সৈয়দপুর এ সাত ববছরের শিশু ধর্ষন

0
11

মোঃ রাব্বি ইসলাম আব্দুল্লাহ, জেলা প্রতিনিধী,নীলফামারী।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে সাত বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে পবিত্র ঈদ উল আযহার পরের দিন (গত ২ আগস্ট) সৈয়দপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডে।

স্থানীয়রা জানায়, বাড়ির একমাত্র কন্যা সন্তান ঐ শিশু। বয়স মাত্র সাত বছর। তার উৎফুল্লতা ও শোরগোলের হাসিখুশিতে দরিদ্র বাবা-মায়ের ঘর সুখ-শান্তিতে পরিপুর্ণ থাকত। তবে গত ১৭ দিন ধরে কোন কথাই বলছেনা শিশুটি।

স্থানীয়রা আরো জানায়, শিশুটি এমনকি যে কোন পুরুষকে দেখলেই ভয়ে আতকে উঠছে। এর মাঝে শরিরের ক্ষত স্থানে তীব্র ব্যাথা ও জ্বর নিয়ে দিন মজুর পিতা প্রতিদিন তাকে নিয়ে ছুটোছুটি করত চিকিৎসকের চেম্বারে-চেম্বারে। এভাবে অর্ধমাস পর এখন অনেকটা সুস্থ্য। তবে শিশুটির নিস্তবদ্ধতা ও ভয় কাটেনি এখনো। অবশেষে অনেক বুঝানোর পর তার নিরাপদ ভরসাস্থল বাবা-মায়ের কাছে মুখ খুলেছে শিশুটি।
কাছে মুখ খুলেছে শিশুটি।
জানা যায়, বাড়ির পাশের অপর খেলার সাথির চাচার দ্বারা সে পাশবিক নির্যাতনের স্বীকার হয়েছে। অভিভাবকরা শিশুর মুখে ধর্ষনের এমন নির্মম ঘটনা শুনে বিস্মিত হয়ে যান। উপায়ন্তর না পেয়ে স্থানিয় কাউন্সিলরের পরামর্শে বুধবার (১৯ আগষ্ট) রাত সাড়ে ১২ টায় সৈয়দপুর থানায় গিয়ে লম্পট ওই যুবক এবং তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন নির্যাতনের শিকার শিশুটির পরিবার।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় ঈদুল আজহার পরের দিন দুপুরে এলাকার ঐ প্রতিবেশি শিশুর সম্পর্কে চাচা এরশাদ (৩৫) এর বাড়ীতে খেলতে যায় ঐ ৭ বছরের শিশু। এ সময় ওই বাড়িতে একা পেয়ে শিশুটিকে ফুঁসলিয়ে ধর্ষন করে প্রতিবেশি শিশুর চাচা এরশাদ (৩৫)। এতে সে মারাত্বক অসুস্থ্য হলে বাড়ির অন্য ঘরে অবস্থান করা তার ভাবি মনি আশরাফি শিশুটিকে আহতবস্থায় তাদের বাড়িতে পৌঁছে দেয় এবং প্রতিদিন শিশুটির শারিরিক অবস্থার খবর নেয়। তবে তারা এ ঘটনার কথা স্বীকার করেনি।
এ বিষয়ে ঐ ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মোঃ মোহন জানান, এ ঘটনা শুনার পরই আইনি সহায়তার জন্য নির্যাতনের শিকার অসুস্থ শিশুর বাবা-মা’সহ থানায় গিয়ে লম্পট ওই যুবক এবং তার ভাবির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করে।
এ ঘটনায় লিখিত এজহার প্রাপ্তির সত্যতা নিশ্চত করেন সৈয়দপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ- (তদন্ত) মোঃ আতাউর রহমান।

  • 16
    Shares