করনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলায় প্রস্তুত নীলফামারী – সবুজ বাংলা নিউজ
রবিবার ২৪ জানুয়ারি ২০২১, পৌষ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ

করনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলায় প্রস্তুত নীলফামারী

 

করনার দ্বিতীয় ওয়েভ মোকাবিলায় প্রস্তুত নীলফামারী

 

 

মোঃ রাব্বি ইসলাম আব্দুল্লাহ
নীলফামারী প্রতিনিধী

এই শীতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে নীলফামারী জেনারেল হাসপাতাল।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট এ হাসপাতালের একশ শয্যা (করোনা ইউনিট) সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রাখা হয়েছে করোনা রোগীদের জন্য। প্রস্তুত রয়েছেন চিকিৎসক, নার্স ও ওয়ার্ড বয়।

তবে আইসিইউ না থাকায় শ্বাসকষ্টের রোগীদের এখানে না রেখে পাঠানো হয় রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে এবার নীলফামারীর হাসপাতালে অক্সিজেন সরবরাহে তৈরি করা হচ্ছে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট। এখান থেকে হাসপাতালে রোগীদের শয্যায় অক্সিজেন সরবরাহ করা হবে।

হাসপাতাল সূত্র থেকে জানায় জায় , এই হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়েছেন ২৩৯ জন। ১ এপ্রিল প্রথম রোগী ভর্তি হয়েছিলেন এখানে। করোনা রোগীদের চিকিৎসার জন্য ১৪৬টি সিলিন্ডার ও ফ্রোমেটার ৫২টি রয়েছে এখানে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, হাসপাতালে ৫৭ জন চিকিৎসকের মধ্যে ৯ জন থাকলেও প্রেষণে উপজেলাগুলো থেকে আরও ৩০ জনকে নিয়ে এসে এখানে চিকিৎসা সেবার কাজ চালানো হচ্ছে।

এছাড়া ৫টি এক্স-রে মেশিনের মধ্যে ৩টি সচল, আলট্রাসনোগ্রাম তিনটির মধ্যে ১টি সচল রয়েছে। কোন ইউনিট নেই ডেন্টাল বিভাগে।

করোনা ইউনিটের নেতৃত্ব দেয়া চিকিৎসক মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রেজাউল করিম বলেন, গেল কোরবানি ঈদে আমাদের হাসপাতালে ৩৮ জন রোগী চিকিৎসা নিয়েছিলেন। এরচেয়ে বেশি আর একযোগে ছিলো না। আমরা সার্বক্ষণিক প্রয়োজনীয় সেবা এবং পর্যবেক্ষণে রেখেছিলাম। এই হাসপাতালে কেউ মারা যায়নি। আমরা যখনই দেখেছি রোগীর সমস্যা জটিল তখনেই তাকে স্থানান্তর করেছি রংপুরে।

তিনি আরো বলেন, তবে আমরা দ্বিতীয় মৌসুম মোকাবিলায় যেকোন পরিস্থিতিতে প্রস্তুত রয়েছি। এখন আগের মতো হাসপাতালে আসতে চাচ্ছেন না কেউ, তবে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকলেও আমরা তাকে পর্যবেক্ষণে রাখি।

নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মোহাম্মদ মেজবাহুল হাসান চৌধুরী বলেন, আমাদের এখানে জরুরি আইসিইউ প্রয়োজন। না থাকায় বেগ পেতে হচ্ছে। হৃদরোগ বিভাগ থাকলেও এখোনও চালু করতে পারিনি। এটিও চালু করা প্রয়োজন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি আরো জানান, করোনা রোগীদের চিকিৎসায় রোটেশন পদ্ধতিতে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন চিকিৎসক, নার্স থেকে ওয়ার্ডবয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট চালু হচ্ছে এর ফলে বিশেষ উপকার পাবেন রোগীরা।

সিভিল সার্জন অফিস সূত্র জানায়, জেলার ৮টি আইসোলেশন সেন্টারে ৪৬৮টি শয্যা প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলায় ১২৪৮ জন করোনা রোগী শনাক্ত হলেও সুস্থ হয়েছেন ১১৭৮ জন আর মারা গেছেন ২৩ জন।

সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর কবির বলেন, প্রথম দিকে চিকিৎসাসেবার ক্ষেত্রে কিছুটা সমস্যা ছিলো এখন সেটি আর নেই। বিশেষ করে সৈয়দপুর একশ শয্য হাসপাতালে সেন্ট্রাল অক্সিজেন ইউনিট চালু এবং নীলফামারীতে প্রস্তুত হচ্ছে। এছাড়া বিভিন্ন উপকরণ সংকট থাকলেও সেটি কেটে গেছে। জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ করোনা মোকাবেলায় সার্বক্ষণিক প্রস্তুত রয়েছে।

তিনি আরো বলেন, করোনাভাইরাস প্রার্দুভাব মোকাবিলায় সব মানুষকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং অবশ্যই মাস্ক ব্যবহার করতে হবে।

আরও সংবাদ

কুড়িগ্রামে রানা প্লাজায় ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারসহ প্রধানমন্ত্রীর ঘর পেলেন ১৫৪৯ পরিবার

রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ মুজিব শতবর্ষে দেশের সবচেয়ে দারিদ্রতম জেলা কুড়িগ্রামে জমিসহ ঘর …