সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লোপাট সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লোপাট – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
মঙ্গলবার, ০৩ অগাস্ট ২০২১, ১২:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে কলেজ ছাত্রের মৃত্যু শোকাবহ আগষ্টের প্রথম প্রহরে জেলা ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন অবৈধ ভাবে ভারত থেকে ফেরার পথে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ৭ বাংলাদশী আটক বীরগঞ্জে সামান্য বৃষ্টিতে ব্রীজ ভেঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ ,দুর্ভোগে এলাকার ৫০ হাজার মানুষ বীরগঞ্জে নব- গঠিত ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্বলন বীরগঞ্জে জাতীয় শোক দিবস উদযাপন উপলক্ষে প্রস্ততিমুলক সভা অনুষ্ঠিত শোকাবহ আগস্টের প্রথম সন্ধায় বীরগঞ্জ ছাত্রলীগের শ্রদ্ধা শোকাবহ আগষ্টের প্রথম প্রহরে কুড়িগ্রাম জেলা ছাত্রলীগের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন চীনের বেল্ট অ্যান্ড রোড এবং আফগানিস্তান ৫৮ বছরে পা রাখল গৌরীপুর সরকারি কলেজ বীরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি গঠনঃ সভাপতি অন্তু ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মুর্শিদ ধর্ম নিরপেক্ষতাই বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগের পরিচয় -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি উলিপুরে যৌন নিপীড়নের চেষ্টার মামলায় অভিযুক্ত মুনসুর আলী গ্রেপ্তার গার্মেন্টস খোলার খবরে যাত্রীদের ঢল বীরগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় নিহত -১, ইউপি সদস্য সহ ৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লোপাট

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ২২ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৬৭ জন দেখেছেন

মামুন সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যন্ত্রপাতি ক্রয়ের নামে ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকা লোপাটের মামলায় স্টোর কিপার এ.কে.এম ফজলুল হককে জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত।

মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সিনিয়র স্পেশাল জজ (জেলা ও দায়রা জজ) আদালতে আত্মসমর্পন করলে আদালতের বিচারক শেখ মফিজুর রহমানের জামিন না মঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দীর্ঘ দিন তিনি ওই মামলায় পলাতক ছিলেন। জানা যায়, সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালসহ জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ১৬ কোটি ৬১ লাখ টাকার মালামাল ক্রয়ে দুর্নীতির ঘটনায় বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। এরপর এই ঘটনার দীর্ঘ তদন্ত শেষে দুদক প্রধান কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক জালালউদ্দিন বাদী হয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) খুলনা জেলা সমন্বিত কার্যালয়ের পক্ষে তৎকালীন সিভিল সার্জন ডাঃ তৌহিদুর রহমান, স্টোর কিপার একেএম ফজলুল হক ও হিসাবরক্ষক আনোয়ার হোসেনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেন।

মামলার অপর আসামীরা হলেন, রাজধানীর ২৫/১ তোপখানা রোডের বেঙ্গল সায়েন্টেফিক অ্যান্ড সার্জিক্যাল কোম্পানির কর্ণধার ঠিকাদার মোঃ জাহের উদ্দিন সরকার, তার ছেলে মোঃ আহসান হাবিব, জাহের উদ্দিনের বাবা মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের কর্ণধার হাজী আবদুস সাত্তার সরকার এবং তার ভগ্নিপতি ইউনিভার্সেল ট্রেড কর্পোরেশনের কর্ণধার মোঃ আসাদুর রহমান, জাহের উদ্দিন সরকারের নিয়োগকৃত প্রতিনিধি কাজী আবু বকর সিদ্দিক ও মহাখালী নিমিউ অ্যান্ড টিসির সহকারী প্রকৌশলী এএইচএম আব্দুল কুদ্দুস।

ওই মামলার আসামি ডাঃ তৌহিদুর রহমান, আনোয়ার হোসেন, জাহের উদ্দিন সরকার, হাজী আবদুস সাত্তার, আসাদুর রহমান ও আব্দুল কুদ্দুসসহ ৬ জন নিম্ন আদালত থেকে জেলে যাওয়ার পর বর্তমানে উচ্চ আদালতের জামিনে রয়েছেন। বাকী দুই জন আহসান হাবিব ও কাজী আবু বকর সিদ্দিক পলাতক রয়েছেন।

দূর্নীতি দমন কমিশনের পিপি এ্যডঃ আসাদুজ্জামান দিলু বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এই মামালার আসামী স্টোর কিপার এ.কে.এম ফজলুল হকের বিরুদ্ধে দেশ ত্যাগের নিষেধাজ্ঞা থাকার পর মঙ্গলবার সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালতে জামিন নিতে গেলে আদালত তাকে জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy