আগৈলঝাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত আগৈলঝাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
রবিবার, ০১ অগাস্ট ২০২১, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উলিপুরে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত মুনসুর আলী গ্রেপ্তার গার্মেন্টস খোলার খবরে যাত্রীদের ঢল বীরগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত -১, ইউপি সদস্য সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা মাছ ধরার উৎসবে মেতেছে বীরগঞ্জের শিক্ষার্থীরা কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করলেন মনোরঞ্জন শীল গোপাল গৌরীপুরের মুখুরিয়ার প্রাচীন মসজিদের ঈমাম স্বেচ্ছায় অবসর নিলেন ৬০ বছরের ঈমামতি জীবন ছেড়ে ফিরছেন নিজ বাড়ি মাছ ধরার উৎসবে মেতেছে ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা বীরগঞ্জে গাছ লাগানোকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় একজন নিহত যে কোন সংকটে অসহায়দের পরমবন্ধু শেখ হাসিনা -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি কাহারোলে পাটের বাম্পর ফলন, দাম পেয়ে কৃষকেরা খুশি কুড়িগ্রামে একই পরিবারের ৭ জনসহ ৯ রোহিঙ্গা আটক বীরগঞ্জে ওএমএস কেন্দ্রে ক্রেতাদের উপচেপড়া ভিড় বীরগঞ্জ উপজেলার এসিল্যান্ডের বিদায় ও বরণ অনুষ্ঠান বাংলাদেশে একজনও করোনা ভ্যাকসিন ছাড়া থাকবে না -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি ঘোড়াঘাটে সেনাবাহিনীর খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

আগৈলঝাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৬৩ জন দেখেছেন

শফিকুল ইসলাম(এম এ)বরিশাল প্রতিনিধি:-

বরিশালের আগৈলঝাড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় জেল হত্যা দিবস পালিত হয়েছে। এ উপলক্ষে রোববার সকালে উপজেলা আওয়ামীলীগের উদ্দ্যেগে সকালে দলীয় কার্যালয়ের সামনে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন নেতৃবৃন্দ। পরে শোক র‌্যালী উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। পরে উপজেলা আওয়ামীলীগ সভাপতি সুনীল কুমার বাড়ৈর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান বক্তা ছিলেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক আবু সালেহ মোঃ লিটন সেরনিয়াবাত। সভায় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মলিনা রানী রায়, রফিকুল ইসলাম তালুকদার, জেলা পরিষদ সদস্য পেয়ারা ফারুক বখতিয়ার, উপজেলা আওয়ামীলীগ সাংগঠনিক সম্পাদক বিপুল দাস, ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা সরদার, মোঃ শফিকুল ইসলাম টিটু, মুক্তিযোদ্ধা মোঃ লিয়াকত আলী হাওলাদার, তথ্য ও গবেষনা সম্পাদক তপন বসু, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি সাইদুল সরদার, সাধারন সম্পাদক অনিমেষ মন্ডল, ছাত্রলীগ সভাপতি মিন্টু সেরনিয়াবাত, সাধারন সম্পাদক জাকির পাইক প্রমুখ। বক্তারা বলেন, বিভিন্ন দেশে জেলহত্যা মামলার পলাতক আসামীদের দেশে এনে দ্রুত রায় কার্যকর করার দাবী জানান।
আজ ৩ নভেম্বর, শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর দ্বিতীয় কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয় এই দিনে। ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর মধ্যরাতে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের নির্জন প্রকোষ্ঠে জাতীয় চার নেতা বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ, মন্ত্রিসভার সদস্য ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী এবং এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে নির্মম ও নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়। মুক্তিযুদ্ধের শত্রুরা সেদিন দেশমাতৃকার সেরা সন্তান এই জাতীয় চার নেতাকে শুধু গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত হয়নি, কাপুরুষের মতো গুলিবিদ্ধ দেহকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে তবিত করে একাত্তরের পরাজয়ের জ্বালা মিটিয়েছিল। ইতিহাসের এই নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় শুধু বাংলাদেশের মানুষই নয়, স্তম্ভিত হয়েছিল সমগ্র বিশ্ব। কারাগারে নিরাপদ আশ্রয়ে থাকা অবস্থায় বর্বরোচিত এ ধরনের হত্যাকান্ড পৃথিবীর ইতিহাসে বিরল। জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন।
জেল হত্যার পরদিন তৎকালীন উপকারা মহাপরিদর্শক (ডিআইজি প্রিজন) কাজী আবদুল আউয়াল লালবাগ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। তবে দীর্ঘ ২১ বছর এই বিচারের প্রক্রিয়াকে ধামাচাপা দিয়ে রাখা হয়। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মামলাটি পুনরুজ্জীবিত করার প্রক্রিয়া শুরু করে। মামলায় ১৯৯৮ সালের ১৫ অক্টোবর ২৩ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। ২০০৪ সালের ২০ অক্টোবর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. মতিউর রহমান মামলার রায় দেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড ছিল একই ষড়যন্ত্রের ধারাবাহিকতা। বঙ্গবন্ধুকে হতার পর খন্দকার মোশতাক আহমেদের নেতৃত্বে ষড়যন্ত্রকারীরা জাতীয় চার নেতাকে তাদের সরকারে যোগদানের প্রস্তাব দেয়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর জাতীয় এই চার নেতা সেই প্রস্তাব ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। এ কারণে তাদের নির্মমভাবে জীবন দিতে হয়। আসলে হত্যাকারীরা ও তাদের দোসররা চেয়েছিল পাকিস্তান ভাঙার প্রতিশোধ নিতে, রক্ষক্তয়ী মুক্তিযুদ্ধ ও সীমাহীন ত্যাগের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জনকারী দেশটিকে হত্যা ও ষড়যন্ত্রের আবর্তে নিক্ষেপ করতে। তাদের উদ্দেশ্য ছিল পুনর্গঠন ও গণতান্ত্রিকতার পথ থেকে সদ্য স্বাধীন দেশটিকে বিচ্যুত করা এবং বাংলাদেশের মধ্যে থেকে একটি মিনি পাকিস্তান সৃষ্টি করা।
বাঙালির ইতিহাসে বহু গৌরবোজ্জ্বল অধ্যায় রয়েছে। তেমনি এক অধ্যায় ১৯৭১। সেটি বাঙালির হাজার বছরের ইতিহাসে অনন্য অধ্যায়। ওই বছরে বাঙালি অর্জন করেছে তার শ্রেষ্ঠ সম্পদ স্বাধীনতা। আবার কিছু কিছু দিন আছে, যেগুলো স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে কালো দিন হিসেবে পরিগণিত। ১৯৭৫ এর ১৫ই আগস্ট ও ৩রা নভেম্বর তেমনি নৃশংসতম দিন। ১৫ই আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যা করা হয় সপরিবারে। ৩রা নভেম্বর নির্মমভাবে হত্যা করা হয় জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দিন আহমেদ, ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী ও এ এইচ এম কামারুজ্জামানকে।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুরা এ দেশের স্বাধীনতাকে মেনে নিতে পারেনি। পরাজয়ের প্রতিশোধ নিতে স্বাধীনতা বিরোধী দেশি-বিদেশি চক্র জাতির পিতাকে হত্যা করে। এরপর খুনি মোশতাকের নেতৃত্বে স্বাধীনতা বিরোধী ওই চক্র এ দেশকে পাকিস্তান বানানোর ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠে। বাংলাদেশ যাতে এগিয়ে যেতে না পারে, স্বাধীনতা যাতে ব্যর্থ হয়, স্বাধীন বাংলাদেশ যাতে ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হয় সেই চক্রান্ত করে স্বাধীনতা বিরোধী চক্র। এদেশে যেন কোনদিন স্বাধীনতার সপরে শক্তি মাথা তুলে দাঁড়াতে না পারে সেই ষড়যন্ত্র থেকেই নিরাপদ স্থান জেলখানার অভ্যন্তরে এই হত্যাকান্ড তারা সংঘঠিত করে। মুক্তিযুদ্ধকালে মুজিবনগর সরকারের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে থেকে জাতীয় চার নেতা ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করেছিলেন। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অনুপস্থিতিতে অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি ছিলেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম। ওই সরকারের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তাজউদ্দিন আহমেদ, অর্থমন্ত্রী ক্যাপ্টেন এম মনসুর আলী, খাদ্য ও ত্রাণ মন্ত্রী এ এইচ এম কামারুজ্জামান। শুধু মুক্তিযুদ্ধ নয়, সকল আন্দোলন-সংগ্রামে এই চার নেতা বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহযোদ্ধা হিসেবে বঙ্গবন্ধুর পাশে থেকেছেন। বিভিন্ন সময় বঙ্গবন্ধুকে যখন কারাগারে বন্দি রাখা হয়েছে তখন আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দিয়ে এই চার নেতা আন্দোলন-সংগ্রামকে এগিয়ে নিয়েছেন। ঘাতক চক্রের ল্য ছিলো বাঙালিকে নেতৃত্ব শূন্য করে বাংলাদেশকে পুনরায় পাকিস্তানের পদানত করে মুক্তিযুদ্ধের পরাজয়ের প্রতিশোধ নেয়া। এ কারণে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে বঙ্গবন্ধুকে পাকিস্তানে আটক করে র

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy