দিনাজপুর সদরে বৃষ্টির পানি বাধাগ্রস্ত হাজার বিঘা জমির আমন চাষ অনিশ্চিত ॥ কৃষকরা বিপাকে

0
1

 

দয়ারাম রায় ,ষ্টাফরিপোটারঃ

দিনাজপুর সদর উপজেলার ২নং সুন্দরবন ইউনিয়নে কালিকাপুর, সুন্দরবন ও বীবগাঁও তিনটি গ্রামের বৃষ্টির পানি প্রবাহে বাধার সৃষ্টি হয়েছে। হরিন খোল, পাঁচইল, বুড়িপোখর, চাঁনতারা ও গাঁওধোয়া পাড়া ৫টি বিলের পানি নিষ্কাশন ও পানি প্রবাহের জমিতে মিনি পুকুর স্থাপন করে পানি প্রবাহ বাধার মুখে পড়েছে। ফলে ৩টি গ্রামের পানি বাহির হতে পারছেনা, জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। কৃষকরা অনেক এলাকায় আমন ধানের বীজতলা তৈরি করতে পারেনি। আমন জমিতে পানি অনেক বেশি হওয়ায় এখনও কৃষকরা জমিতে হাল চাষ দিতে পারছেন না। ফলে তিন গ্রামের ৫টি বিলে ৩ হাজার একর জমি আমন চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না হলে কয়েক হাজার টন ধান উৎপাদন ব্যাহত হবে। এলাকা বাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ৩-৪ বছর ধরে প্রতিযোগিতা মূলক ভাবে ভূমি পরিবর্তন নীতিমালা অনুসরন না করে এলাকায় শত শত পুকুর খনন করা হয়। পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থ না থাকার ফলে আমন চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বিগত দিনে আমন মৌসুম এলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা দল-বল নিয়ে পানি প্রবাহের বাধা ভাঙ্গতে যায়, একাধিক বার সংঘর্ষ বাঁধে। গতবার ইউ,পি চেয়ারম্যান অশোক কুমার রায় কিছু বরাদ্দ দিয়ে পানি নিষ্কাষনের আংশিক কাজ করেন। এখনও সম্পূর্ন কাজ বাকি। এলাকাবাসী ইতিপূর্বে বিভিন্ন দপ্তরে আবেদন করেও সুরাহা পায়নি বলে অভিযোগ করেন। এবার দেবদত্ত নামে এক শিক্ষক নিজ উদ্দ্যোগে উপজেলা কৃষি অফিসার কাছে কৃষকদের অবস্থার কথা তুলে ধরে আবেদন করলে গত এক সপ্তাহ পূর্বে উপজেলা কৃষি অফিসারের নির্দেশে ইউনিয়ন উপ-সহকারী মোঃ আঃ মতিন ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান এবং কৃষকদের সাথে কথা বলেন। তিনি এ প্রতিবেদক কে জানান, এটার স্থায়ী সমাধান হওয়া উচিত। এতে কৃষকরা উপকৃত হবেন, আর এখন পানি প্রবাহ চালু করা জরুরী হয়ে পড়েছে। এ ব্যাপারে তিনি লিখিত প্রতিবেদন উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জমা দেবেন বলে জানান। এলাকার ইউ,পি সদস্য হামিদুল হক ও সদস্যা শেফালী বেগম জানান, সরকারী নির্দেশনা না হলে সমাধান কি করে হবে। চেয়ারম্যান অশোক কুমার রায় জানান তিনি সমাধানের চেষ্ঠা করছেন। এলাকাবাসী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমস্যা সমাধানে আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

  • 9
    Shares