1. support@wordpress.org : Support :
  2. prodipit.webs@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  3. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শুক্রবার, ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে চৌধুরীহাট ব্যাচেলর ক্লাব এর উদ্যোগে ক্রিকেট নাইট টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত পরীমনির নারাজি জাপানে বুস্টার ডোজ প্রয়োগ শুরু চুয়াডাঙ্গায় হত্যা মামলায় যুবক গ্রেফতার কারাগারে বসে এইচএসসি পরীক্ষা দিলেন আসামি আমিনবাজারে ৬ ছাত্র হত্যা : ১৩ আসামির মৃত্যুদণ্ড করোনা পরিস্থিতি খারাপ হলে আবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ : শিক্ষামন্ত্রী কাহারোলে গভীর রাতে শীতার্তদের বাড়িতে কম্বল নিয়ে হাজির এমপি গোপাল বীরগঞ্জে অসহায় এক বৃদ্ধ ভিক্ষুককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন আলোর পথে সংগঠন বীরগঞ্জে অসহায় এক বৃদ্ধ ভিক্ষুককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন আলোর পথে সংগঠন বীরগঞ্জে দুস্থদের মাঝে টিউবওয়েল বিতরণ শেখ হাসিনা সবার জন্য মাথা গোঁজার ঠাই নিশ্চিত করছেন -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জের মরিচা ইউনিয়ন আ,লীগের যৌথ বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে ফুলবাড়ীতে নারী নির্যাতন প্রতিরোধে মানববন্ধন ও সাইকেল র‌্যালি এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

বদলে যাচ্ছে পীরগঞ্জের কৃষক ও ফসলি জমি

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৯ আগস্ট, ২০১৯
  • ১০০ জন দেখেছেন

ফাইদুল ইসলাম,পীরগঞ্জ ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধিঃ ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষি, কৃষক আর ফসল চাষে এসেছে পরিবর্তন। এক সময়ের ধান, পাট আর আখের উপজেলা হিসেবে বিশেষ পরিচিতি থাকলেও এখন সে পরিচয় অনেকটাই ম্লান হয়ে পড়েছে।

ধান, পাট আর আখের জায়গা দখলে নিচ্ছে আম, লিচু, পেয়ারা এবং বিভিন্ন সবজি। ক্ষুদ্র কৃষক আর প্রান্তিক চাষির হাত থেকে জমি চলে যাচ্ছে বড় ব্যবসায়ী আর বিভিন্ন পেশাজীবীর হাতে। এমন অবস্থায় পীরগঞ্জ উপজেলার কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, এটা অস্বাভাবিক নয়। খুব দ্রুতই মানুষ ফল বাগান থেকে মুখ ফিরিয়ে আবার ধান চাষে ফিরবে। সরকারি হিসেব মতে, কৃষকের সংখ্যা ২ লাখ ৬৬ হাজার ৫১০ জন। সব মিলিয়ে কৃষি জমির পরিমাণ ১ লাখ ৫১ হাজার ৭৪১ হেক্টর। জেলায় ইরি-বোরো মৌসুমে ধান উৎপাদন হয় ৭ লাখ ৮৪ হাজার টন। এ তথ্যের বাইরে জেলায় কি পরিমাণ জমি গত পাঁচ বছরে ধান চাষ থেকে ফলের বাগানে পরিণত হয়েছে সে তথ্য কারো কাছে নেই।

জেলার অনেক ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক চাষিই তাদের জমির উৎপাদিত ধানের উপযুক্ত দাম না পেয়ে ধান চাষে উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছেন। এতে করে তারা হয় জমি বিক্রি করে দিয়েছেন, নয়তো চুক্তিতে কারো কাছে লিজ দিয়েছেন। এভাবে জমির হাত বদল হয়ে তা চলে গেছে ধনি ব্যবসায়ী, চিকিৎসক,শিক্ষক, আইনজীবী ও বিভিন্ন কোম্পানির হাতে।

হাজার হাজার হেক্টর জমিতে গড়ে উঠেছে পালি আম বাগান। কোথাও আবার লিচু বাগান। ধানি জমিতে পুকুরও কাটছেন অনেকে।সরেজমিন পীরগঞ্জ উপজেলার ১০ ইউনিয়নের বেশ কিছু এলাকা ঘুরে শত শত আম, লিচু এবং বিভিন্ন সবজি বাগান চোখে পড়েছে।সাম্প্রতিক সময়ে পেয়ারা ও লেবু বাগান তৈরিতেও অনেকে এগিয়ে আসছেন। অনেক ফসলি জমিতেই গড়ে উঠেছে ইট ভাটা।

আর সবকিছু ছাড়িয়ে উপজেলা সদরের সন্নিকটে ভেলাতৈড় যজ্জপীর এলাকায় গড়ে উঠার সম্ভাবনা রয়েছে উপজেলার পল্লী-বিদ্যুৎ অফিসের ভবন। তবে কি পরিমাণ জমি ধান, পাট চাষ বাদ দিয়ে ফলের বাগান গড়ে উঠেছে কিংবা শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে তার সঠিক তথ্য কৃষি বিভাগের হাতে নেই। এ ব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আফতাব হোসেন বলেন, এটা অস্বাভাবিক নয়। কেউ কেউ ফলের বাগান করছেন বটে। কিন্তু লাভের মুখ না দেখায় ফলের বাগান কেটেও ফেলছেন।

তিনি আরো জানান, অনেকে ফলের বাগান করলেও একই জমিতে ধান এবং অন্য ফসলের আবাদও করছেন।একজন তরুণ উদ্যোক্তার মতে, কৃষক বছরের পর বছর ধানের দাম পাচ্ছেন না। তিনি নিজেও ধানের দাম না পেয়ে হতাশ হয়ে ১০ বিঘা জমিতে আমরুপালি জাতের আমবাগান করেছেন। আমের মুকুল আসার আগেই বাগান বিক্রি করে নগদ টাকা পাওয়া যায়। ফলে বাগান নিয়ে বাড়তি কোনো ভেজাল করতে হয় না।

জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার সেনুয়া গ্রামের সুজন আলী,খতিব উদ্দীন,কাউসার,মেহেদী হাসান জানান তারা তাদের জমিতে বিভিন্ন জাতের আম এবং লিচুর আবাদ করেছেন। তিনি নিজেই পরিচর্যা করেন এবং বাগান থেকেই চাহিদা মাফিক গ্রাহকদের কাছে ফল কুরিয়ারে পাঠিয়ে দেন ও স্থানীয় ফুরিয়াদের কাছে ফল বিক্রী করে দেন।

ক্রমাগত জমির হাতবদল হয়ে পেশাজীবী, ব্যবসায়ীদের হাতে চলে যাওয়া, প্রধান ফসল ধানের পরিবর্তে ফলের বাগান বৃদ্ধি পাওয়া, ফসলি জমিতে শিল্প-কারখানাসহ ইটভাটা গড়ে ওঠার কারণে জেলার কৃষি ক্ষেত্রে সুদূরপ্রসারী প্রভাব পড়ার আগেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত বলে মনে করে সুশীল সমাজ।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team
x