1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মঙ্গলবার, ১৩ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাপাহারে সেন্ট্রাল অক্সিজেন সরবরাহের শুভ উদ্বোধন মাছে ভাতে বাঙালি-মাছ ভাত দুটাই নিশ্চিত করেছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা-মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জে সিনজেনটা ফাউন্ডেশনের সুরক্ষা প্রকল্পের শষ্য বীমা দাবির অর্থ বিতরণ বীরগঞ্জে লিফদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ একজন বিবেকবান মানুষ কখনো শুধু নিজের কথা চিন্তা করতে পারে না বীরগঞ্জে মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মাঝে ল্যাপটপ বিতরন সবুজ বাংলা নিউজ  এর  কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি  , রুহুল আমিন রুকু ,সড়ক দুর্ঘটনায় আহত, তার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা বেগম খালেদা জিয়ার রোগ মুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল দিনাজপুরের ছেলে মেডিকেলে চান্স প্রাপ্ত নিক্কনের শিক্ষা বিষয়ক যাবতীয় সহযোগিতার দায়িত্ব নেন জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ বীরগঞ্জে ধর্মীয় সম্প্রীতি সমাবেশে

বীরগঞ্জে ভাপা ও চিতাই পিঠা বিক্রি করে সচ্ছলতা বাছিরণ

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১০ জন দেখেছেন

বিকাশ ঘোষ, বীরগঞ্জ(দিনাজপুর) প্রতিনিধি : দিনাজপুরের বীরগঞ্জে শীতকালীন পিঠা বিক্রি করে সচ্ছলতায় বাছিরণ বেওয়া। ‘পরিশ্রমে ধন আনে সুখ, অলসতায় দারিদ্রতা, পাশে আনে দু:খ।’ এমন মন্ত্র কে সামনে রেখে বীরগঞ্জ উপজেলার বীরগঞ্জ পৌরসভার স্বামী হারা বিধবা বাছিরণ বেওয়া শীতকালীন ভাপা ও চিতাই পিঠা বিক্রি করে দুঃখ জয় করা উজ্জ্বল দৃষ্টি স্থাপন করেছেন। স্বামীর মৃত্যুর পর সংসারে যখন নুন আনতে পানতা ফুরাতো। অসুস্থ বাবাকে পাশে নিয়ে বীরগঞ্জ পৌরশহরের তাজমহল সিনেমাহলে সামনে পাকা রাস্তার পাশে কোনোমতে একটু বসার জায়গায় করে নিয়ে শীতকালীন ভাপা ও চিতাই পিঠা বিক্রি করচ্ছেন বাছিরণ বেওয়া। আগে কাজ না পেয়ে একবেলা খেয়ে এবং আরেকবার খেয়ে চলতো সংসার। এখন শীতকালীন পিঠা বিক্রি করে সচ্ছলতা তিনি। বাছিরণ বেওয়ার মাথায় আসে বসে না থেকে পিঠা তৈরি করে বিক্রি করে সংসারে সে সহায়তা করতে পারে। যেই কথা সেই কাজ। সে এনজি থেকে ঋণ নিয়ে শুরু হয় ভাপা পিঠা তৈরির কাজ। শুরুর দিন পিঠা কম বিক্রি হলেও প্রচার হওয়ার পর ১৫০ থেকে ২০০ টাকার পিঠা বিক্রি করা হয় তার। উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ভোগডোমা গ্রামে বাছিরণের বাড়ী। প্রতিদিন বিকালে ভাপা ও চিতাই পিঠার গ্রহকের ডাকে তার দোকান শুরু হয়। বৃদ্ধ পিতাকে সাথে নিয়ে বিকেল ৪টা থেকে মধ্যে রাত পর্যন্ত ২০০ থেকে ৩০০ টাকার পিঠা বিক্রি করে ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা আয় হয় তার। তিনি জানান, এখন কাজ না পেলেও তাদের উপাস থাকতে হয় না। হাত গুটি মানুষের মুখ পানে চেয়ে না থেকে একটু পরিশ্রম করলে সুখের দেখা মেলে দুমুঠা ডাল ভাত পাওয়া যায় উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত বাছিরণ বেওয়া। অন্যদিকে স্লুইসগেট মোড়ের মৌসুমি পিঠা বিক্রেতা জামেরুল খাতুন ও রহিমা বেগম জানান, এখন শীতকালীন সময়ে পিঠা বিক্রি জমে উঠেছে। নারীরা ঘরে বসে না থেকে ইচ্ছা করলেই কোনো না কোনোভাবে সংসারে আয়ের রাস্তা বের করতে পারে বলে মনে করেন তারা।

  • 157
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy