সাবাস চেয়ারম্যান উপাধিতে ভূষিত আবুল ইসলামের ১৬তম মৃত্যু বার্ষিকী সাবাস চেয়ারম্যান উপাধিতে ভূষিত আবুল ইসলামের ১৬তম মৃত্যু বার্ষিকী – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনঃ সভাপতি অন্তু ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুর্শিদ ধর্ম নিরপেক্ষতাই বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের পরিচয় -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি উলিপুরে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত মুনসুর আলী গ্রেপ্তার গার্মেন্টস খোলার খবরে যাত্রীদের ঢল বীরগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত -১, ইউপি সদস্য সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা মাছ ধরার উৎসবে মেতেছে বীরগঞ্জের শিক্ষার্থীরা কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করলেন মনোরঞ্জন শীল গোপাল গৌরীপুরের মুখুরিয়ার প্রাচীন মসজিদের ঈমাম স্বেচ্ছায় অবসর নিলেন ৬০ বছরের ঈমামতি জীবন ছেড়ে ফিরছেন নিজ বাড়ি মাছ ধরার উৎসবে মেতেছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বীরগঞ্জে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত যে কোন সংকটে অসহায়দের পরমবন্ধু শেখ হাসিনা -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি কাহারোলে পাটের বাম্পর ফলন, দাম পেয়ে কৃষকেরা খুশি কুড়িগ্রামে একই পরিবারের ৭ জনসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক বীরগঞ্জে ওএমএস কেন্দ্রে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় বীরগঞ্জ উপজেলার এসিল্যান্ডের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান

সাবাস চেয়ারম্যান উপাধিতে ভূষিত আবুল ইসলামের ১৬তম মৃত্যু বার্ষিকী

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
  • ৪০ জন দেখেছেন

মোঃ হাসানূল কবীর, খুলনা ব্যুরো চীফঃ

১৯৬৪ সালে গোটা পাকিস্তানের মধ্যে একমাত্র চেয়ারম্যান মরহুম আবুল ইসলাম জনগণের ভোটের নায্য অধিকার রক্ষায় তৎকালীন পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খাঁন’র সিদ্ধান্তের কঠোর বিরোধীতা করেছিলেন।

মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, সাবেক প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য, গণপরিষদের সদস্য, স্বাধীনতার পর প্রথম জাতীয় সংসদ সদস্য এবং বঙ্গবন্ধুর সাবাস চেয়ারম্যান খ্যাত আলহাজ্ব আবুল ইসলামের আজ ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী। তিনি ২০০৪ সালের ২০শে ফেব্রুয়ারী হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। নন্দিত নেতা আবুল ইসলাম ১৯৫৫ সালে মৌখিক ভোটে ইউনিয়ন বোর্ডের মেম্বর নির্বাচিত হন। শুরু হয় তার জনপ্রিয়তার পথ চলা। ১৯৫৮ সালে ঝিকরগাছার তৎকালীন বল্লা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান (বর্তমানে নির্বাসখোলা ও হাজিরবাগ ইউনিয়ন) নির্বাচিত হন সরাসরি জনগণের ভোটের মাধ্যমে।১৯৬৪ সালে তৎকালীন পাকিস্থানের প্রেসিডেন্ট আইয়ুব খাঁন মৌলিক গণতন্ত্র চালুর নামে ফরমান জারি করেন, ইউপি চেয়ারম্যানদের ভোটে পার্লামেন্ট সদস্য নির্বাচিত হবেন। জনগণের সরাসরি ভোটের দরকার নেই এবং আইয়ুব খাঁন নির্দেশ দেন ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এই ফরমান সমর্থন সূচক রেজুলেশন করে প্রেসিডেন্ট দপ্তরে পাঠাতে। তখন গোটা পাকিস্থানের মধ্যে একমাত্র চেয়ারম্যান আবুল ইসলাম ওই ফরমানের বিরোধীতা করেছিলেন। তিনি বল্লা ইউনিয়ন পরিষদের প্যাডে ওই ফরমানের বিরুদ্ধে রেজুলেশন করে প্রেসিডেন্ট দপ্তরে পাঠান।

তিনি রেজুলেশনে উল্লেখ করেন, ভোট জনগণের মৌলিক অধিকার তা খর্ব করার এখতিয়ার কারো নেই। চেয়ারম্যান আবুল ইসলাম ওই রেজুলেশনের কপি স্পীকার ও দৈনিক ইত্তেফাক অফিসে প্রেরণ করেন। এই ঘটনায় দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকা সাবাস চেয়ারম্যান শিরোনামে সংবাদ পরিবেশন করে। এরপর থেকে আবুল ইসলাম সারাদেশে সাবাস চেয়ারম্যান নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। তিনি ১৯৬৬ সালে যশোর বোর্ডের সদস্য নির্বাচিত হন। খুলনা বিভাগে তিনিই একমাত্র আওয়ামীলীগের মেম্বর নির্বাচিত হন এবং ১৯৭০ সালে আওয়ামীলীগ মনোনীত প্রার্থী হিসাবে চেয়ারম্যান থেকে অবিভক্ত ঝিকরগাছা চৌগাছাসহ মণিরামপুর নির্বাচনী এলাকার প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। আবুল ইসলাম ১৯৪৯ সাল থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে আবুল ইসলাম সরাসরি অংশগ্রহণ করেছিলেন। ১৯৭১ সালে তিনি দেড়শ জন সুইসাইড স্কোয়াড নিয়ে যুদ্ধ করেছেন। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭৩ সালে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

কিংবদন্তী এই বীর পুরুষ ১৯২৪ সালে যশোর জেলার ঝিকরগাছা উপজেলার হাজিরবাগ গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা সরদার নাসির উদ্দীন তৎকালীন সময়ে সমাজের পঞ্চায়েত ছিলেন। আবুল ইসলাম ২০০৪ সালের এইদিনে হাজার হাজার মানুষকে কাঁদিয়ে না ফেরার দেশে চলে যান। হাজিরবাগ গ্রামের জামে মসজিদের পাশে পারবারিক কবনস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত আছেন নন্দিত এই নেতা। আবুল ইসলাম মৃত্যুর আগে বলেছিলেন তাকে যেন বঙ্গবন্ধুর মত ৫৭০ সাবান (কাপড় পরিষ্কার করা সাবান) এবং নিন্মমানের কাপড় দিয়ে দাফন করা হয়। তার শেষ ইচ্ছা পূরণ করেছিলেন তার সন্তানেরা। আবুল ইসলামের সুযোগ্য উত্তরসুরি যশোর-২ (চৌগাছা-ঝিকরগাছা) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন-সম্পাদক এ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির।

মরহুম আবুল ইসলামের মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে পারবারিক ও রাজনৈতিকভাবে দিনভর বিভিন্ন কর্মসূচী আয়োজন করা হয়েছে। কর্মসূচীর মধ্যে মরহুমের কবর জিয়ারত, হাজিরবাগ জামে মসজিদে দোয়া অনুষ্ঠান এবং বিকাল ৩টায় হাজিরবাগ আবুল ইসলাম ফাউন্ডেশন চত্ত্বরে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিল। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি- যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন। বিশেষ অতিথি- যশোর জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হায়দার গণি খান পলাশ, সহ-সভাপতি অ্যাড. মোহাম্মদ আলী রায়হান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ফরিদ আহম্মদ চৌধুরী, ঝিকরগাছা উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি চৌধুরী রমজান শরীফ আদশা, সাধারন সম্পাদক মুছা মাহমুদ, যশোর সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদস্য মেহেদী হাসান মিন্টু, যশোর জেলা কৃষকলীগের সভাপতি অ্যাড. শামসুর রহমান, যশোর জেলা আওয়ামী যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সৈয়দ মনির হোসেন টগর, জেলা শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দীন, জেলা যুব মহিলালীগের সভাপতি মঞ্জুনন্নাহার নাজনীন সোনালী।

পরিবারের পক্ষ থেকে স্মৃতিচারণ করবেন, মরহুমের ছোট পুত্র ও আবুল ইসলাম জুট মিলে ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাজহারুল ইসলাম প্রিন্স। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন, মরহুমের ৩য় পুত্র, যশোর-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির।

উক্ত অনুষ্ঠানে দলমত নির্বিশেষে সবাইকে উপস্থিত হওয়ার জন্য বিশেষভাবে আহবান জানিয়েছেন স্মরণসভা আয়োজক কমিটি।

  • 27
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy