1. sbnews2016@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শুক্রবার, ০১ জুলাই ২০২২, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ ঐতিহাসিক সাঁওতাল বিদ্রোহ দিবস বীরগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে ১০ লাখ টাকা ব্যয়ে পাবলিক টয়লেটের উদ্বোধন ঘোড়াঘাটে এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ঘোড়াঘাট পৌরসভার বাজেট পেশ বিরামপুর পৌরসভায় ২০২২-২৩ অর্থ বছরের প্রস্তাবিত বাজেট ঘোষণা ফুলবাড়ীতে প্রধান শিক্ষক এর বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার হওয়ায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে ঝুঁকিপূর্ণ কাঠের সেতুতে পারাপার, দেখার কেউ নেই বীরগঞ্জ পৌরসভার ১১কোটি ৪২লাখ টাকার উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা বীরগঞ্জের ১২নং আঞ্চলিক শাখার আ’লীগের ত্রি-বার্ষিক কাউন্সিলে সভাপতি রিমন ও সাধারণ সম্পাদক সফিউল আযম নির্বাচিত বীরগঞ্জে ইনটেনজিবল ও টেনজিবল কালচারাল হ্যারিটেজ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত উন্নয়নের সব সূচকে এগিয়ে আছে বাংলাদেশ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি ঘোড়াঘাটে কৃষি উপকরণ বিতরণের উদ্বোধন ফুলবাড়ীতে নারী সহিংসতা বন্ধে নেটওয়ার্ক সভা অনুষ্ঠিত কাহারোলে মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার রোধ বিষয়ক কর্মশালা

১৫০ বছরের ঐতিহাসিক ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১১৯ জন দেখেছেন


বীরগঞ্জ, দিনাজপুর থেকে বিকাশ ঘোষ॥
দিনাজপুর জেলার ১৫০ বছরের ঐতিহাসিক ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা এখন ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে। উত্তরবঙ্গের সনাতন ধর্মালম্বী লাখ লাখ মানুষেরর বার্ষিক বিনোদনের একমাত্র ঐতিহ্যবাহী মৌসুমী বিনোদনসহ গণমানুষের মিলনমেলা হিসেবে বীরগঞ্জ উপজেলার ঢেমঢেমিয়া কালির মেলা সর্বাধিক প্রশংসিত, প্রসিদ্ধ ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান এতে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বৈরবাড়ী, চাপাপাড়া ও হিরামণি মৌজায় এ মেলার অবস্থান। বাংলা ১২৮০ সাল থেকে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা পল্লী বিনোদনের ঠিকানা। প্রতি বছর কর্তিক মাসের আমাবশ্যায় সনাতন ধর্মালম্বীদের শ্যামা পূজায় এ মেলার আয়োজন করা হয়। সাতদিন যাবত পূজা অর্চনা হলেও মেলা চলে মাসব্যাপী। কালিমন্দিরটি তার নিজস্ব ১ একর জমিতে একটি উচ্চ অট্টালিকা। পাশেই মাত্র কয়েক গজ পশ্চিমে দরবেশ মিরাজুন মিয়ার মাজার শরীফ রয়েছে। এক কথায় মেলার সময় ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল গোত্রের মানুষেরা এখানে এসে এ মেলা উপভোগ করে। বছরে একবার এলাকার মানুষ বিশাল এই আয়োজনকে প্রাণভরে উপভোগ করে আসছে। পশ্চিমে ঠাকুরগাঁও, উত্তরে পঞ্চগড়, পূর্বে নীলফামারী ও দক্ষিণে দিনাজপুর। ভাল যোগাযোগ ব্যবস্থা ও কয়েকটি জেলার মধ্যস্থল হওয়ায় কালিমেলা উদ্বোধনের আগে থেকেই মানুষের মাঝে সাজ সাজ রব পড়ে। সবার মুখে মুখে মেলার দিনক্ষণ গননা শুরু হয়। মেলার শ্রেষ্ঠ আকর্ষণ শ্যামা পূজার প্রথম রাতে লগ্নমতে কালি পাটে চড়া। কালি পাটে চড়া অর্থাৎ মহিষ কিংবা পাঠা বলি দান। নেঁচে গেয়ে বাদ্যের তালে তালে হিন্দু ধর্মীয় রীতিতে উদ্বোধনী রাত্রিতে পুজারীরা আনন্দঘন পরিবেশে এ অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়। কালি পাটে উঠবে এ মর্মে অনেক আগে থেকেই সোরগোল চলতে থাকে। সে আলোকে আশাবাদী দর্শকেরা মাহেন্দ্রক্ষণের অপেক্ষায় প্রহর গুনতে থাকে। মেলায় গ্রামের জনগণের মনের খোরাক অফুরন্ত বিনোদনের জন্য যাত্রাপালা, পুতুল নাচ, সার্কাসসহ বিভিন্ন ইভেন্ট ও ডিজিটাল সময়ের ভ্যারাইটি, ম্যাজিক ‘শো’ সম্বলিত নানা উপকরণে ভরপুর থাকে। বছরে একটি মাস প্রত্যন্ত পল্লীর মানুষের বিনোদনের এক অপূর্ব আয়োজন ও প্রায় দেড় শত বছরের অতীত ইতিহাস হিসেবে দেশের উত্তরবঙ্গে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলা কালের স্বাক্ষী হয়ে দাড়িয়ে আছে। জানা গেছে, স্বর্গীয় শ্রীযুক্ত সংশয় সবকার বীরগঞ্জ উপজেলার পলাশবাড়ী ইউনিয়নের বৈরবাড়ী, চাপাপাড়া ও হিরামনি মৌজায় বাংলা ১২৮০ সনে কার্তিক মাসের আমাবশ্যায় দিবাগত রাতে তাদের ধর্মীয় রীতিতে লগ্ন মোতাবেক একটি পাঠা বলীর মাধ্যমে ঢেমঢেমিয়া কালিমেলার শুভ সূচনা করা হয়। সে সময় পূজারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শ্রীযুক্ত সংশয় সবকার এবং সভাপতি ছিলেন মেলা আয়োজনে জমিদাতা জোতদারগণের অন্যতম চাপাপাড়ার বাসিন্দা মরহুম দবির উদ্দিন শাহ্; স্বল্প পরিসরে প্রথমে শুরু করা হলেও দিনান্তর মেলার বিস্তৃতি সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে। মেলার নামানুসারে এখানে গণমানুষের সহায়তা ও আন্তরিকতায় একের পর এক স্থাপিত হয়, প্রাথমিক স্কুল. মাদ্রসা ও কালিমেলা উচ্চ বিদ্যালয়সহ নানা প্রতিষ্ঠান, ভুতুরে ধু ধু আবাদী কান্দর এলাকাটি পরিণত হয়েছে আলোকময় সভ্যতার এক অপূর্ব নিদর্শন। শিক্ষাঞ্চল হিসেবেও অনেকটাই প্রশংসার দাবিদার এই এলাকাটি। কালি মাতার সম্মানে ভক্তরা শত শত আবার কেউ কেউ হাজার হাজার নগদ অর্থ, সোনা, রূপাসহ মূল্যবান অনুদান সেবায়েতকে মায়ের তথা কালি মন্দিরের অবদান এবং উন্নয়নে দান, গুরু দক্ষিণা, প্রকাশ্য প্রণামী দিয়ে থাকেন। শ্যামা পুজার ২/৪ দিন আগে নির্মিত কালিকে ঢেমঢেমিয়া কালি মেলা মন্দির প্রাঙ্গনে পুজার উদ্দেশ্যে এলাকার হাজার হাজার সনাতন ধর্মালম্বী নারী-পুরুষেরা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে নিয়ে আসেন। কালিমাতা এসে অবস্থান নেয় তার নিজস্ব অট্টালিকায়। হিন্দু ধর্ম মতে শ্যামা পুজা লাগাতার সাত দিন যাবত চলে, ঠিক লগ্নের সময় সেবায়েত পুজা আরম্ভ করেন ও আগন্তকদের ভোগ বিতরণ করা হয়। পুজারি তাদের পুঞ্জিকা অনুসরণ করেন।

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )