ব্রিটিশ-মার্কিন সম্পর্ককে অবিনশ্বর বলছেন জনসন ব্রিটিশ-মার্কিন সম্পর্ককে অবিনশ্বর বলছেন জনসন – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ১৩ জুন ২০২১, ০৪:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
হিমাগারে আলু সংরক্ষণ ভাড়া বাড়ানোর প্রতিবাদে কুড়িগ্রামে মানববন্ধন বীরগঞ্জে পূজা উদযাপন কমিটি উদ্যোগে এমপি গোপালের রোগ মুক্তি কামনায় প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত নিজপাড়া -১ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের টিউবওয়েল চুরি,ভয়াবহ অগ্নিকান্ড দিনাজপুরের বীরগঞ্জের রসুলপুর গোধূলী বৃদ্ধাশ্রমের আয়োজনে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া প্রার্থনা ডিমলায় অটোচালকে গলা কেটে হত্যার চেষ্টা বীরগঞ্জে নদীতে ডুবে ইব্রাহিম মেমোরিয়াল শিক্ষা নিকেতনের ছাত্রীর মৃত্যু বিরামপুরের জামাই হলেন রেল মন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন ভিসি কলিমউল্লাহ অভিনীত সিনেমার ভিডিও ভাইরাল! বাবার পর ইয়াবাসহ মা-ছেলে আটক

ব্রিটিশ-মার্কিন সম্পর্ককে অবিনশ্বর বলছেন জনসন

আন্তর্জাতিক ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১১ জুন, ২০২১
  • ৩০ জন দেখেছেন
Britain's Prime Minister Boris Johnson arrives for a coronavirus briefing in Downing Street, London, Monday April 5, 2021. (Stefan Rousseau/Pool via AP)

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের মধ্যকার সম্পর্ককে অবিনশ্বর বলে উল্লেখ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সাথে প্রথমবারের মতো বৈঠকের পর ব্রিটিশ মিডিয়া বিবিসি নিউজের কাছে এমন প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন তিনি।

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বলেন, বৈঠকে ব্রেক্সিট ইস্যুসহ আরও কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তাদের আলাপ হয়েছে। জি-৭ সম্মেলনে যোগ দিতে এখন যুক্তরাজ্যে অবস্থান করছেন জো বাইডেন। বৃহস্পতিবার (১০ জুন) যুক্তরাজ্যের কর্নওয়ালে তাদের বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।

বরিস জনসন বিবিসি নিউজকে বলেন, মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলা নিয়ে তারা আলাপ করেছেন। ব্রিটিশ-মার্কিন সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। ইউরোপসহ বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বহুদিন ধরে তারা একসাথে কাজ করছে। এছাড়া তারা স্বাক্ষর করেছেন আটলান্টিক চার্টারে। ১৯৪১ সালে যাতে প্রথম স্বাক্ষর করেছিলেন উইনস্টন চার্চিল ও ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট।

এ কর্নওয়ালেই ১১ থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত চলবে জি-৭ সম্মেলন। সেখানে এবার প্রাধান্য পাবে ভ্যাকসিন কূটনীতি, বিশ্ববাণিজ্য, জলবায়ু পরিবর্তন জনিত সংকটের মত বিষয়গুলো। এছাড়া আলোচনায় আসতে পারে গুগল, অ্যাপল ও অ্যামাজনের মতো বহুজাতিক কোম্পানিগুলোকে ন্যূনতম ১৫ শতাংশ করপোরেট কর পরিশোধের ব্যাপারে চাপ প্রয়োগের বিষয়টি।

করোনা মহামারি শুরু হওয়ার পর এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি ও জাপানের মতো ধনী দেশগুলো একত্রে কোনো বৈঠকে মিলিত হতে যাচ্ছে।

এ দিকে ডেমোক্রেট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের জন্য ৮ দিনের এই ইউরোপ সফরটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ দেশটির সাবেক রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে ইউরোপের অনেক দেশের সাথে মার্কিনিদের সম্পর্কে অবনতি হয়েছে। সে সম্পর্কগুলো উন্নতি করার বিষয়টি রয়েছে বাইডেনের এবারের এজেন্ডায়। বিশেষ করে রাশিয়ার সাথে সম্পর্কোন্নয়নের বিষয়টি।

জি-৭ সম্মেলনের তিন দিন পর জো বাইডেন ও তার স্ত্রী মার্কিন ফাস্ট লেডি জিল ট্রেসি দুজনে ব্রিটিশ রানী এলিজাবেথের সাথে সাক্ষাৎ করবেন। এর আগে ব্রিটিশ রানী বাইডেনের প্রথম সাক্ষাৎটি হয়েছিল ১৯৮২ সালে যখন জো ছিলেন ডেলাওয়্যারের সিনেটর। এরপর বাইডেন যাবেন বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে। সেখানে মিলিত হবেন ন্যাটো ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) নেতাদের সাথে। সেখানে চীন ও রাশিয়ার বিষয়ে আলাচনা হতে পারে।

বাইডেনের এর পরের গন্তব্য সবচেয়ে বেশি আলোচনায়। এ পর্যায়ে তিনি যাবেন সুইজারল্যান্ডের জেনেভায়। আগামী ১৬ জুন সেখানে তিনি সাক্ষাৎ করবেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে। ইউক্রেন, সাইবার হামলা এবং রাশিয়ার নতুন পারমাণবিক অস্ত্র মোতায়েনের পদক্ষেপ নিয়ে চলমান উত্তেজনাকর পরিস্থিতিতে মুখোমুখি বৈঠকে বসতে যাচ্ছেন বিশ্বের ক্ষমতাধর দুই নেতা।

সেখানে আলোচনা হতে পারে চলমান করোনা মহামারি, জলবায়ু পরিবর্তন রোধ ও আঞ্চলিক সংঘাত নির্মূলের মতো বিষয়গুলো। এছাড়া রয়েছে পুতিনবিরোধী রুশ নেতা আলেক্সেই নাভালনির বিষয়টিও আলোচনায় আসতে পারে। কারণ সম্প্রতি নাভালনির সাথে সম্পৃক্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে নিষিদ্ধ করেছে রাশিয়ার একটি আদালত।

সূত্র : বিবিসি নিউজ

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy