‘হিন্দুত্ববাদী শাসন ভারতের আদালতকে গ্রাস করেছে’ ‘হিন্দুত্ববাদী শাসন ভারতের আদালতকে গ্রাস করেছে’ – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শনিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২১, ১১:৫৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সাপাহারে মানা হচ্ছেনা লকডাউন বীরগঞ্জে রাবিস বালু দিয়ে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের নিমার্ণ কাজ।এলাকাবাসীদের মানববন্ধন ঠাকুরগাঁওয়ে হারিয়ে যাচ্ছে কঁচু শাখ, নেই কোন কঁচু শাখের কদর চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা যুবদলের তারিফ বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করেছেন ফুলবাড়ীয়ার লেবু যাচ্ছে বিদেশে, বাড়ছে লেবু চাষের আগ্রহ নীলফামারীর ডিমলায় তিস্তার চরে ভুট্টার বাম্পার ফলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানুষকে আশান্বিত করেছেন’ -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি বীরগঞ্জ পৌরসভায় পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে টিসিবি’র কার্যক্রম উদ্বোধন সাপাহারে ভ্রাম্যমান আদালতে দু’টি ইটভাটার অর্থদন্ড সাপাহারে কোভিড আক্রান্ত রোগীদের খোঁজ নিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন

‘হিন্দুত্ববাদী শাসন ভারতের আদালতকে গ্রাস করেছে’

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: সোমবার, ১১ নভেম্বর, ২০১৯
  • ২২ জন দেখেছেন

ভারতের উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ মামলার রায়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আসিফ নজরুল। একই সঙ্গে হিন্দুত্ববাদী শাসনামলের চেতনা ভারতের আদালতকে গ্রাস করেছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। 

গত ৯ নভেম্বর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব সমালোচনা করেন। 

আসিফ নজরুল বলেন, ‘ভারতের দুই একটা প্রতিষ্ঠান ছিল গর্ব করার মতো। এরমধ্যে অন্যতম সুপ্রিমকোর্ট। কিন্তু হিন্দুত্ববাদী শাসনামলের চেতনা যে এ আদালতকেও গ্রাস করেছে তার প্রমাণ হচ্ছে বাবরি মসজিদ সংক্রান্ত রায়।’

তবে এ রায়ে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর যেন কোনো প্রভাব না পরে সেদিকে সচেতন থাকতে সকলকে পরামর্শও দেন ঢাবির এই অধ্যাপক। তিনি বলেন, এ রায় আমাদের যত কষ্ট দিক না কেন, মনে রাখতে হবে যে এর সঙ্গে বাংলাদেশের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর কোনো রকম সম্পর্ক নেই। ফলে রায়ের কারণে কেউ যেন তাদের কোনো ক্ষতি করতে না পারে, সে ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে আমাদের প্রত্যেককে। কেউ অধম হলে আমরা উত্তম হব না কেন?’

কয়েক দশকের আইনি লড়াইয়ের পর গত শনিবার উত্তর প্রদেশের অযোধ্যায় বাবরি মসজিদ মামলার রায় দেয় ভারতের সুপ্রিমকোর্ট। এতে প্রায় পাঁচশ বছর আগে নির্মিত মসজিদটির জমি মন্দির নির্মাণে হিন্দুদের দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর মসজিদটি ভেঙে মাটিতে মিশিয়ে দেয় দেশটির হিন্দুত্ববাদীরা। আর মসজিদ নির্মাণে মুসলমানদের শহরের অন্যত্র পাঁচ একরের একখণ্ড জমি দিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে ভারত সরকারকে।

ভারতের প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈর নেতৃত্বাধীন পাঁচ সদস্যের সাংবিধানিক বেঞ্চ এ রায় দেন। 

  • 2
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy