রকে কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। আমরা যখন জানতে চাই আমার সন্তান শাহপরান কোথায়? তখন তিনি বলেন, সে এ বিষয়ে কিছু জানেননা, এই বলে খুব দ্রুত আমার বাসা ত্যাগ করেন। শাহপরান কে না পেয়ে আমরা মাদ্রাসার কমিটিকে বিষয়টি জানায়, তখন মাদ্রাসার কমিটি অভিযুক্ত আসামী হাফিজুরকে আটকে রেখে চাপ দিতে থাকেন শাহপরানকে খুঁজে বের করে দেয়ার জন্য। কিন্তু হাফিজুর অস্বীকার করেন যে, সে কিছু জানেনা। এমন অবস্থায় বেনাপোল পৌরসভার অন্তর্ভুক্ত কাগজপুকুর ওয়ার্ডের কমিশনার আমিরুল ইসলাম (৪৮) সুকৌশলে অভিযুক্ত আসামী শিক্ষক হাফিজুরকে মাদ্রাসা প্রাঙ্গণ থেকে চলে যেতে সাহায্য করেন। তখন শিক্ষক হাফিজুরের ভগ্নিপতি শার্শার ডুবপাড়া গ্রামের হেদায়েতউল্লাহ পুত্র নেছার আলী ( ২৩) তার মটরসাইকেলে করে প্রধান আসামী শিক্ষক হাফিজুরকে নিয়ে চলে যান।

মৃত শাহপরানের পিতা শাহাজাহান সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করেন, হাফিজুর তার ছেলেকে মেরে ফেলার সময় তার ঘরের সামনে তারই মেজ ভাই রফিকুল ( ৪৫) পাহারা দেয়৷ কিন্তু পুলিশ শুধুমাত্র হাফিজুরকে আসামী করে। অন্যান্য সহযোগীরা ধরা ছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। তিনি আরও বলেন, বর্তমানে মামলাটি সিআইডি তদন্ত করছে কিন্তু আমি কয়েকবার সিআইডি তদন্ত কর্মকর্তাকে আরও তিনজনের কথা জানিয়েছি যে, এরা আমার ছেলেকে মেরে ফেলার পিছনে জড়িত রয়েছে। কিন্তু আজও পর্যন্ত এর কোন সুষ্ঠু তদন্ত করা হয়নি।শুধুমাত্র একজনকে আসামী করা হয়েছে। মূল আসামী শিক্ষক হাফিজুরের পালাতে সাহায্য করা, প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত সহযোগীরা এখনও প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়েছে। আমি আপনাদের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাই , আমার ছেলের মূল হত্যাকারী ও তার সহযোগীদের সিআইডি কর্তৃক আবারো সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত বিচারের আওতায় আনা হোক। মূল আসামীসহ আমি সকল আসামীর ফাঁসি চাই।

ঘটনা সম্পর্কে শাহপরান এর পিতা বলেন, পরে অনেক খোঁজাখুঁজির পর মোবাইলের মাধ্যমে জানতে পারি, বিগত ২রা জুন ২০১৯ সালের বিকালে (রমজান মাস) গোগা গ্রামের গাজিপাড়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার ওস্তাদ হাফিজুরেরর বাড়ির ঘরের খাটের নিচ থেকে থেকে আমার পুত্র শাহপরান (১১) লাশ উদ্ধার করেছে শার্শা থানা পুলিশ। চেয়ারম্যান আব্দুর রশিদের বরাত দিয়ে শাহপরানের পিতা বলেন, মহিলা মেম্বার ফোন দিয়ে বলে হাফিজুরের বাড়ি থেকে প্রচন্ড দুর্গন্ধ আসছে এবং তার খাটের নিচে একটি মৃত ব্যক্তির হাত দেখা যাচ্ছে। তারপর আমি পুলিশের কাছে ফোন দিয়ে তাদের কে অবগত করি।

শাহপরানের লাশ উদ্ধারের ১১দিন পর ১১/৬/২০১৯ সালে প্রধান আসামী কাগজপুকুর হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক হাফিজুরকে আটক করে শার্শা থানা পুলিশ। খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসার ভিতর থেকে তাকে আটক করে শার্শা থানার এস আই মামুন। আটক হত্যাকারী হাফিজুর রহমান শার্শার গোগা গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে।

উল্লেখ্য, বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টায় যশোর জেলার নাভারণ সার্কেল এর অতিরিক্ত এএসপি জুয়েল ইমরান শার্শা থানায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে বলেন, বেনাপোল পোর্ট থানার কাগজপুকুর গ্রামের শাহজানের ছেলে শাহপরানের লাশ উদ্ধার করা হয় ১১দিন আগে। আর এ ঘটনায় বিভিন্ন তথ্য উপাত্তের ভিত্তিতে মাদ্রাসা শিক্ষক হাফিজুর রহমান জড়িত বলে প্রমাণ পাওয়া যায়। গত ২রা জুন লাশ উদ্ধারের পর থেকে হাফিজুর পলাতক রয়েছে। তাকে আটকের ব্যাপারে তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে অভিযান পরিচালানা করলেও সে বার বার তার অবস্থান পরিবর্তন করতে থাকে। অবশেষে গতকাল দিঘলিয়া উপজেলার একটি কওমি মাদ্রাসা থেকে শিক্ষক হাফিুজরকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে মামলাটি সঠিক ও সুষ্ঠু তদন্তের জন্য সিআইডিতে ন্যাস্ত করা হয়। অভিযুক্ত আসামী হাফিজুর বর্তমানে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছে।

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )