বাংলাদেশের চিকিৎসক যখন করোনা ভাইরাস যোদ্ধা, অজস্র কান্নার আর্তনাদ   

0
2

 

মোঃ নাজমুল হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার  : বাংলাদেশে চিকিৎসক অন্যের সেবা নিয়ে আতংকিত। 

তারপরে করোনা ভাইরাস এর নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হলেন। গত ৯ মে শনিবার সকালে সেই চিকিৎসক নিজেও নমুনা দেন, তারপরের দিন রোববার রাতে জানতে পারি।চিকিৎসক বললেন, যায় যাক প্রাণ, তবুও করি নাই পলায়ন।

হয়েছি ক্ষত, তাতে কি; যুদ্ধতো থামেনি।বরং ক্ষত কমবে যত, যুদ্ধের গতি বাড়াবো তত।একজন করোনা আক্রান্ত ডাক্টারের এর কথা।

উনারা আমার সরাসরি শিক্ষক…তাদের দেয়া শিক্ষাকেই আমি মনে প্রাণে ধারণ করি। আমি গর্বিত এই জন্যে যে,আমি চিকিৎসক, আমি গর্বিত কারন আমি করোনার সম্মুখযোদ্ধা।

যায় যাক প্রাণ, তবুও করি নাই পলায়ন।হয়েছি ক্ষত, তাতে কি ; যুদ্ধতো থামেনি।বরং ক্ষত কমবে যত, যুদ্ধের গতি বাড়াবো তত।

আর হ্যাঁ, আমি ডাক্তার যে নিজের খারাপ সময়টাতেও আপনাদেরকে নিয়ে ভাবি, অথচ আপনারা যারা আমাদের পরিবারগুলোকে অমানবিকতার বেড়াজালে ঘিরে রেখেছেন।

কেন ভাই, আপনারা কি কোন গায়েরী খবর পেয়েছেন যে আপনাদের করোনা হবে না। তাহলে ঠিক আছে। কিন্তু যদি আপনার করোনা হয়, তাহলে তো ঐ চিকিৎসকেই কাছে আসতে হবে আপনাকে হবে, তখন কি করবেন?

আমি নিজে আপনাদের জন্যে কাজ করতে করতে করোনায় আক্রান্ত হয়ে অসুস্থ, তারপরও আপনাদের সমাজেরই অন্য কোন করোনা রোগীর চিকিৎসা আমি অবিরাম দিয়ে যাচ্ছি , সেটা কি আমার অপরাধ!

তারপরও আমি ডাক্তার, গর্বিত ডাক্তার ।

অমানবিক আপনারা  বিপদে পড়লে একটু  স্বরণ করিয়েন, আমি ছুটে যাব নির্দ্বিধায়, সব ভুলে। তারপরেও যদি আপনাদের মনের কালো দৈত খুশি না হয়, তবে বলে দেন….., আমরা ডাক্তাররা হ্যামিলনের বাশিওয়ালার মত চলে যাব এশহর ছেড়ে।

অজস্র কান্নায় চিকিৎসক যা বলল, আমি আমার দায়িত্ব পালন করি। তবে যদি দায়িত্ব পালন করে বাড়িওয়ালা বলে বাড়ি ছেড়ে দেন। তখন কেমন লাগে। তবুও জীবন বাজি রেখে সেবা করবো।   

চিকিৎসক তার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক করোনা আক্রান্ত কোন এক করোনাযোদ্ধা। যোদ্ধা স্যালুট তোমায় হাজার স্যালুট।