বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কৃষি সেক্টেরের ভূমিকা অন্যান্য দিনাজপুরে গমের ব্লাস্ট রোগের উপর আর্ন্তজাতিক গবেষনা পর্য্যালোচনা কর্মশালায়-ড. কমলারঞ্জন দাস বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কৃষি সেক্টেরের ভূমিকা অন্যান্য দিনাজপুরে গমের ব্লাস্ট রোগের উপর আর্ন্তজাতিক গবেষনা পর্য্যালোচনা কর্মশালায়-ড. কমলারঞ্জন দাস – সবুজ বাংলা নিউজ
  1. [email protected] : সবুজ বাংলা নিউজ : সবুজ বাংলা নিউজ
  2. [email protected] : বার্তা বিভাগ : বার্তা বিভাগ
বৃহস্পতিবার, ০৫ অগাস্ট ২০২১, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শেখ কামাল তাঁর কর্মময় জীবন বাংলাদেশের তরুণদের জন্য উৎসর্গ করে গিয়েছেন -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি শেখ কামাল তারুন্যের প্রেরণা ও দৃষ্টান্ত -মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি কুড়িগ্রামে পাউবো প্রকৌশলীর বদলির দাবিতে তিস্তার ভাঙ্গনে নিঃস্ব গ্রামবাসীর মানববন্ধন রংপুর বিভাগের তিন জেলায় করোনা বিষয়ে সচেতনতামূলক সাংবাদিকদের অনলাইনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হাতিবান্ধায় বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী পালন মাদ্রাজি ওল চাষে স্বপ্ন দেখছে বীরগঞ্জের কৃষক প্রেম হরি বিরামপুরে অসহায় দুস্থ পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ বিতরণ পোড়ামাটি স্থাপত্যের শ্রেষ্ঠ নিদর্শন কান্তজিউ মন্দির বীরগঞ্জে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন মামলায় গ্রেফতার -১ কাহারোলে বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কাহারোল উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন বীরগঞ্জ উপজেলা করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ কমিটির সভা নিখোঁজের ৩ বছর পর ভারতীয় এক যুবককে উদ্ধার করলো সিআইডি নিখোঁজের ৩ বছর পর ভারতীয় এক যুবককে উদ্ধার করলো সিআইডি বাংলাদেশ প্রেস ক্লাব কাহারোল উপজেলা শাখার আহবায়ক কমিটি গঠন গৌরীপুরে ‘গরীবের ডাক্তার’ সুনীল আচার্য্যের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

বাংলাদেশের আর্থ সামাজিক উন্নয়নে কৃষি সেক্টেরের ভূমিকা অন্যান্য দিনাজপুরে গমের ব্লাস্ট রোগের উপর আর্ন্তজাতিক গবেষনা পর্য্যালোচনা কর্মশালায়-ড. কমলারঞ্জন দাস

বার্তা ডেক্স
  • প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ৭১ জন দেখেছেন

দয়ারাম রায়, ষ্টাফরিপোটারঃ কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব গবেষনা প্রখ্যাত কৃষিবিদ ড. কমলারঞ্জন দাস বলেছেন,বাংলাদেশের আর্য সামাজিক উন্নয়নে সমন্বিত কৃষির ভূমিকা অনন্য। কৃষিবিদ, কৃষিবিজ্ঞানী, কৃষক-কৃষানী এবং বর্তমান কৃষি ও কৃষক বান্ধব সরকার এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে এবং অবদান রাখছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সোনার বাংলা গড়ে তুলতে হলে সবাইকে ঐক্য বদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

“দানাদার শস্য গম ও ভূট্রা” ক্ষুধা ও দরিদ্র মুক্ত বাংলাদেশ বির্নিমানে এ ক্ষেত্রে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছে। বর্তমান সরকার কৃষিতে ব্যাপক সাবসিডি, প্রণোদনা গবেষনা ও সম্প্রসারণ সহায়তা প্রদান করছে।

কৃষি সচিব বলেন, বাংলাদেশের কয়েকটি জেলার বিভিন্ন অ লে যখন দানাদার শস্য গমের ক্ষেত্রে “ব্লাস্ট রোগের” আক্রমন ও প্রাদুর্ভাব দেখা দেয়। তখন আমরা চিন্তিত শংকিত এবং কিছুটা হলেও হতাশ হয়ে ছিলাম। বঙ্গবন্ধুর সু-কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় এবং বাংলাদেশ গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউটের আন্তজার্তিক খ্যাত সম্পন্ন বরেণ্য কৃষি বিজ্ঞানীদের নিবিড় পর্যবেক্ষন, তত্ববধানে পরিচর্যায় এবং দিক নির্দেশনায় ও যথাযথ সু-পরামর্শে বাংলাদেশের কৃষককুল গমের ব্লাস্ট রোগ হতে রক্ষা পেয়েছিল।

এবং পরবর্তীতে গমের ব্লাস্ট রোগ অনেকাংশে কমে এসেছে। গবেষনার সাফল্যের অংশ হিসাব ইতিমধ্যে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী জাত হিসেবে বারিগম -৩৩ অবমুক্ত করেছে গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউট। অপর একটি ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী একটি অগ্রবর্তী লাইন বিএডাব্লিও (ইঅড) ১২৫৪ জাত হিসেবে অবমুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। চলমান গবেষনা থেকে ব্লাস্ট প্রতিরোধী একটি আরো অধিক জাত উদ্ভাবিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন ও ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে কৃষি সচিব গম ও ভূট্রা গবেষণা ইনষ্টিটিউটের সকল বিজ্ঞানীকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের পক্ষ হতে ধন্যবাদ ও অভিনন্দন জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন, আপনারা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় গম ও ভূট্রা চাষ সম্প্রসারণে ও গবেষনায় অনন্য অবদান রাখুন “দেশ-জাতি-মাটি ও মানুষ তবেই গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীদের কৃতজ্ঞতার সাথে স্মরণে রাখবে”।

এ যাবৎ কৃষি ক্ষেত্রে গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীগন প্রশংসনীয় কার্য্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। এই ইনস্টিটিউটের বতর্মান মহাপরিচালক সুনামধন্য কৃষি প্রকৌশল বিজ্ঞানী ড. এছরাইল হোসেন সবাইকে নিয়ে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন। কৃষি সচিব (অতিঃ) ড. কমলারঞ্জন দাস গম ও ভূট্রা চাষ সম্প্রসারণে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর, বিএডিসি, বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সী, বীজ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান এবং কৃষি ভিত্তিক এনজিওর সার্বিক সহযোগীতা কামনা করেন এবং বিশেষ দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। “বাংলাদেশ গম ও ভূট্রা গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. এছরাইল হোসেনের সভাপতিত্বে, গমের ব্লাস্ট রোগের বর্তমান অবস্থা বিগত বছর সমূহের গবেষনার ফলাফল মূল্যায়ন ও ভবিষ্যৎ করনীয়” বিষয়ে ২ দিন ব্যাপী আন্তজার্তিক পর্যালোচনা কর্মশালায় শুভ উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে গতকাল দিনাজপুর ব্রাকের একাডেমী ভবনের লার্নিং সেন্টারে আন্তজার্তিক পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত কৃষি সচিব ড. কমলারঞ্জন দাস উপরোক্ত বক্তব্য পেশ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন অষ্ট্রেলিয়ার কৃষি ভিত্তিক দাতা সংস্থা ‘ এসি আই এআর এর প্রোগ্রাম ম্যানাজার আন্তজার্তিক খ্যাত সম্পন্ন কৃষি বিজ্ঞানী ড. এরিক হাটনার, মেস্কিকো দাঁতা সংস্থা সিমিট বাংলাদেশের কান্ট্রিলিয়াজো অফিসার ড. ঠাকুর প্রসাদ তিওয়ারা, সিমিট ভারতের প্রতিনিধি ড. অরুন কুমার যোশী, ইডগজও এর সাবেক মহাপরিচালক ড. নরেশ চন্দ্র দেববর্মা,

সিমিট মেক্সিকোর প্রতিনিধি পি কে সিং। গবেষনা মূলক পেপার উপস্থাপন করেন ডিএইর মেহেরপুর ডিডি ড. আকতারুজ্জামান, বিএডিসির যুগ্ন পরিচালক (নশিপুর) মোঃ শহিদুল ইসলাম, উড়পঃড়ৎ ঢ. ঐব ঈরসসু গবীরপড়, উড়পঃড়ৎ চ.ক ঝরহময গবীরপড়। গম ও ভূট্রা গবেষনা কেন্দ্রের কনসালট্যান্ট ড. পরিতোষ কুমার মালাকার, মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আব্দুল আউয়াল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রেজাউল কবীর, ড. এফ মার্জা, ওঘওঅঋ, ইড়ষরারড়, বিডব্লিউ এম আর আই এস, এস ও ড. আব্দুল হাকিম অষ্ট্রেলিয়ান এসিআই এ আর প্রতিনিধি ড. প্রতিভা সিং, গং. ঞধসধুধ ঢ়বৎব ংংরহর, বিডব্লিউ এম আর আই এর বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কে. কে রায়, দিনাজপুর ডিএইর উপ-পরিচালক মোঃ তৌহিদুল ইকবাল সহ রংপুর অ লের উপ-পরিচালক ও অতিরিক্ত পরিচালক গন পেপার উপস্থাপন করেন।

ড. এরিক হাটনার প্রকল্পের কার্য্যক্রমের সার্বিক অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং নরস্ক্রিনিং প্লাটফর্ম এর কার্য্যক্রম চলমান রাখার পরামর্শ প্রদান করেন এবং প্রকল্প এর সার্বিক কার্য্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করেন। গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রখ্যাত কৃষিবিদ ড. এম. এছরাইল হোসেন সভাপতির বক্তব্যে বলেন ২০১৬ ইং সনে বাংলাদেশে সর্বপ্রথম গমের ব্লাস্ট রোগ দেখার পর হতে গমের ব্লাস্ট রোগ নিয়ন্ত্রনে গৃহীত পদক্ষেপ এর অংশ হিসেবে ২০১৭ সালে সিমিট ও এসি আই এআর অর্থায়নে ওফবহঃরভরপধঃরড়হ ড়ভ ংড়ঁৎপব ড়ভ ৎবংরং ঃধহপব ঃড় যিবধঃ নষধংঃ ধহফ ঃযবরৎ ফবঢ়ষড়ুসবহঃ রহ যিবধঃ াধৎরবভরবং ধফধঢ়ঃবফ ঃড় ইধহমষধফবংয শীর্ষক প্রকল্প গৃহীত হয়। প্রকল্পের আওতায় আর. এ. আর. এস যশোরে একটি আন্তজার্তিক মানের স্ক্রিনিং প্লাট ফর্ম স্থাপন করা হয়। এ প্লাটফর্মে প্রতিবছর বিভিন্ন দেশ থেকে সংগ্রহীত ৪-৫ হাজার জার্ম প্লাজম মূল্যায়ন কার্য্যক্রম চলমান রয়েছে। গমের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন জাত উদ্ভাবনে গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউট ইতিমধ্যে ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী বারিগম-৩৩ অবমুক্ত করেছে। অপর ১টি ব্লাস্ট প্রতিরোধী অগ্রবর্তি লাইন ইঅড ১২৫৪ জাত হিসেবে অবমুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা বির্নিমানে নিরলস ভাবে কাজ করে চলেছেন।

কৃষি সেক্টরে এই জন্য দিনরাত শ্রম দিচ্ছে, গবেষনা করছে, সোনার ফসল কৃষকদেরকে নিয়ে ফলাচ্ছেন। গম ও ভূট্রা গবেষনা ইনস্টিটিউট গবেষনা সম্প্রসারণে ও ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশে নজির স্থাপন করেছে। দাঁতা সংস্থা সিমিট, এসি আই এআর এর আমরা ব্যাপক সহায়তা কামনা করছি। সকলের সার্বিক সহযোগীতায় বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ার অ লে ব্লাস্ট রোগ মোকাবেলা করা সম্ভব হবে। আন্তজার্তিক সহযোগীতার জন্য তিনি সিমিট ও এসি আই এআরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।

এ বিভাগের আরও সংবাদ:
© All rights reserved © 2019 Sabuj Bangla News
Web Designed By : Prodip Roy