1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মটর সাইকেল শো ডাউন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ বাংলাদেশ’ -এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল বীরগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু বীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত ধর্মীয় সম্প্রীতির উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের নাম বিশ্বে আলোচিত’ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি কুড়িগ্রামে চরে গিয়ে করোনার টিকা দিচ্ছে স্বাস্থ্য বিভাগ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে জাতীয় শ্রমিকলীগ এর ৫২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত। কাহারোলে নগদ অর্থ বিতরণ কুড়িগ্রামে প্রেমিক কর্তৃক ছাত্রী হত্যার বিচারের দাবিতে মানব বন্ধন কুড়িগ্রামের সীমান্তঘেষা বারো মাসই নদীর ভাঙ্গন রোধ বন্ধকল্পে মানববন্ধন বীরগঞ্জে দুর্গাপূজার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন আবারো ঘোড়াঘাট ৪ নং ওয়ার্ডের এলাকাবাসী কমিশনার হিসেবে দেখতে চাই সাহেব আলীকে কাহারোলে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীদের নিয়ে ব্রিফিং অনুষ্ঠান কাহারোলে আগাম জাতের আমন ধানের বাম্পার ফলন দাম পেয়ে কৃষকের মুখে হাঁসির ঝিলিক

বাংলাদেশের পপ সম্রাট আজম খানের আজ শুভ জন্মদিন

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৮৭ জন দেখেছেন

সবুজ বাংলা নিউজ ডেস্ক :

আজম খান একজন জনপ্রিয় বাংলাদেশী গায়ক। তাঁর পুরো নাম “মোহাম্মদ মাহবুবুল হক খান”। তাঁকে বাংলাদেশের পপ ও ব্যান্ড সঙ্গীতের একজন অগ্রপথিক বা গুরু হিসেবে গণ্য করা হয়।
আজম খান ১৯৫০ সালে আজিমপুরে জন্ম গ্রহণ করেন। তার বাবার নাম “মোহাম্মদ আফতাব উদ্দিন খান”, মা “জোবেদা খাতুন”। সেখানে তারা ১০ নম্বর সরকারি কোয়ার্টারে থাকতেন। তার বাবা ছিলেন অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার, সেক্রেটারিয়েট হোম ডিপার্টমেন্ট।
আজম খানের জনপ্রিয় গানের মধ্যে রয়েছে – বাংলাদেশ (রেল লাইনের ঐ বস্তিতে), ওরে সালেকা, ওরে মালেকা, আলাল ও দুলাল, অনামিকা, অভিমানী, আসি আসি বলে ইত্যাদি। সর্বোপরি তিনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকায়সংঘটিত কয়েকটি গেরিলা অভিযানে তিনি অংশ নেন।১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময়ে আজম খান পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। তখন তিনি ক্রান্তি শিল্পী গোষ্ঠীর সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর শোষণের বিরুদ্ধে গণসঙ্গীত প্রচার করেন। ১৯৭১ সালে আজম খানের বাবা আফতাব উদ্দিন খান সচিবালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে ছিলেন। বাবার অণুপ্রেরণায় যুদ্ধে যাবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন তিনি।১৯৭১ সালে যুদ্ধ শুরু হলে, তিনি পায়ে হেঁটে আগরতলা চলে যান। আগরতলার পথে সঙ্গী হন তার দুই বন্ধু। এসময় তার লক্ষ্য ছিল সেক্টর ২ এ খালেদ মোশাররফের অধীনে যুদ্ধে যোগদান করা। আজম খান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন ২১ বছর বয়সে। তার গাওয়া গান প্রশিক্ষণ শিবিরে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রেরণ যোগাতো।
তার প্রথম কনসার্ট প্রদর্শিত হয় বাংলাদেশ টেলিভিশনে ১৯৭২ সালে। সঙ্গীতে অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে মরণোত্তর দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।
পপসম্রাট আজম খান দীর্ঘদিন দুরারোগ্য ক্যান্সার ব্যাধির সাথে লড়াই করে ৫ই জুন, ২০১১ইং তারিখ, রবিবার সকাল ১০টা বেজে ২০ মিনিটে ঢাকাস্থ সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে(সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
#আজম_খান #২৮_ফেব্রুয়ারি

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team