স্বাস্থ্যবিধি মানছে না বীরগঞ্জের মানুষ

0
1

 

বিকাশ ঘোষ,বীরগঞ্জ(দিনাজপুর) প্রতিনিধি :

পরিবারের সঙ্গে পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উদযাপন শেষে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ পৌরশহর ও উপজেলায় কর্মস্থলে ফিতে শুরু করেছে মানুষ। করোনা সংক্রমণের কারণে গণপরিবহণ বন্ধ থাকায় মোটরসাইকেল, কার এবং অটো যোগে ফিরছেন কর্মস্থলে। ফেরার সয়ম তাঁরা মানছেন না স্বাস্থ্যবিধি। আর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়েরও অভিযোগ ওঠেছে। প্রায় ৩ লাখ মানুষের বীরগঞ্জ উপজেলার মানুষ ঈদের ছুটিতে ছিল বেশ ফাঁকা। আগামীকাল রোববার থেকে অফিস -আদালতে কর্মচাঞ্চল্য শুরু হবে। তাই পরিবার পরিজন নিয়ে ফিরতে শুরু করছেন লোকজন। রংপুর বিভাগের আট জেলা থেকে দিনে-রাতে আসছেন মানুষ। তবে বাড়তি ছুটি নিয়ে বাড়ি যাওয়া লোকজন ফিরছে ধীরে ধীরে। অনেকের মুখে মাস্ক পরিধান নেই। এক সপ্তাহের আগে স্বাভাবিক চাঞ্চল্য ফিরবে না এমনটিই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। গতকাল পৌরশহরের বিজয় চত্বর, দিনাজপুর বাস স্ট্যান্ড, পীরগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড, খানসামা বাসস্ট্যান্ড,ঠাকুরগাঁও বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা যায়, অটো,পাগলু, মোটরসাইকেল কার,এবং মাইক্রোবাসে কর্মস্থলে ফিরছেন মানুষ। যার অটো কার এবং মাইক্রোবাসে ফিরছেন তাদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে বলে যাত্রীরা অভিযোগ করেছেন। ঢাকা-দিনাজপুর মহাসড়কের বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে পুলিশ চেক পোষ্ট রয়েছে। এসব মোড়ে স্বাস্থ্যবিধি না মানায় যানবাহন থেকে যাত্রী নামিয়ে দেয়া হয়। এতে করে ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাদেরকে। দিনাজপুর বাসস্ট্যান্ডে কথা হয়ে নজরুল ইসলামের সাথে। তার বাড়ি লালমনিরহাট জেলায়। তিনি একটি এনজিওতে চাকরি করেন। তিনি জানান,স্ব – পরিবারে কার ভাড়া নিয়ে রংপুরের আসেন। গত বছর ঈদের পর ফেরার সময় যা ভাড়া নেয়া হয়েছিল এবার তার ৩ গুণ বেশি ভাড়া নিয়েছে। দিনাজপুর থেকে আসা যাত্রী মহিবুল হোসেন জানান, তার কাছে ২গুণ বেশি ভাড়া আদায় করেছেন। অটো চালক রানা জানান,মহাসড়কে গাড়ি চালালে বিভিন্ন স্থানে চাঁদা দেয়া লাগে। যার কারণেই ভাড়া বেশি নেয়া হয়। ঢাকা থেকে ট্রাক যোগে আসা যাত্রী কালি চরণ জানান,ট্রাকযোগে ঢাকা থেকে বগুড়া আসাতে ৫০০ টাকা,বগুড়া থেকে রংপুর আসতে লাগল ২৫০ টাকা এবং রংপুর থেকে বীরগঞ্জ আসতে দিতে হলো ২০০ টাকা। এমনিতো ভাড়া বেশি, তারপর আবার ভেঙ্গে ভেঙ্গে আসতে বীরগঞ্জে। যার কারণে জনপ্রতি ৫০ টাকার ভাড়া ১০০-১২০ টাকার ওপরে পড়েছে। সৃত্রে জানা যায়,কর্মস্থলে ফেরা মানুষ সামাজিক দূরত্ব বজায় না রেখে এবং স্বাস্থ্যবিধি না মেনে ফিরছেন। এতে করে করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি আরও বেড়ে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, বীরগঞ্জে এপর্যন্ত করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ১২ জন। এরমধ্যে চিকিৎসক, ব্যাংকারও রয়েছে।