কিশোরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ আত্মসাৎতের অভিযোগ কিশোরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ আত্মসাৎতের অভিযোগ – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে মন্দিরের শৌচাগার নিমার্ণ কাজের উদ্বোধন মুখে মাস্ক না থাকায় রিকসা চালকের মাথা ফাটালো ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতাকর্মী উলিপুরের বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক দার্শনিক এর ৮তম প্রয়াণ দিবস পালিত বিরামপুর মহিলা কলেজ পরিদর্শন ও মাস্ক বিতরণ করলেন ইউএনও বীরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা কাহারোলে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের নৌকা প্রত‍্যাশি সুজাউল হক সবুজ মুখে মাস্ক না থাকায় রিকসা চালকের মাথা ফাটালো ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতাকর্মী বীরগঞ্জ সরকারি কলেজে বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে বীরগঞ্জ শুভসংঘের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু রানীশংকৈলে ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল রাণীশংকৈলে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শিশু অধিকার, শিশু নিরাপত্তা, উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ (সিফোরডি) ও শিশু নেতৃত্বের কর্মশালা তাকেদা হেলদি ভিলেজ প্রজেক্ট এর প্রকল্প কার্যক্রম সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান বাল্যবিবাহ রোধে কিশোর কিশোরীদের আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ডোমারের জোড়াবাড়ী ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবলীগ নেতা আজাহারুল ইসলাম জুয়েল

কিশোরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ আত্মসাৎতের অভিযোগ

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১৪ জন দেখেছেন

কিশোরগঞ্জে ইউপি চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে ৩০ লাখ আত্মসাৎতের অভিযোগ

 

মোঃ রাব্বি ইসলাম আব্দুল্লাহ,

  নীলফামারী প্রতিনিধিঃ 

একটি মাদ্রাসায় বিভিন্ন পদে চাকুরি দেয়ার নামে ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার চাঁদখানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমানের বিরুদ্ধে।

এ ঘটনায় ১৫ জন চাকুরী প্রত্যাশী আজ রবিবার(২৭ ডিসেম্বর) উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নিখিত অভিযোগ সহ সংবাদ সম্মেলন করেছে।

অভিযোগ মতে, উক্ত ইউপি চেয়ারম্যান তার ইউনিয়নের বুড়িরহাঁট এ ইউ দাখিল মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি। ওই মাদ্রাসায় বিভিন্ন পদে লোক নিয়োগে তিনি পত্রিকায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছিলেন। বিজ্ঞপি প্রকাশের পর মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং চাঁদখানা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান বিভিন্ন চাকুরী প্রার্থীকে মাদ্রাসায় নিয়োগ দেওয়ার কথা বলে পনের জন চাকরী প্রার্থীর কাছ প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয়।

চাঁদখানা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা বিধবা ছালেহা বেগম বলেন, ৫ বছর আগে আমার স্বামী মারা গেছে, আমার তিন মেয়ে দুই ছেলে। স্বামীর মৃত্যুর পর অনেক কষ্টে এক মেয়ের বিয়ে দিয়েছি। বর্তমানে দুই মেয়ে ও দুই ছেলেকে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করছি। চাঁদখানা এ ইউ দাখিল মাদ্রাসায় নিয়োগের কথা শুনে মাদ্রাসার নিরাপত্তা কর্মী পদে আমার এক ছেলেকে ওই পদে নিয়োগের জন্য আবেদন করাই। মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং চাঁদখানা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান এই চাকুরির জন্য দুই লাখ টাকা দাবি করলে জমি বিক্রি করে সেই টাকা প্রদান করি।
কিন্তু ইউপি চেয়ারম্যান অন্য প্রার্থীকে ওই পদে নিয়োগ দেন। পরে আমি টাকা ফেরৎ চাইলে সে টালবাহানা শুরু করে। পরবর্তীতে টাকা উদ্ধারে ব্যর্থ হয়ে জেলা শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেই। মাদ্রাসার দপ্তরি পদে আরিফুর রহমানের কাছে ৩ লাখ টাকা, নিরাপত্তা কর্মী পদে মাহবুবার রহমানের কাছে এক লাখ, নৈশ প্রহরী পদে রফিকুল ইসলামের কাছে এক লাখ, নৈশ প্রহরী পদে বিলু মিয়ার কাছে ৩ লাখ, এবং একই পদে আলমগীর হোসেন নামে একজনের কাছে ৫০ হাজার টাকা সহ পনের জন প্রার্থীর কাছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ইউপি চেয়ারম্যান।

এ ঘটনায় ভুক্তভোগীরা আরো জানায় আজ কাল টাকা ফেরত দেবে দেবে করে এক বছর পার হলেও তাদের টাকা ফেরত দেননা ইউপি চেয়ারম্যান।
এদিকে এই সকল চাকুরি প্রত্যাশির অভিযোগের সঙ্গে একই কথা বলছেন ওই মাদ্রসা সুপার আবু বক্কর সিদ্দিক। তার সঙ্গে এ ব্যাপারে সাংবাদিকরা কথা বললে তিনি জানান পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার পর তিনটি পদে মোট ২০ জন প্রার্থী আবেদন করেছিল। তিন পদে তিন প্রার্থীর নিয়োগ দেন ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং চাঁদখানা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান। এখন জানতে পারছি তিনি সব প্রার্থীর কাছ থেকে নিয়োগের জন্য লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন।

এ ব্যাপারে ওই মাদ্রাসার ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি এবং চাঁদখানা ইউপি চেয়ারম্যান হাফিজার রহমান সাংবাদিকদের বলেন, যারা আমার নামে চাকুরী দেওয়ার কথা বলে টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছে তারা কি কোন প্রমান দিতে পারবে আমাকে তারা টাকা দিয়েছে। আমার সঙ্গে প্রমান নিয়ে কথা বলতে হবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এটি এম নুরুল আমিন শাহ এ ব্যাপারে বলেন লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। লিখিত অভিযোগের তদন্ত করতে গিয়ে নানা অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রোকসানা বেগম ও জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম জানান, লিখিত অভিযোগ অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team