বীরগঞ্জে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি ৪৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত প্রতি বছর হারাচ্ছে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব বীরগঞ্জে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি ৪৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত প্রতি বছর হারাচ্ছে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু শোকাবহ আগষ্টের প্রথম প্রহরে জেলা ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অবৈধ ভাবে ভারত থেকে ফেরার পথে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ৭ বাংলাদশী আটক বীরগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতে ব্রীজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ ,দুর্ভোগে এলাকার ৫০ হাজার মানুষ বীরগঞ্জে নব- গঠিত ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্বলন বীরগঞ্জে জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্ততিমুলক সভা অনুষ্ঠিত শোকাবহ আগস্টের প্রথম সন্ধায় বীরগঞ্জ ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা শোকাবহ আগষ্টের প্রথম প্রহরে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড এবং আফগানিস্তান ৫৮ বছরে পা রাখল গৌরীপুর সরকারি কলেজ বীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনঃ সভাপতি অন্তু ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুর্শিদ ধর্ম নিরপেক্ষতাই বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের পরিচয় -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি উলিপুরে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত মুনসুর আলী গ্রেপ্তার গার্মেন্টস খোলার খবরে যাত্রীদের ঢল বীরগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত -১, ইউপি সদস্য সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

বীরগঞ্জে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি ৪৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত প্রতি বছর হারাচ্ছে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্ব

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ১১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ৪৯ জন দেখেছেন

বীরগঞ্জে কোটি-কোটি টাকার সম্পত্তি ৪৮ বছর ধরে পরিত্যাক্ত
প্রতি বছর হারাচ্ছে সরকার লক্ষ লক্ষ টাকার রাজস্
বীরগঞ্জ, দিনাজপুর থেকে বিকাশ ঘোষ॥
১৮৯০ইং সালে বীরগঞ্জ থানা গঠনকালে ১৮৭টি মৌজায় জনগনের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে তৎকালিন বৃটিশ (ইংরেজ) সরকারের সময় দিনাজপুর জেলা পরিষদ থানা সংলগ্ন ২দশমিক ৩৭একর জমিতে একটি ডিস্পেনচারী, একটি ডাক্তার (এমবিবিএস) কোয়াটার, একটি কম্পাউন্ডার কোয়াটার নির্মানের মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্র স্থাপন করে সরকারী ভাবে বিনামুল্যে চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হয়।
গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার মুক্তিযুদ্ধ বা স্বাধীনতা যুদ্ধের পর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্সসহ ৩১ শর্যার হাসপাতাল নির্মান করে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপে¬ক্স নির্মানের পর পুরাতন কমপে¬ক্স পরিত্যাক্ত হয়। দীর্ঘদিন পরিত্যাক্ত থাকার পর লুটেরা বাহিনীর সদস্যরা ইট, টিন, কাঠ, রড, লোহার পিলার সহ যাবতীয় মালামল লুট করে কমপে¬ক্সটি নিশ্চিহৃ করে দেয়। এমবিবিএস কোয়াটারে উপজেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয় ও কম্পাউন্ডার কোয়াটার কুষ্ঠ চিকিৎসা কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘ দিন ব্যাবহার করা হয়। অবশিষ্ট ফাঁকা মাঠ পরিত্যাক্ত হওয়ায় এলাকার ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক ব্যাবসায়ী সরকারী সম্পত্তির পূর্ব ও দক্ষিন বাহু দখল করে ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান ও বাসা-বাড়ি নির্মান করে ভোগ দখলে আছে।
স্বাধীনতার উত্তর রাজনৈতিক পট পরিবর্তন বা দেশের সরকার বদল হলেই উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়েছে বহুবার। বর্তমান সরকার এখন পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেনি। স্বাধীনতার পর ৭-৮ বার উচ্ছেদ অভিযানে হাজার হাজার ব্যাবসায়ীর ব্যাবসা প্রতিষ্ঠান উচ্ছেদের স্বীকার হয়ে লাখ লাখ টাকা ক্ষতি গ্রস্থ হয়ে অনেকে পথে বসেছে। এছাড়াও কাগজ করে দেওয়ার নাম করে অসহায় ব্যাবসায়ীদের কাছে জেলা পরিষদের ও স্বাস্থ্য বিভাগের কিছু অসৎ কর্মচারী মাকের্টে করে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে বারবার। এরপর এলাকার হাজার হাজার মানুষ স্বাস্থ্য বিভাগ ও জেলা পরিষদের কাছে বহুতল সুপার মার্কেট নির্মানের দাবী তোলে বার বার। কিন্তু দু’বিভাগের মালিকানার রশি টানা টানিতে জনতার দাবী পুরন হয়নি ৪৮ বছরেও।
বর্তমান আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে স্থানীয় সাংসদ মনোরঞ্জন শীল গোপালের হস্তক্ষেপে স্বাস্থ্য বিভাগ তাদের দাবী প্রত্যাহার করে নেয়। জেলা পরিষদ মালিকানা ফিরে পেলে বহুতল সুপার মার্কেট নির্মানের পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়। দিনাজপুর-১ আসনের জাতীয় সংসদ সদস্য মনেরঞ্জন শীল গোপাল গত ২৬ অক্টোবর/২০১০ইং জেলা পরিষদের অর্থায়নে “বহুতল সুপার মার্কেট” নির্মানের জন্য ভিত্তি প্রস্তর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্ধোধন ও মিষ্টি বিতরন করেন। ৫০ কোটি টাকা ব্যায়ে বহুতল সুপার মার্কেটের ডিজাইনের নকসা ও প¬ান তৈরী করে পরিত্যাক্ত ডাক্তার খানার মাঠ পরিস্কারের জন্য হাজার বছরের পুরাতন আম গাছ গুলো কেটে ফেলা হয়।
দিনাজপুর জেলা পরিষদ মার্চ/২০১০ইং মাসে ৩-তলা প¬ান তৈরী করে তলায় ১৮৯টি দোকান ঘর, ২য় তলায় ২০০টি দোকান ঘর ও ৩য় তলায় অফিস, বীমা, ব্যাংক ১২ হাজার বর্গফুট বরাদ্দ গ্রহনের জন্য র্নিধারিত ফরমে আগ্রহীদের কাছে দরখাস্ত আহবান করে। প্রতিটি ফরমের মুল্য ১০০০/- (অফেরৎযোগ্য) নিধারন করে কয়েকশত ফরম নগদ মুল্যে বিক্রয় কর হয়। জেলা পরিষদের শর্ত মোতাবেক প্রথম কিস্তির ৫০ হাজার টাকা এককালিন জমানত হিসেবে গ্রহন করা হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে ৬ বছর পেরিয়ে গেলেও মার্কেট নিমার্নের টেন্ডার আহবান করা হচ্ছে না। জেলা পরিষদ কার্যালয়ে গিয়ে প্রশাসক মোঃ আজিজুল ইমাম চৌধুরীর জানান, টোটাল মার্কেট (১২হাজার বর্গফুট) এক ছাদের নকশা তৈরী করা হয়েছে কিন্ত পরর্বতীতে সেই কারনে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের সমস্যার কথা বিবেচনা করে নুতন ভাবে ডিজাইন করতে সামান্য বিলম্ব হচ্ছে। তিনি নিশ্চিত ভাবে জানান অবিলম্বে বহুতল সুপার মার্কেট নির্মান কাজ শুরু করা হবে।

  • 243
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy