1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ১১ এপ্রিল ২০২১, ০৬:৫০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বীরগঞ্জে অতিদরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির উদ্বোধন কৃষিতে বাংলাদেশ স্বাবলম্বী -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি দিনাজপুর মেডিকেলে চান্স প্রাপ্ত সাবিহা’র পরিবারের সাথে কুশল বিনিময় করেন জেলা যুবলীগের সভাপতি রাশেদ পারভেজ কিশোরগঞ্জে চাঁড়াল কাটা নদী এখন ধু-ধু বালুচর কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল অফিস উদ্বোধন কুড়িগ্রামে আইনজীবীর সাথে দুই মাদক ব্যবসায়ী হিরোইন সহ আটক দিনাজপুরে জাগ্রত দিনাজপুর নামে স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের আত্মপ্রকাশ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম মানুষ যদি সচেতন না হয় চিকিৎসক দিয়ে করোনা নির্মুল করা সম্ভব নয় ————————-হুইপ ইকবালুর রহিম এমপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের ইতিহাস ঐতিহ্য রক্ষায় পুরোনো মন্দিরগুলোকে সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি করোনা ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ গ্রহণ করেছে জাতীয় সংসদের হুইপ ইকবালুর রহিম

পীরগাছার কুচিয়া বিদেশে রপ্তানি হচ্ছে

প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৯
  • ১৭৩ জন দেখেছেন


মোঃ একরামুল ইসলাম, পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি:

বিদেশে প্রচুর চাহিদার কারণে রংপুরের পীরগাছা উপজেলার আদিবাসীদের সংগ্রহ করা কুচিয়ার কদর বেড়েছে। আদিবাসীদের সংগ্রহ করা কুচিয়া এখন চীন, হংকং, তাইওয়ান ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতানি হচ্ছে। আর এ কুচিয়া ধরে স্থানীয় আড়তে বিক্রি করে উপজেলার ইটাকুমারী ইউনিয়নের আদিবাসী পল্লীর প্রায় শতাধিক পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছে।
আদিবাসীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বংশপরম্পরায, খাল, বিল, নদী ও ডোবাসহ বিভিন্ন জলাশয় থেকে কুচিয়া মাছ সংগ্রহ করে তারা। এই কুচিয়া বিক্রি করেই তাদের সংসার চলে। তবে আগে বাজারে কুচিয়ার তেমন চাহিদা ছিল না। দামও ছিল কম। কিন্তু বিদেশে রফতানি শুরু হওয়ার পর থেকে কুচিয়ার কদর বেড়েছে। বেড়েছে দামও। কুচিয়া মাছ কেনার জন্য পীরগাছার কল্যাণী ইউনিয়নের তালুক কল্যাণী গ্রামে গড়ে উঠেছে আড়ৎ। আড়ৎ থেকে প্রতি সপ্তাহে প্রচুর পরিমাণে কুচিয়া মাছ বিদেশে রফতানির জন্য ঢাকায় পাঠানো হচ্ছে।
কুচিয়া মাছ মূলত অ লভেদে কুচে, কুইচ্চা নামে পরিচিত। রাক্ষুসে স্বভাবের এ মাছের প্রধান খাদ্য বিভিন্ন প্রজাতির ছোট মাছ, জলজ পোকা ও প্রাণী। এরা মূলত অদ্ভুতভাবে মুখ দিয়ে বাচ্চা জন্ম দেয়। একটি মা মাছ একসঙ্গে সহ¯্রাধিক বাচ্চা জন্ম দিতে পারে। বছরের নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত কুচিয়া মাছ ধরার মৌসুম। তবে এপ্রিল মাসে বেশি পরিমাণে কুচিয়া মাছ পাওয়া যায়। বিশেষ করে কুচিয়া মাছ মানুষ বিভিন্ন রোগের প্রতিকারের জন্যও খেয়ে থাকেন। প্রতিদিন একজন জেলে গড়ে ৪ থেকে ৭ কেজি পর্যন্ত কুচিয়া মাছ ধরতে পারেন।
আদিবাসী পল্লীর জেলে নিমাই বলেন, ‘পুকুর অথবা জলাশয়ের ধারে ছোট ছোট গর্ত চিহ্নিত করে কুচিয়া মাছ ধরি। এসব কুচিয়া স্থানীয়ভাবে গড়ে ওঠা আড়তে বিক্রি করি।’
সরেনপ্রিয় নামে আরেক জেলে জানান, প্রতিদিন সকালে দল বেধে কুচিয়া ধরতে বের হন তারা। সাধারণত প্রতি দলে সদস্য থাকেন ২ থেকে ৩ জন। প্রতিটি দল সারাদিনে গড়ে ৪ থেকে ৭ কেজি কুচিয়া সংগ্রহ করতে পারেন। দিন শেষে কুচিয়াগুলো আড়তে বিক্রি করে ৬শ থেকে এক হাজার টাকায় বিক্রি করেন। এভাবে কুচিয়া মাছ বিক্রি করে শতাধিক আদিবাসী পরিবারের স্বচ্ছলতা ফিরে আসছে।
আড়তদার আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘আমরা সরাসরি কুচিয়া বিদেশে পাঠাতে পারি না। আমরা স্থানীয়ভাবে সংগ্রহ করে ঢাকায় পাঠাই। সেখান থেকে ঢাকার আড়তদাররা চীন, হংকং, ভারত ও আমেরিকাসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রফতারি করেন।’

  • 15
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy