1. sbnews2016@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
  4. info@wordpress.org : __ : __
শনিবার, ২০ অগাস্ট ২০২২, ০৯:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসন ছাড়াই অবৈধভাবে ইট ভাটার কার্যক্রম অব্যাহত বীরগঞ্জে জন্মাষ্টমী উৎসবের মঙ্গল শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি দিনাজপুরে জন্মাষ্টমী উৎসবের আলোচনা সভায় মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি সত্য-সুন্দর ও কল্যানের জন্য শ্রী কৃষ্ণের আবির্ভাব হয়েছিল বীরগঞ্জে অজ্ঞাত পরিচয়ের মহিলার মৃতদেহ উদ্ধার কাহারোলে পটাশ সারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ বিক্ষুদ্ধ কৃষকেরা শ্রীকৃষ্ণের আদর্শ ও শিক্ষা বাঙালির সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে আরো সুদৃঢ় করবে -এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ঘুমন্ত গ্রামকে জাগ্রত করতে ইয়াকিন আলী পলাশের ফুটবল টুর্নামেন্ট কাহারোলে দশ মাইলে যাত্রী ছাউনীটি ফল ব্যবসায়ীদের দখলে কাহারোলে কৃষকদের সারের দাবীতে ডিলারদের গুদাম ঘর সীলগালা সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাস ধার্মিক মানুষের বৈশিষ্ট্য -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষিকা এক মাসের ছুটি নিয়ে এক বছর ধরে আমেরিকায় বীরগঞ্জে ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শান্তিপূর্ণ পরিবার সম্পর্কিত কর্মশালা বিরামপুরে বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত ভাইয়ের হাতে বোনের রাঁখি সকল ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ ও বিশ্বাস ধার্মিক মানুষের বৈশিষ্ট্য -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি

বীরগঞ্জে শীতের পোশাক কিনতে উপচেপড়া ভিড়

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৩৮ জন দেখেছেন

 

বিকাশ ঘোষ,বীরগঞ্জ(দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শীতের শুরুতে নিম্ন আয়ের মানুষগুলো শীতবস্ত্র কিনার জন্য ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছেন। মধ্যরাতের তীব্রতা বৃদ্ধি পাওয়ায় এ বছরের আগাম শীত পড়তে শুরু করেছে। এতে নিম্ন আয়ের মানুষেরা চরম দুর্ভোগে পড়েছে। গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় শীত থেকে রক্ষা পেতে সাধ্যের মধ্যে পছন্দের পোশাক কিনতে ফুটপাতের দোকানগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে। ফুটপাত থেকে শুরু করে অভিজাত মার্কেটগুলোতে গরম কাপড়ের চাহিদা বেড়েছে। ক্রেতাদের মনোযোগ আকর্ষণে হরেকরকম বাহারি পোশাকের পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। শীতবস্ত্রের চাহিদা বাড়িয়ে বিভিন্ন ধরণের শীতের পোশাক তুলেছেন তারা। বীরগঞ্জ পৌরশহরের বিজয় চত্বর থেকে শুরু করে তাজ মহল সিনেমা হলের সামনে প্রতিদিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটপাতের দোকানগুলোতে নিম্ন আয়ের মানুষের পাশাপাশি উচ্চবিত্তরাও মহাসড়কের পাশে এসব দোকানে ভিড় জমাচ্ছে। বিশেষ করে মৌসুমি ভিত্তিক দোকানগুলোতে শীতের কাপড় বেচাকেনা চলছে পুরোদমে। মৌসুমি ব্যবসায়ীরা সাংবাদিকদের জানান,শীত কম থাকায় ব্যবসা কম হচ্ছে। সামনের দিনে অনেক ভালো ব্যবসা হবে এমটায় আশা ফুটপাতে বসা দোকানিদের। পৌরশহরের থানার সামনে, বলাকা মোড়,তাজ মহল মোড়, দত্ত মার্কেটের সামনে ও ফুটপাতের বিভিন্ন জায়গায় নিম্ন আয়ের মানুষদের শীতে কাপড় বিক্রির পসারা সাজিয়ে বসেছেন। ফুটপাতের দোকানে একটি সোয়েটারের দাম ১০০ থেকে ১৫০ টাকা,বাচ্চাদের কাপড় ৫০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত, মাফলার ৫০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। সাধ্যের মধ্যে থেকেই পছন্দের শীতের পোশাকটি বেছে নিতে চেষ্টা করছেন নিম্নবিত্ত দরিদ্র সিমার মানুষগুলো। প্রতিবছর শীত মৌসুম আসলেই তাদের বিক্রেয়ের আবস্থা বেশি ভালোই হয়। গত কয়েকদিন ধরে শীতের তীব্রতা থাকায় শীতার্ত মানুষ প্রচন্ড শীত থেকে রক্ষা পেতে তাদের সামর্থ্য অনুযায়ী ভিড় জমাচ্ছেে বড় শপিং মহল থেকে শুরু করে ফুটপাতের দোকানগুলোতে। বীরগঞ্জ পৌরশহরের রেজিয়া মার্কেটের ঢাকা গার্মেন্টসের মালিক মোঃ তানবির হোসেন তোতা জানান, আমি দীর্ঘদিন থেকে ব্যবসা করে আসছি। শীত বেশি পড়লে ব্যবসা অনেক ভালো হয় এবং শীত কম হলে বেচাকেনা কম হয়। বড়দের জ্যাকেট, সোয়েটার, কোট, বাচ্চাদের কাপড় পাওয়া যায়,সেগুলোর দাম তুলনামূলক একটু কম হয়,কোনো পোশাকের মূল্য নির্দিষ্ট করা থাকে না। তবে দর কষাকষি ছাড়া পছন্দের পোশাক ক্রেতাদের কেনা সম্ভব হয় না। সব পোশাকের দাম একটু বেশি করে যাওয়া হয়। যাতে বিক্রেতারা তাদের লাভ পুষিয়ে নিতে পারেন। অন্যদিকে ফুটপাতে শীতবস্ত্র বিক্রেতা জানান,সব বসয়ী মানুষের পোশাক বিক্রি হচ্ছে। গার্মেন্টস আইটেমের চেয়ে পুরাতন শীতবস্ত্র বিক্রি করে বেশি লাভ হয়। ভাগ্যের ওপর নির্ভর করে আমাদের লাভ-লোকসান। কেননা আমরা এক একটি কাপড়ের গাইট কিনি ৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায়, সেই বিদেশি গাইটগুলো থেকে কখনো আবার ভালো কাপড় বের হয়, কখনো খারাপ। বিজয় চত্বরে কাপড় বিক্রেতা মোঃ হান্নান বলে, শীতের জ্যাকেটের গাইট কিনেন ১১ হাজার থেকে ১৬ হাজার টাকায়। ফুটপাতে শীতের পোশাক কিনতে আসা মোঃ আনোয়ার হোসেন, আবুল কামাল ও মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন, শীত আসলে কে না কাটা বেড়ে যায়। প্রতিনিয়ত শীতের পোশাক ক্রয় করি। তার পরেও অনেক কিনতে ইচ্ছে করে। বিশেষ করে শিশুদের দিকটা আলাদা তাদের জন্য দেখে শুনে ভালো, ভালো পোশাক পাওয়া যায়। তাই দর-দাম করেই পোশাক কিনছি।

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )