1. support@wordpress.org : Support :
  2. prodipit.webs@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে নিজের বিয়ের নিমন্ত্রণ দিতে এসে লাশ হয়ে ফিরলো পীরগঞ্জের যাদব বীরগঞ্জে দুস্থদের মাঝে কম্বল, হুইলচেয়ার ও মাস্ক বিতরণ বীরগঞ্জে চৌধুরীহাট ব্যাচেলর ক্লাব এর উদ্যোগে ক্রিকেট নাইট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পরীমনির নারাজি জাপানে বুস্টার ডোজ প্রয়োগ শুরু চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় যুবক গ্রেফতার কারাগারে বসে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন আসামি আমিনবাজারে ৬ ছাত্র হত্যা : ১৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ : শিক্ষামন্ত্রী কাহারোলে গভীর রাতে শীতার্তদের বাড়িতে কম্বল নিয়ে হাজির এমপি গোপাল বীরগঞ্জে অসহায় এক বৃদ্ধ ভিক্ষুককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন আলোর পথে সংগঠন বীরগঞ্জে অসহায় এক বৃদ্ধ ভিক্ষুককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন আলোর পথে সংগঠন বীরগঞ্জে দুস্থদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ শেখ হাসিনা সবার জন্য মাথা গোঁজার ঠাই নিশ্চিত করছেন -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জের মরিচা ইউনিয়ন আ,লীগের যৌথ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে

টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ বৃক্ষ শিশু রিপনের

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ১২১ জন দেখেছেন

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :

“ মা আব্বা আর দুই বোন ছাড়া আমাকে কেউ পছন্দ করে না। স্কুলে কেউ আমার কাছে আসতে চায় না চামুচ দিয়ে ভাত খাই। অন্য বন্ধুদের মত খেলতে পারিনা। কোন কাজ করতে পারি না।” এক বুক হাহাকার নিয়ে খুব নিচু স্বরে কথাগুলো বলছিল ৯ বছর বয়সি শিশু রিপন।

জন্মের ৬ মাসের মাথায় অজ্ঞাত এক জটিল রোগে আক্রান্ত হয় সে। গুটি গুটি হাতপায়ের তালু শুকনো ঘাঁয়ে ভরে গেছে তার হাত ও পায়ের তালু। এ অজ্ঞাত রোগে বন্দি পড়েছে তার শৈশব। সে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কেটগাঁও গ্রামের জুতা সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত দরিদ্র মহেন্দ্রনাথ রায়ের একমাত্র ছেলে রিপন। উপজেলা কেটগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করার সুযোগ হয় তার।

তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট রিপন।
শিশু রিপনের বাবা মহেন্দ্রনাথ রায় জানান, রিপন স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে না কিংবা হাত দিয়ে খাওয়া-দাওয়াও করতে পারে না, এ অবস্থা দেখে তার সাথে কেউ খেলতেও চায় না। তার মা গোলাপী রাণী জানান, ডাক্তার দেখিয়েছি, কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

চিকিৎসকরা ঢাকা নিয়ে যেতে বলেছিল, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয়দের আর্থিক সহযোগীতায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েকবার অপারেশন করা হয়। ফলে কিছুটা সুস্থ হয় রিপন। বর্তমানে রিপন তার বাড়িতে ১ বছর ধরে অবস্থান করছেন। কিন্তু কোন প্রকার ঔষধ-পত্র কেনার টাকা নেই আমাদের কাছে। কোন সরকারি সহযোগীতা বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগীতা না পাওয়ায় থমকে গেছে তার চিকিৎসা, বিপাকে পড়েছি আমরা। ফলে দিন দিন তার রোগটি বেড়েই চলছে বলে রিপনের মা জানান।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কার্তিক চন্দ্র রায় জানান, এ রোগের চিকিৎসা করা ব্যয়বহুল, সরকার ও সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসলে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে যেহেতু তার বাবা মা খুবই গরিব।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team
x