বিরলে মাদক ব্যবসায়ীকে আটকসহ মাদক উদ্ধার করায়……

0
4

বিরলে মাদক ব্যবসায়ীকে আটকসহ মাদক উদ্ধার করায়…..
পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হয়রানীমূলক অভিযোগ উত্থাপন এবং অপপ্রচারের অভিযোগ।
দিনাজপুর-
দিনাজপুরের বিরলে মাদক ব্যবসায়ীকে আটকসহ মাদক উদ্ধার করায় পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হয়রানীমূলক অভিযোগ উত্থাপন এবং অপপ্রচার শুরু করেছে সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা বলে আলোচনা এখন টক অব দ্যা টাউনে পরিণত হয়েছে। কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তাল মিলিয়ে টুপাইস কামিয়ে নেয়ার হীন মনমানসিকতায় লিপ্ত হয়ে পুলিশকে অভিযুক্ত করে সম্প্রতি টেকনাফের বিষয়ের সাথে সাময়িক চাপে ফেলার অপচেষ্টা করছে। এমনই অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া দু’টি মাদক উদ্ধারের বিষয়ে অনলাইন ও ফেসবুকে অপপ্রচার করা হচ্ছে বলে বিরল থানা পুলিশ প্রশাসন দাবি করেছে।
উল্লেখ্য, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন বিপিএম-পিপিএম (বার) এর নির্দেশনায় ও থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ নাসিম হাবিব এর পরিকল্পনায় এসআই ফারুক হোসেন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স গত ১৪ আগস্ট শুক্রবার দুপুরে উপজেলার ভান্ডারা ইউপি’র ভারত সীমান্তবর্তী বান্দইল গ্রামে অভিযান চালিয়ে মৃত ঘেরু মোহাম্মদের পুত্র মোজাম্মেল হক (২৮) কে আটক করে এবং অপর এক মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তাৎক্ষণিক পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়। এসময় আটককৃত মোজাম্মেলের স্বীকারোক্তি মোতাবেক ১০০ পিস ফেন্সিডিল তার বসতবাড়ীর পশ্চিমপার্শ্বে মৃত ভাই মোজাহারুলের নবনির্মিত পাকাঘরের ভিতর হতে উদ্ধার ও সদর উপজেলার রামসাগর এলাকার জনৈক পলাতক এরশাদকেসহ আসামী করে ০২ জনের নামে ঐদিনই ১৬ নং মামলা রুজু করে পরেরদিন শনিবার সকালে মোজাম্মেলকে আদালতে সোপর্দ করে। পূণরায় শনিবার বিকালে এসআই ফারুক হোসেন এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স অভিযান চালিয়ে একই গ্রামের ফাইজুর রহমানের বসতবাড়ীর উঠানের পূর্বকোণে মাটির নীচে উপস্থিত স্বাক্ষীদের সম্মূখে ৬০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করে জব্দ তালিকায় স্বাক্ষীদের স্বাক্ষর গ্রহণ করে ফাইজুর রহমানের স্ত্রী পলাতক লুৎফা বেগম (৪০) ও পুত্র লতিবুর রহমান (১৮) এর বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট ধারায় ১৬ আগস্ট রবিবার ১৭ নং মামলা রুজু করে। পরপর দু’দিনে একই গ্রামে একজন চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীকে আটকসহ ১৬০ বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার এবং অপর ০৩ জনের নামে মামলা রুজু হওয়ায় সংঘবদ্ধ মাদক ব্যবসায়ীরা বিরল থানার স্বনামধন্য ও মাদক উদ্ধারকারী অফিসার ফোর্সদের বিরুদ্ধে পুলিশ সুপারের নিকট হয়রানীমূলক একটি অভিযোগ দায়ের করে এর অনুলিপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, রংপুর রেঞ্জের ডিআইজি, জেলা প্রশাসক ও ইউএনওসহ বিভিন্ন সংস্থার কার্যালয়ে প্রেরণ করে অপপ্রচার শুরু করে। বিরল থানার এসআই ফারুক হোসেন, এএসআই আনোয়ার হোসেন ও এএসআই রাশেদুল হক রাশেদ মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য এক আতংকের নাম! মাদক ব্যবসায়ী ও মাদক সেবনকারীদের আটক করে মাদক উদ্ধার কাজ নিয়মিত পরিচালনা করায় মাদক ব্যবসায়ীরা অনেকটাই ভীত সন্ত্রস্থ হতে শুরু করেছে। এমন এক সময় মাদক ব্যবসায়ী ও কিছু সুবিধাবাদী ব্যক্তি মাদক ব্যবসায়ীদের সাথে তাল মিলিয়ে টুপাইস কামিয়ে নেয়ার হীন মনমানসিকতায় লিপ্ত হয়ে পুলিশকে অভিযুক্ত করে সম্প্রতি টেকনাফের বিষয়ের সাথে সাময়িক চাপে ফেলার অপচেষ্টায় পুলিশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র ও হয়রানীমূলক অভিযোগ উত্থাপন এবং অপপ্রচার করছে বলে সচেতন মহল মনে করছে।

  • 17
    Shares