দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. prodipit.webs@gmail.com : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. uttam.birganj14@gmail.com : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বুধবার, ১২ মে ২০২১, ০৮:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সম্প্রতি চীনা রাষ্ট্রদূতের বক্তব্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার পরিপন্থী -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি কুড়িগ্রামে অসহায় পরিবারের মাঝে ঈদ উপহার বিতরণ করলেন অংকুর ফাউন্ডেশন ঈদ উপহার পেলো বিরামপুর পৌরসভার সাড়ে ৪ হাজার পরিবার বীরগঞ্জে গুড নেইবারস্ বাংলাদেশ এর উদ্দ্যেগে এক হাজার পাঁচশত পরিবারের মাঝে ত্রান সামগ্রী বিতরণ বীরগঞ্জ ইমারত শ্রমিকদেরকে প্রধান উপদেষ্টা বিএনপির নেতা রিজুর ঈদ সামগ্রী বিতরন দিনাজপুরে বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার উদ্যোগে ঈদ উপহার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ নকলায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৫৫ হাজার টাকা জরিমানা : অননুমোদিত সরিষা তেল জব্দ দিনাজপুরে ২নং ওয়ার্ডে ঈদ উপহার খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন কাউন্সিলর কাজী আশরাফউজ্জামান (বাবু) সৈয়দপুরে মাদকদ্রব্য ওষুধ টাপেন্টাডল সহ গ্রেপ্তার ২ দিনাজপুরে মানবতার ফেরিওয়ালা রাশেদ পারভেজ কর্তৃক ৩ জন শারীরিক প্রতিবন্ধীকে ৩টি হুইল চেয়ার প্রদান

দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে নৈশ প্রহরীর মেয়ে সাবিহা

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ২১৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, সবুজ বাংলা নিউজll

 

সাবিহা আক্তার বাউবির দিনাজপুর উপ-আঞ্চলিক কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী সুজা মিয়ার একমাত্র মেয়ে। তিনি বগুড়া জেলার শীবগঞ্জ উপজেলার মানকৌর গ্রামের বাসিন্দা।
১৫ বছর ধরে দিনাজপুর সুইহারি এলাকায় ছোট্ট একটি বাসা ভাড়া নিয়ে থাকেন সুজা মিয়া।

ভাইবোন মিলে চারজনের সংসারে বাবা যেখানে সংসার চালাতেই হিমশিম খাচ্ছেন, সেখান থেকে সাবিহা আজ তার স্বপ্নের উচ্চ শিখরে। অন্য ছেলে মেয়েরা যখন কোচিং- প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন, সাবিহা তখন ব্যস্ত ছিলেন পড়ার টেবিলে। অনেক কিছু না পাওয়া থেকে বাবার অল্প আয়ের টাকা দিয়েই মানিয়ে নিয়ে পড়ালেখা করেছেন। নিয়েছেন বড় ভাইয়ের সহযোগিতা।
সাবিহা পিইসি ও জেএসসিতে জিপিএ-৫, এসএসসিতে গোল্ডেন জিপিএ-৫ এবং ২০২০ সালে এইচএসসিতে দিনাজপুর সরকারি কলেজ থেকে গোল্ডেন জিপিএ-৫ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছেন।

** ২০২০-২১ সেশনের মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছেন স্কুলজীবনে সবসময় প্রথম স্থানে থাকা সাবিহা আক্তার।
বড়ভাই টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ার সাজু মোল্লা সবসময় বোনের পেছনে ছিলেন ছায়া হয়ে। দশম শ্রেণি পর্যন্ত বড় ভাই ছিলেন একাধারে শিক্ষক, গাইড ও বন্ধু। কেননা অল্প বেতনে চাকরি করা বাবার সামর্থ্য ছিল না প্রাইভেট টিউটর কিংবা কোচিং করানোর।
ছোটবোন মেডিকেলে চান্স পাওয়ায় বেশ খুশি বড়ভাই সাজু মোল্লা। অভাবের সংসারে এতো দূর কীভাবে, জানতে চাইলে সাবিহা বলেন, মা-বাবার অনুপ্রেরণায় আজ আমি এতো দূর পর্যন্ত পৌঁছাতে পেরেছি। মা সবসময় অনুপ্রেরণা দিতেন এগিয়ে যাওয়ার জন্য। তিনি বলেন, ‘অভাবের সংসার বলতে যেভাবে আছি সেখান থেকে আমাকে ভালো কিছু করতে হবে।’

সাবিহার বাবা সুজা মিয়া বলেন, আমার মেয়ে এবার দিনাজপুর এম.আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজে চান্স পেয়েছে। চান্স পাওয়ার পর আমি আমার মেয়েকে বলেছি, সে যেন জনগণের সেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগ করে। সে যেন জনগণের ডাক্তার হতে পারে।

সাবিহার ব্যাপারে স্কুল শিক্ষক বলেন, সাবিহা খুব মেধাবী শিক্ষার্থী ছিল। সে তার শিক্ষকদের খুব সম্মান করতো। সে অষ্টম শ্রেণিতে ট্যালেন্টপুলে বৃত্তি পেয়েছে। সে তার পরিশ্রমের উত্তম ফল পেয়েছে। সাবিহাকে তার ভালো ফলাফলের জন্য অভিনন্দন জানান তিনি।

  • 59
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy