1. support@wordpress.org : Support :
  2. prodipit.webs@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২২, ০৫:২৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
চুরির আতঙ্কে বীরগঞ্জের মানুষ, চুরি ঠেকাতে রাত জেগে পাহারা প্রতিটি গ্রাম শহরে রুপান্তরিত হচ্ছে -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বিরামপুরে জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষে মাক্স বিতরণ দিনাজপুর দশমাইলে শ্রমিক/যাত্রা ফেডারেশনের নেতা কাজী হারেজ এর স্বরণ সভা অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে শীত উপেক্ষা করে জমে উঠেছে ইউপি নির্বাচনী প্রচার -প্রচারণা বাঙালির আশা ভরসার আশ্রয়স্থলে পরিণত হয়েছেন শেখ হাসিনা -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকায় ভোট দেয়ার আহবান প্রার্থীর ৭১ মুক্তির লড়াইয়ে শিশু কিশোর দয়ারাম রায় রাবিসাসের সভাপতি নুরুজ্জামান, সম্পাদক নুর আলম কাহারোলে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠান এবং পুরুস্কার বিতরন দিনাজপুরে সতধা সমবায় সমিতির উদ্দোগ্যে শীতার্থদের মাঝে কম্বল বিতরন গ্রামীণফোন সেন্টার এখন বীরগঞ্জে ঘোড়াঘাটে গৃহবধূর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার ডোমারে ভোরের দর্পণ পত্রিকার ২১তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত বিরল উপজেলা আ’লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল আজাদ মনির মা রাবেয়া খাতুনের মৃত্যুতে.. নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপির শোক প্রকাশ

যমুনা ইছামতি নদীর ভাঙনের কবলে সিরাজগঞ্জ সলঙ্গার নলকা কায়েম গ্রামের বিদ্যালয়

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৩ অক্টোবর, ২০১৯
  • ১২০ জন দেখেছেন

ফারুক আহমেদ,সিরাজগঞ্জ থেকে. সিরাজগঞ্জ যমুনা ইছামতি নদী ভাঙন ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ক্ষতি হয়েছে অনেক কৃষকের জমি। যমুনা ইছামতি নদীর ভাঙনে কবলে হুমকির মুখে পড়েছে সিরাজগঞ্জ সলঙ্গার নলকা কায়েম গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে রায়গঞ্জ পজেলার চর নলকা ইউনিয়নের নলকা কায়েম এলাকায় এক কিলোমিটারজুড়ে যমুনা ডাল ইছামতি নদীর ভাঙন দেখা দেয়। এতে কয়েকটি বসতবাড়ি বিলীন হয়েছে। ভাঙনের মুখে পড়ে আরও অনেক বাড়িঘর ও একটি নলকা কায়েম গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। নদীর তীর থেকে মাত্র ৩ থেকে ৪ হাত দূরে আছে নলকা কায়েম গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতল ভবনটি। যে কোনো সময় ভবনটি নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে। হুমকির মুখে পরে আছে স্কুলটি। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেক জানান,বিদ্যালয়টি নদীভাঙনের মুখে পড়ায় গত কয়েক দিনে আগে আসবাবপত্র ও প্রয়োজনীয় জিনিসিপত্র সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী রয়েছে ৪০০ জন। এসব অনেক শিক্ষার্থীদের তাদের অবিভাবকেরাই স্কুলে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন। তাই বর্তমানে অনেক শিক্ষার্থীদের সংখ্যা কমে গেছে। আবার উপস্থিতি অনেক শিক্ষার্থীদের এখন ভয়ে খোলা আকাশের নিচে পাঠদান করাতে হচ্ছে। প্রধানশিক্ষক আব্দুল খালেক আরো জানান, বিদ্যালয় ভবনটি যমুনা ইছামতি নদীর ভাঙনের কবলে হুমকির মুখে পড়েছে সেই বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে। কায়েম গ্রামের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল খালেকসহ স্থানীয় লোকজন প্রধানমন্ত্রীসহ স্থানীয় এমপি মহাদয় ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি বিদ্যালয় রক্ষার্থে বিদ্যালয়ের প্রতি সু-নজর হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )