1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১, ০৩:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কাহারোলে মানব বন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত দিনাজপুরে শিক্ষা বোর্ডে শহীদ শেখ রাসেলের ৫৭ তম জন্মবার্ষিকী পালিত দিনাজপুরে শিক্ষা বোর্ডে ১ম দিনে ৬ জনের মনোনয়নপত্র ক্রয় শেখ রাসেল দিবসে পদক্ষেপ মানবিক উন্নয়ন কেন্দ্রর নানান কর্মসূচী বিরামপুরে উপজেলা প্রশাসন -পৌর প্রশাসন শেখ রাসেল দিবস পালন করে বীরগঞ্জে গরু চুরি নিয়ে আতংকিত পৌরবাসী পূজা মন্ডপে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও শাস্তির দাবিতে বীরগঞ্জে বিক্ষোভ ও মানববন্ধন বীরগঞ্জে তন্ত্রমন্ত্র দিয়ে সাপ টানার প্রতিযোগিতা বীরগঞ্জ পৌরসভার আয়োজনে “শেখ রাসেল দিবস” উপলক্ষে আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বেঁচে থাকলে রাজনৈতিক ভাবে শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত অগ্রদূত হত শেখ রাসেল -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জে উপজেলায় চৌধুরী হাট স্কুল মাঠে, ঐতিহ্যবাহী ‘পাতা খেলা’ দেখতে উপচেপড়া ভিড় বীরগঞ্জে শারদীয় দূর্গা পুজা উপলক্ষে আলোচনা সভা ও মটর সাইকেল শো ডাউন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ বাংলাদেশ’ -এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল বীরগঞ্জে ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু বীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত

অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী সন্তানের অভিভাকদের হতাশা দূর করছে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৫৪ জন দেখেছেন

বিকাশ ঘোষ,বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি ॥

অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী সন্তান নিয়ে হতাশ অভিভাকদের আশার আলো দেখাচ্ছে দিনাজপুর কাহারোল উপজেলার রসুলপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়। যেসব প্রতিবন্ধী আগে স্পষ্ট করে কথা বলতে পারত না, পারত না লিখতে, চিনত না বাংলা ও ইংরেজি বর্ণমালা, তারাই এখন কথা বলতে পারে, লিখতে পারে, চেনে বর্ণমালা। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার বিষয়েও তারা এখন অনেক সচেতন হয়েছে। রসুলপুর বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়টি উপজেলা শহর থেকে ২ কিলোমিটার দুরে রসুলপুর ইউনিয়নে অবস্থিত। এটি স্থাপিত হয় ২০১৩ সালে। যার জন্য ২০ শতক জায়গা দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা কৃষ্ণ কান্ত। আর বিদ্যালয়টি পরিচালনা করেন স্থানীয় সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপাল এর প্রতিষ্ঠিত দীপ্ত জীবন ফাউন্ডেশন। বিদ্যালয়ে মোট ২৬ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীর মধ্যে শিক্ষক রয়েছেন ১১ জন। আর প্রথম থেকে ৫ম শ্রেনী পর্যন্ত শিক্ষার্থী রয়েছেন ১৫২ জন। প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে প্রতিদিন দুপুরে খাওয়ারও ব্যবস্থা করা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে।
বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু বা প্রতিবন্ধীরা বোঝা নয়, তাদেরও আছে শিক্ষার অধিকার। উপযুক্ত শিক্ষা পেলে তারাও সমাজের জন্য কিছু করবে এমন চেতনা নিয়েই প্রথম থেকে পঞ্চম শ্রেণী পর্যন্ত স্বেচ্ছাশ্রমে পরম স্নেহ ও মমতা দিয়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে যাচ্ছেন শিক্ষকরা।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধীদের আলোর মুখ দেখাতে উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজেন্দ্র দেবনাথ ২০১৩ সালে বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। যার অর্থদাতা ছিলেন ইউপি সদস্য সারদা কান্ত রায়। ২৬ ফেব্রুয়ারি বুধবার সরেজমিন দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের কেউ হাঁটতে পারে, কেউ পারে না। আবার কেউ খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটে। কারো হাত বাঁকা, কারো পা বাঁকা আবার কেউ সঠিকভাবে কথাও বলতে পারে না। এসবের পরেও আরো কয়েকজন আছে যারা মা-বাবার কোলে আসা-যাওয়া করে। এসব শিশু যাতাযাতের জন্য নিজস্ব ৩টি ইজিবাইকও রয়েছে।
জানা গেছে, বিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুরা ভর্তি হওয়ার পর থেকে বদলে যাচ্ছে তাদের জীবন। এসব কিছুই সম্ভব হচ্ছে বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদ ও শিক্ষক-কর্মচারীর আন্তরিকতায়। নিজ পরিবারেও যাতে এসব শিশু অবজ্ঞা কিংবা অবহেলার শিকার না হয় সে জন্যও তাদের অভিভাবকদের নিয়ে বিভিন্ন সভা-সমাবেশ করা হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রীর মা নীলা রানী জানান, তার মেয়ে একজন প্রতিবন্ধী। আগে লিখতে পারত না। বর্তমানে সে লিখতে পারে, পড়তে পারে। দিন দিন তার অনেক উন্নতি হচ্ছে। তিনি বলেন, আমার প্রতিবন্ধী সন্তানকে বোঝা মনে করি না। তাকে নিয়মিত স্কুলে নিয়ে আসি। শত কষ্ট হলেও তাকে মানুষের মতো মানুষ করে তুলব।
প্রধান শিক্ষক মোছা. মৌসুমী আক্তার বলেন, অটিস্টিক ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা দান করা অনেক কষ্টের, তবুও আমরা প্রাণপণ চেষ্টা করে যাচ্ছি ওদের শিক্ষার বিকাশ ঘটাতে। দিন দিন তাদের উন্নতি হচ্ছে। কিন্তু আমাদের কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। তাই আমাদের প্রত্যাশা যে, আমাদের স্থানীয় সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল যেন বিদ্যালয়টির বিষয়ে অধিক গুরুত্ব দিয়ে সার্বিক সহযোগিতা করেন।
বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনিরুল হোসেন জানান, বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠার পর থেকে প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুদের অনেক উপকার হচ্ছে। বিশেষ করে বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রতিদিন শিশুদের মিড ডে মিল অর্থাৎ দুপুরের খাওয়া দেয়ার বিষয়টিকে স্বাগত জানাই। আর অন্যান স্কুলের থেকে এখানে শিক্ষার্থীর সংখ্যাও বেশি। এখানে শিক্ষকরা এই শিশুদের যতœসহকারে পাঠ দান করান। আশ করছি বিদ্যালয়টি ও বিদ্যালয়ের বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশুরা ভাল করবে।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team