1. sbnews2016@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. support@wordpress.org : Support :
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৯:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বিরামপুরে নিজ বাড়ীর আঙ্গীনা থেকে গরু ব্যবসায়ীর অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার ইয়াং ফেমিনিস্ট নেটওয়ার্ক অনুষ্ঠিত ফুলবাড়ীতে বীরগঞ্জে লাল সবুজের ১১ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত বীরগঞ্জে চাষাবাদের জন্য আর্থিক সহায়তা প্রদান নিজপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট ঘোষণা ও বার্ষিক উন্নয়ন পরিকল্পনা সভা অনুষ্ঠিত কৈমারীতে পারিবারিক বিরোধ নিরসন নারী ও শিশু কল্যাণ স্থায়ী কমিটির ত্রৈমাসিক সভা অনুষ্ঠিত “ কাঙ্খিত রোদে কৃষকের চোখে-মুখে স্বস্তির আভা ফুলবাড়ীতে প্রাকৃতিক প্রতিকূলতায় ভালো নেই কৃষক প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শিতায় দেশ এখন খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জে সামাজিক নিরীক্ষা প্রতিবেদন উপস্থাপন ও আলোচনা সভা কাহারোলে ওয়ার্ল্ডভিশনের মানবিক কর্মিদের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অমানবিক কাজের অভিযোগ পাচ মাসেও তদন্ত মিলেনি যোগ্যতা ও মেধাকে দেশের জন্য সম্প্রসারণ করাই হচ্ছে আমিই পারি চেঞ্জ মেকার এ্যাওয়ার্ড দিনাজপুরের কাহারোলে অভ্যন্তরীণ বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ উদ্বোধন বিরামপুরে ঝড়ে বিদ্যালয়ের টিন উড়ে গেছেঃ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ইভটিজিং করার দায়ে বিরামপুরে ১ যুবকের কারাদণ্ড

১৫ বছর ধরে জলাবদ্ধতায় বন্দি ডিমলার এক গ্রামের মানুষ

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২০
  • ২৫৮ জন দেখেছেন

মোঃ রাব্বি ইসলাম আব্দুল্লাহ,
সংবাদদাতা নীলফামারী।

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার খগাখড়িবাড়ী ও টেপাখড়িবাড়ী ইউনিয়নের অন্তর্ভুক্ত তিস্তা পাড়ের দুটি গ্রাম যথাক্রমে দোহলপাড়া ও উত্তর খড়িবাড়ি। এই গ্রাম দুটির প্রায় ৮০ শতাংশ জায়গা বছরের ৬ মাস জলাবদ্ধতায় আটকে থাকে।

দোহলপাড়া থেকে উত্তর খড়িবাড়ী যে অংশটুকু প্রতিবছর জলাবদ্ধতায় ডুবে থাকে তার দৈর্ঘ্য ৫ কিলোমিটার এবং প্রস্থ গড়ে ১-২ কিলোমিটার।
এই গ্রাম দুটিতে প্রায় ৪-৫ হাজার মানুষ বসবাস করে। জলাবদ্ধতার মূল কারন হলো প্রতিবছর বন্যার পলি স্তূপ জমা হয়ে তিস্তা নদীর পাড় উচু হয়ে গেছে যার ফলে একবার বৃষ্টি হলে কিংবা বন্যার পানি ডুকে পরলে আর বের হতে পারে না।

এই জলাবদ্ধতার কারনে এ অঞ্চলের কৃষকেরা পাকা ধান, ভুট্টা, মরিচসহ অন্যান্য ফসল পানিতে ডুবে যায় সময় মতো কাটতে পারেনা। জলাবদ্ধতায় জমি ডুবে যাওয়ার কারনে বর্ষার সময় কৃষকেরা চাষাবাদ করতে পারেনা। অন্যদিকে পূর্বে এই বিশাল এলাকা জুড়ে ছিলো এ অঞ্চলের গবাদিপশুর চারণভূমি। কৃষকেরা ফসল কাটার পর থেকে পরবর্তী ফসল লাগানোর পূর্ব পর্যন্ত এখানে গবাদিপশু লালন-পালন করতো এবং ফসলের সময় আইলের ঘাস কেটে গবাদিপশুদের খাওয়াতো। কিন্তু জলাবদ্ধতার কারনে এখন গবাদিপশু গুলো বছরের ৬ মাস ঘরের মধ্যেই বাঁধা থাকে।

একদিকে জলাবদ্ধতা অন্যদিকে জৈবিক চাহিদার তাড়নায় কৃষকেরা পাড়ি জমায় শহরে। কেউ রিকশা চালায়, কেউ চালায় ঠেলাগাড়ি , কেউ করে রাজমিস্ত্রির কাজ, কেউ আবার কাজ করে অন্যের বাড়িতে। নিজের জমিতে ফসল না ফলানোর কারনে কৃষকেরা এক কেজি ত্রাণের জন্য বর্ষা কালে অন্যের উপর নির্ভরশীল হয়ে পরে।

এই সমস্যা চলে আসছে দীর্ঘ ১৫ বছর থেকে। কৃষকেরা অনেকবার, স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বারসহ উপজেলার চেয়ারম্যান ও এমপি মহাদয়ের কাছেও গিয়েছেন কিন্তু তাতে কোন প্রকার সূরাহা হয়নি।

মাত্র ২৩০ ফুট দৈর্ঘ্য ও ৭-৮ ফুট প্রস্থের (মাত্র ৫-৬ লাখ টাকা ব্যয়ে) যদি একটি ক্যানেল করা যায় তাহলে এই দুটি গ্রামের ৪-৫ হাজার মানুষ অভাব থেকে স্থায়ী মুক্তি পেতে পারে। এ অঞ্চলের মানুষ সরকারের কাছে ত্রাণ চায় না, তারা চায় জলাবদ্ধতার হাত থেকে তাদের জমি গুলো ফিরিয়ে দিতে। যাতে তারা নিজের জমিতে পূর্বের ন্যায় চাষাবাদ করতে পারে।

 

 

 

সেয়ার করুন:

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Theme Designed BY Kh Raad ( Frilix Group )