কুড়িগ্রামে রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসহ প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ১৫৪৯ পরিবার কুড়িগ্রামে রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসহ প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ১৫৪৯ পরিবার – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে মন্দিরের শৌচাগার নিমার্ণ কাজের উদ্বোধন মুখে মাস্ক না থাকায় রিকসা চালকের মাথা ফাটালো ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতাকর্মী উলিপুরের বিশিষ্ট সমাজ সংস্কারক দার্শনিক এর ৮তম প্রয়াণ দিবস পালিত বিরামপুর মহিলা কলেজ পরিদর্শন ও মাস্ক বিতরণ করলেন ইউএনও বীরগঞ্জে বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও শিশু সুরক্ষা বিষয়ে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভা কাহারোলে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত আওয়ামীলীগের নৌকা প্রত‍্যাশি সুজাউল হক সবুজ মুখে মাস্ক না থাকায় রিকসা চালকের মাথা ফাটালো ফুলবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিচ্ছন্নতাকর্মী বীরগঞ্জ সরকারি কলেজে বৃক্ষ রোপণের মাধ্যমে বীরগঞ্জ শুভসংঘের নতুন কমিটির যাত্রা শুরু রানীশংকৈলে ভাঙা কালভার্টে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল রাণীশংকৈলে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ শিশু অধিকার, শিশু নিরাপত্তা, উন্নয়নের জন্য যোগাযোগ (সিফোরডি) ও শিশু নেতৃত্বের কর্মশালা তাকেদা হেলদি ভিলেজ প্রজেক্ট এর প্রকল্প কার্যক্রম সমাপনী ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন অনুষ্ঠান বাল্যবিবাহ রোধে কিশোর কিশোরীদের আন্দোলন গড়ে তোলার বিকল্প নেই এমপি মনোরঞ্জন শীল গোপাল ডোমারের জোড়াবাড়ী ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী যুবলীগ নেতা আজাহারুল ইসলাম জুয়েল

কুড়িগ্রামে রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসহ প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ১৫৪৯ পরিবার

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: শনিবার, ২৩ জানুয়ারি, ২০২১
  • ৫৫ জন দেখেছেন

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ

মুজিব শতবর্ষে দেশের সবচেয়ে দারিদ্রতম জেলা কুড়িগ্রামে জমিসহ ঘর পেলেন ১ হাজার ৫শ ৪৯ ভুমি ও গৃহহীন পরিবার। ঘর পেয়েছেন রানা প্লাজায় নিহত রুবিনার পরিবারও। যুগের পর যুগ সরকারী খাস জমি ও অন্যের জায়গায় বসবাস করা পরিবারগুলো প্রধানন্ত্রীর এ উপহার পেয়ে খুশিতে আত্মহারা হয়ে পড়েছেন। যারা জীবনেও নিজের জমি ও আধাপাকা ঘরে থাকার স্বপ্ন দেখেননি কখনও তারা এখন এসবের মালিক।
প্রতিবছর কুড়িগ্রামে বন্যা ও নদী ভাঙ্গনে নি:স্ব হয়ে পড়ছেন প্রায় ৪ থেকে ৫ হাজার পরিবার। বসতভিটা ও ঘর হারানো এসব পরিবারের ঠাঁই হয়েছিল বাঁধ, সরকারী খাস জমি ও অন্যের ভিটার ঝুপড়ী ঘরে। এভাবেই বছরের পর বছর রোদ, বৃষ্টি ও শীত কষ্টে জীবন কাটছিল তাদের। হঠাৎ করেই প্রধানমন্ত্রীর দেয়া পাকা ঘর ও জমির মালিক হয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েছেন তারা। প্রধানমন্ত্রীর এ উপহার থেকে বাদ যাননি রানা প্লাজায় নিহত কুড়িগ্রামের রাজারহাটের ছিনাই ইউনিয়নের সংসারের একমাত্র কর্মক্ষম নারী রুবিনার অসহায় পরিবারও।
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের রানা প্লাজা ধ্বসে নিহত রুবিনা ছেলে হৃদয় জানায়, আমি ছোট থাকতে আমার মা রানা প্লাজায় নিহত হয়েছে। আমার বাবা অন্যত্র বিয়ে করে সেখানে সংসার করছে। আমি আমার নানীর কাছে বড় হয়েছি। আমার এক বড় বোন ছিল তাকেও নানী বড় করে বিয়ে দিয়েছেন। আমাদের কোন জায়গা জমি নেই। প্রধান মন্ত্রী জমিসহ আমাদের ঘর দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই। রানা প্লাজায় নিহত রুবিনার মা ছাবিজন জানান, দুইটি ছোট বাচ্চা আমার কাছে রেখে আমার মেয়ে রুবিনা রানা প্লাজায় চাকরী করতো। সেখানে এক বছর চাকরী করার পর রানা প্লাজা ধ্বসে তার মৃত্যু হয়। পরে তার লাশ পর্যন্ত আমি পাইনি। এরপর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মেম্বারের সহযোগীতা করলে প্রধানমন্ত্রী ৪ লাখ টাকা দেয়। সেই টাকা দিয়ে রুবিনার ছেলে মেয়েদের বড় করে মেয়েটাকে বিয়ে দিয়েছি। ছেলেটাকে লেখাপড়া করাচ্ছি। এখন প্রধানমন্ত্রী জমিসহ ঘর দিল। আমরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্য দোয়া করছি। এদিকে জেলার ৯ উপজেলায় ঘর ও জমি পাওয়া পরিবারগুলো জানান, আমাদের মাথা গোঁজার কোন ঠাই ছিলনা। প্রধানমন্ত্রী আমাদের ঘর দিয়ে মাথা গোজার ঠাই করে দিয়েছেন। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ দেয়াসহ তার দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন। এব্যাপারে রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নুরে তাসনিন জানান, রাজারহাটে রানা প্লাজায় নিহত রুবিনার পরিবারসহ ৭০ জন ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে আধাপাকা ঘরসহ ২ শতক করে জমি দেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর এমন উদ্যোগে অংশিদার হতে পেরে প্রশাসনের একজন কর্মকর্তা হিসেবে নিজেকে গর্বিত মনে করছেন বলেন মনে করেন তিনি।
কুড়িগ্রামের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনের পর জেলার ৯ উপজেলায় ১ হাজার ৫শ ৪৯ ভুমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে নিজ নিজ উপজেলা থেকে আধাপাকা ঘর ও জমি হস্তান্তর করা হয়েছে। যারা বাদ পড়েছেন পরবর্তীতে তারাও ঘর পাবেন বলে জানান তিনি। জেলা প্রশাসন সুত্র জানায় জেলার সদর উপজেলায় ২০০ পরিবার, রাজারহাট উপজেলায় ৭০ পরিবার, ফুলবাড়ী উপজেলায় ১৬৫ পরিবার, নাগেশ্বরী উপজেলায় ২৬৪ পরিবার, ভুরুঙ্গামারী উপজেলায় ২০০ পরিবার, উলিপুর উপজেলায় ২০০ পরিবার, চিলমারী উপজেলায় ১০০ পরিবার, রৌমারী উপজেলায় ৫০ পরিবার ও চররাজিবপুর উপজেলায় ৩০০ পরিবার। প্রত্যেক পরিবার ২ শতক জমিসহ দুটি রুম, বাথরুম, রান্না ঘরসহ সেমি পাকা একটি করে ঘর দেয়া হয়েছে। দারিদ্রতম এ জেলায় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বাদ পড়া সকল অসহায় ও সহায় সম্বলহীন পরিবার যেন পায় মাথা গোজার ঠাঁই এমনটাই প্রত্যাশা জেলাবাসীর।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Sabuj Bangla News Team