তালার শালতা নদী খননে শম্ভুক গতি,২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত তালার শালতা নদী খননে শম্ভুক গতি,২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৪:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যাচ্ছে কঁচু শাখ, নেই কোন কঁচু শাখের কদর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের তারিফ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন ফুলবাড়ীয়ার লেবু যাচ্ছে বিদেশে, বাড়ছে লেবু চাষের আগ্রহ নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার চরে ভুট্টার বাম্পার ফলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষকে আশান্বিত করেছেন’ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জ পৌরসভায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে টিসিবি’র কার্যক্রম উদ্বোধন সাপাহারে ভ্রাম্যমান আদালতে দু’টি ইটভাটার অর্থদন্ড সাপাহারে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের খোঁজ নিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাপাহারে হতে সকলের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা নিয়ে বিদায় নিলেন কল্যাণ চৌধুরী পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে সাপাহারে রোগীদের মাঝে উন্নত খাবার পরিবেশন

তালার শালতা নদী খননে শম্ভুক গতি,২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ নিয়ে কৃষকরা শঙ্কিত

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৭ জন দেখেছেন

এম নজরুল ইসলাম,তালা সাতক্ষীরাঃ

ফসলি জমি জেগে না ওঠায় বোরো মৌসুমের বীজতলা প্রস্তুত করতে পারছে না তালা ডুমুরিয়ার শালতা নদী তীরবর্তী গ্রামের কৃষকরা। ফলে এবার শালতা পাড়ের প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে।
শম্ভুক গতিতে চলছে সাতক্ষীরার তালার পশ্চিম শালতা নদীর খনন কাজ। বর্ষা মৌসুমে নদী খনন বন্ধ রাখলেও খনন বাঁধ (ক্রসড্যাম) অপসারণ করা হয়নি, ফলে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের সময় প্রবল বৃষ্টি এবং নদীর উপচে পড়া পানি সরতে না পারায় দীর্ঘ জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।
তালা উপজেলার ভারপ্রাপ্ত কৃষি কর্মকর্তা মো. আবু জাফর বলেন, ‘যত দ্রুত শালতা নদীর খনন হবে তাতে কৃষকদের উপকার হবে। ধান লাগাতে হবে। অন্যথায় শালতা নদী তীরবর্তী এলাকায় প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ করা যাবে না।
এলাকাবাসী জানায়, খননকৃত মাটি ১০ ফুট দূরের বদলে খনন স্থলেই স্তূপ করে রাখা হচ্ছে। যা বর্ষা মৌসুমে ধুয়ে আবারও নদী ভরাট হবে।
শালতা সংলগ্ন ঘের মালিক তালা উপজেলার হাজরাকাটি গ্রামের কোহিনুর ইসলাম জানান, তার ৫০০ বিঘার ঘের এখনো পর্যন্ত পানির নীচে। মাছিয়াড়া গ্রামের শহিদুল গাজী, হাজরাকাটির লুত্ফর শেখ, সাহেব আলী , আহাদ বিশ্বাস, ইয়াছিন সরদার, আলাউদ্দিন শেখ, মোসলেম শেখসহ অনেকেই জানান, কোলাচ বিলসহ শালতা পাড়ের হাজার হাজার মত্স্য ঘের বুলবুল ঝড়ে ভেসে যায়। এখন পর্যন্ত পানি না সরায় ১৬ নম্বর পোল্ডারের কমপক্ষে ২০ হাজার হেক্টর জমির বোরো সম্ভব হবে না।
শালতা রিভার বেসিন কমিটির সভাপতি সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান সরদার ইমান আলী জানান, এবার আমন আবাদও করতে পারেনি শালতা পাড়ের মানুষ।
খলিলনগর ইউনিয়ন পরিষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান ও তালা প্রেসক্লাবের সভাপতি প্রভাষক প্রণব ঘোষ বাবলু বলেন, নদী খননে ধীরগতি হওয়ায় শালতা পাড়ের ২০ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
কেন্দ্রীয় পানি কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ এবিএম শফিকুল ইসলাম জানান, পানি সরানোর বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সঙ্গে কথা বলেছি, দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে এলাকার মানুষ একটি ফসলও ঘরে তুলতে পারবে না।
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ডি ই মিজানুর রহমান জানান, অভ্যন্তরীণ ছোটো নদী, খাল এবং জলাশয় পুনঃখনন প্রকল্পে দুর্নীতি করার সুযোগ নেই। আর পানি সরাতে হলে তো নদী কাটা বন্ধ রাখতে হবে।
খুলনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরিফুল ইসলাম জানান নির্ধারিত সময়ে খনন কাজ শেষ করা হবে এবং চ্যানেল কেটে পানি নিষ্কানের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করা হবে।

  • 17
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy