মেয়র. সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র শুভ জন্মদিন মেয়র. সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র শুভ জন্মদিন – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ০৫:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে রাবিস বালু দিয়ে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিমার্ণ কাজ।এলাকাবাসীদের মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যাচ্ছে কঁচু শাখ, নেই কোন কঁচু শাখের কদর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের তারিফ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন ফুলবাড়ীয়ার লেবু যাচ্ছে বিদেশে, বাড়ছে লেবু চাষের আগ্রহ নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার চরে ভুট্টার বাম্পার ফলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষকে আশান্বিত করেছেন’ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জ পৌরসভায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে টিসিবি’র কার্যক্রম উদ্বোধন সাপাহারে ভ্রাম্যমান আদালতে দু’টি ইটভাটার অর্থদন্ড সাপাহারে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের খোঁজ নিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন সাপাহারে হতে সকলের অশ্রুসিক্ত ভালোবাসা নিয়ে বিদায় নিলেন কল্যাণ চৌধুরী

মেয়র. সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র শুভ জন্মদিন

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বুধবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৩১ জন দেখেছেন

শফিকুল ইসলাম(এম এ)বরিশাল জেলা প্রতিনিধি:-

আজ ১৯ নভেম্বর বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ও বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র জন্মদিন। শুভ জন্মদিন আলোকিত নগরপিতা সদা হাস্যময় মুখ তাঁর। নগরবাসির সুখ-দুঃখে পাশে থাকেন যিনি। জীবন যাপন করছেন সদা কর্মব্যস্তময় একজন মানুষ হিসেবে। বিত্ত আর বৈভবের চূড়ায় বসেও সাধারণ মানুষ যার প্রিয়, তিনিই আমাদের বরিশালের মেয়র ও মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ। আজ ১৯ নভেম্বর তার ৪৬তম শুভ জন্মবার্ষিকী। জীবনবাদী মানুষ, চিন্তা জাগানিয়া প্রেরণাশক্তি আর নগরের উন্নয়ন যার জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এই শুভক্ষণে তিনি আজ জরুরি কাজে রাজধানীতে অবস্থান করছেন। এই মাহেন্দ্রক্ষণে তাঁর কাছে পৌঁছে যাক আমাদের অশেষ শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। রাজনৈতিক পরিবারে বেড়ে ওঠা সহজ-সরল এক মানুষ তিনি। যিনি সারাজীবন হৃদয়ের গহিনে লালন করেছেন প্রগতিশীল রাজনৈতিক দর্শন। এক বছরে নগর পিতার পরিচয়ে ডানায় যুক্ত হয়েছে নতুন পালক। তিনি বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ মেয়র নির্বাচিত ও নগর রাজনৈতিক সফলতার এক নায়ক। তাঁর আরও একটি খ্যাতি রয়েছে সেটি হলো যুবরতœ। বরিশালের সাধারণ মানুষেরা সুখে দুঃখে যাকে পাশে পান তিনিই সাদিক আবদুল্লাহ। তবে জনপ্রিয়তায় তিনিই এখন নগর আওয়ামী লীগের শীর্ষ ব্যক্তি। ছাত্র, যুবক, বৃদ্ধসহ সবাই তাঁকে ঘিরে আছেন। নেতা-কর্মীদের মধ্যে সাদিকের গ্রহণযোগ্যতা আকাশচুম্বী, কর্মীদের আবেগ ও ভালোবাসার নাম তিনি। এছাড়া বরিশালবাসীর কাছের মানুষ, তাদের ভরসার ঠিকানা সাদিক আবদুল্লাহ। তিনি বরিশালের সফল মেয়র। দাদা আবদুর রব সেরনিয়াবাত ও পিতা আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ’র পর, এখন তিনিই দক্ষিণের আলোচিত নেতা। তাঁকে ঘিরেই আবর্তিত মহানগর আওয়ামী লীগ। এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম নেয়া সাদিক আবদুল্লাহ’র পিতা পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত কমিটির আহবায়ক মন্ত্রী আলহাজ আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি ও মাতা সাহান আরা বেগম শহীদ জননী, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ সভাপতি ও সংস্কৃতিজন। তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় সাদিক আবদুল্লাহ তার জীবদ্দশায় নানা ঘাত প্রতিঘাত মোকাবেলা করে আজ নিজেকে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন। মাত্র দেড় বছর বয়সে মৃত্যুর মুখোমুখি হতে হয়েছিলো তাকে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাত্রিতে যখন নির্বিচারে হত্যা চালানো হয়েছিল তখন সাদিক ছিলেন তার মায়ের কোলে। সাদিক আবদুল্লাহ মহান আল্লাহতায়ালার প্রতি সবসময় শুকরিয়া আদায় করে বলে থাকেন, হয়তো জনগণের সেবা করার জন্য সেদিন তাকে আল্লাহ বাঁচিয়ে রেখেছিলেন। আগস্ট ট্রাজেডির পর পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের সাথে সাদিক আবদুল্লাহকে পলাতক জীবনযাপন করতে হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানসহ ভারত গিয়ে আশ্রয় নিতে হয়েছে। সেখান থেকে দেশে ফেরা, আবার আমেরিকায় গিয়ে প্রবাস জীবনযাপন এতো কিছুর মধ্যেও ধৈর্য্য হারাননি তিনি। রাজনৈতিক পরিবারের সন্তান সাদিক অনেক উত্থান-পতন দেখেছেন আর অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে তিলে তিলে নিজেকে তৈরি করেছেন। তিনি সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেছেন বছর দশেক হলো। এক যুগেরও কম সময় সরাসরি রাজনীতির সাথে জড়িত হলেও এই কম সময়েই তিনি নিজেকে আপাদমস্তক রাজনীতিবিদ হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। সকল প্রতিকূলতা মোকাবেলা করে আজ তিনি বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের জন্য একজন অপরিহার্য্য নেতা হিসেবে আর্বিভূর্ত হয়েছেন। তিনি ঘোষণা করেছেন প্রয়োজনে তিনি সহায় সম্বল বেচে দেবেন, তারপরও সংগঠনের কোন নেতাকর্মীকে বিনা চিকিৎসায় অথবা না খেয়ে মরতে দেবেন না। অল্প সময়ের মধ্যে সংগঠনের নেতাকর্মীদের মন জয় করে তিনি যেমন দলে অনেকটা অপ্রতিদ্ব›দ্বী হয়ে উঠেছেন, তেমনি গরিব মানুষসহ সকলের সাথে সহজভাবে মিশে তিনি হয়ে উঠেছেন গণমানুষের একজন। ২০১৮ সালে প্রথমবারের মতো বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র পদে নির্বাচন করার সুযোগ পান তিনি। অনেকটা আসলেন, দেখলেন এবং জয় করলেন- এর মতো। তিনি বাজিমাত করে দিয়ে বিপুল ভোটে হলেন সিটি মেয়র। যদিও নিজেকে তিনি নগর পিতা নয় একজন সেবক হিসেবেই ভাবতে পছন্দ করেন। মেয়র সাদিক আবদুল্লাহ আজ নগরীর সর্বোচ্চ মসনদে আসীন হলেও তিনি সবসময় থাকতে চান জনতার কাতারে। ওয়াক্তের নামাজ অথবা জানাজা নামাজ পড়তে গিয়ে তিনি কখনো সামনের কাতারে দাঁড়ান না। তার মতে প্রধানমন্ত্রী দেরিতে গিয়েও সামনের কাতারে বসাকে অপছন্দ করেন। তাই তিনি এ থেকে বিরত থাকেন। মুক্তা পানি খাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী যেদিন আহবান জানিয়েছেন সেইদিন থেকে তিনি ওই পানি ব্যবহার করছেন। সাদিক আবদুল্লাহ বয়স্কদের যেমন সম্মান করেন, তেমনি ছোটদের স্নেহ করেন। মেয়রের মতে আগে নেতাকে নয় মা-বাবাকে সম্মান করো। মুরুব্বিদের সম্মান করো। কারন সম্মানিত ব্যক্তি সম্মান না পেলে সমাজ ধ্বংস হয়ে যায়। এইতো সেদিন বরিশালে এসে মেয়রর আদব কায়দা আর কর্মতৎপরতা দেখে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মুন্নুজান সুফিয়ান বরিশালবাসীকে সাদিক আবদুল্লাহ’র সাথে থাকার আহবান জানিয়ে বলেছিলেন, ওর শরীরে বঙ্গবন্ধুর রক্ত, ও বেইমানী করবে না। সিটি কর্পোরেশনের মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাদিক আবদুল্লাহ যেমন সেখানে শুদ্ধি অভিযান চালিয়েছেন, আবার তার কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য হয়েছেন মানবিকও। তিনি পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের বেতন বাড়িয়েছেন। অনিয়মিত সকল কর্মচারীর জন্য চালু করেছেন বোনাস। মাসের প্রথম সপ্তাহেই পরিশোধ করা হচ্ছে বেতন। চাকুরি শেষে অবসর যাওয়ার পর যাবতীয় সকল সুবিধা পাওয়ার স্বপ্ন কেউ কখনো দেখেননি। কিন্তু সাদিক আবদুল্লাহ দাবি করার আগেই অবসরে যাওয়া ৪৬ জন স্টাফকে একসাথে তাদের সকল পাওনা পরিশোধ করে দিয়ে বিসিসির ইতিহাসে নজির সৃষ্টি করেছেন। বয়সে নবীন এই মেয়র সকলকে সাথে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন আগামীর বরিশাল গড়ার। তাদের কিভাবে ভালো রাখা যায় তা একাকি ভাবতে তিনি স্ত্রী সন্তানদের বাইরে পাঠিয়ে দিয়েছেন। মেয়র বরিশালের জনগণকে ভাবেন তার পরিবারের সদস্য।

  • 3
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy