টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ বৃক্ষ শিশু রিপনের টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ বৃক্ষ শিশু রিপনের – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
শুক্রবার, ১৮ জুন ২০২১, ১২:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
কুড়িগ্রামে শিশুশ্রম সবচেয়ে বেশি কাহারোল উপজেলার রসুলপুর ইউনিয়ন পরিষদের আয়োজনে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত দিনাজপুর বীরগঞ্জে ৯ নং সাতোর ইউনিয়নের দলুয়া উচ্চ বিদ্যালয় ও মহাবিদ্যালয় আয়োজনে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপির রোগমুক্তি কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জে আর্দশ কৃষকদের মাঝে প্রশিক্ষণের শুভ উদ্বোধন সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত এক নারীর কাহারোলে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বীরগঞ্জ উপজেলা রিক্সা ও ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের আয়োজনে মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি’র রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ‘জাম্ক ফুড, পথ ও খোলা খাবার না খেলে অনেক রোগ থেকে মুক্তি মিলে’ বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কুড়িগ্রামে ৩টি ওয়ার্ডে চলাচলে বিধি নিষেধ আরোপ বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের আয়োজনে এমপি গোপাল এর রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

টাকার অভাবে চিকিৎসা বন্ধ বৃক্ষ শিশু রিপনের

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: রবিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৫৮ জন দেখেছেন

পীরগঞ্জ (ঠাকুরগাঁও) প্রতিনিধি :

“ মা আব্বা আর দুই বোন ছাড়া আমাকে কেউ পছন্দ করে না। স্কুলে কেউ আমার কাছে আসতে চায় না চামুচ দিয়ে ভাত খাই। অন্য বন্ধুদের মত খেলতে পারিনা। কোন কাজ করতে পারি না।” এক বুক হাহাকার নিয়ে খুব নিচু স্বরে কথাগুলো বলছিল ৯ বছর বয়সি শিশু রিপন।

জন্মের ৬ মাসের মাথায় অজ্ঞাত এক জটিল রোগে আক্রান্ত হয় সে। গুটি গুটি হাতপায়ের তালু শুকনো ঘাঁয়ে ভরে গেছে তার হাত ও পায়ের তালু। এ অজ্ঞাত রোগে বন্দি পড়েছে তার শৈশব। সে ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের কেটগাঁও গ্রামের জুতা সেলাইয়ের কাজে নিয়োজিত দরিদ্র মহেন্দ্রনাথ রায়ের একমাত্র ছেলে রিপন। উপজেলা কেটগাঁও সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে চতুর্থ শ্রেণী পর্যন্ত পড়ালেখা করার সুযোগ হয় তার।

তিন ভাই-বোনের মধ্যে সবার ছোট রিপন।
শিশু রিপনের বাবা মহেন্দ্রনাথ রায় জানান, রিপন স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করতে পারে না কিংবা হাত দিয়ে খাওয়া-দাওয়াও করতে পারে না, এ অবস্থা দেখে তার সাথে কেউ খেলতেও চায় না। তার মা গোলাপী রাণী জানান, ডাক্তার দেখিয়েছি, কিন্তু কোন লাভ হয়নি।

চিকিৎসকরা ঢাকা নিয়ে যেতে বলেছিল, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, জেলা প্রশাসক ও স্থানীয়দের আর্থিক সহযোগীতায় তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে কয়েকবার অপারেশন করা হয়। ফলে কিছুটা সুস্থ হয় রিপন। বর্তমানে রিপন তার বাড়িতে ১ বছর ধরে অবস্থান করছেন। কিন্তু কোন প্রকার ঔষধ-পত্র কেনার টাকা নেই আমাদের কাছে। কোন সরকারি সহযোগীতা বা স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সহযোগীতা না পাওয়ায় থমকে গেছে তার চিকিৎসা, বিপাকে পড়েছি আমরা। ফলে দিন দিন তার রোগটি বেড়েই চলছে বলে রিপনের মা জানান।

এ ব্যাপারে ইউপি চেয়ারম্যান কার্তিক চন্দ্র রায় জানান, এ রোগের চিকিৎসা করা ব্যয়বহুল, সরকার ও সাধারণ মানুষ এগিয়ে আসলে চিকিৎসা করা সম্ভব হবে যেহেতু তার বাবা মা খুবই গরিব।

  • 7
    Shares
এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy