নবাবগঞ্জে আম নিয়ে বিপাকে আম চাষি ও ব্যবসায়ীরা

0
3

আলিউর রহমান মেরাজ, নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি : আম ও লিচুর জেলা দিনাজপুর। দুটি সুস্বাদু ও জনপ্রিয় ফলের জেলা কমই আছে।

লিচুর শেষের দিকে আম আসা শুরু হয়। লিচু পাকা শুরু হয়ে আম শেষ হতে প্রায় আড়াই মাস বা তারও বেশি সময় লাগে। এ দুটি ফলের বানিজ্যের সাথে জড়িত কয়েক হাজার মানুষ।এ বছর করোনা ভাইরাসের কারনে পরিবহণ সংকট থাকায় অন্য যায়গার পাইকাররা না আসলে বাগান মালিকরা বাগান বিক্রি করতে পারেন নাই। সে জন্য এলাকায় ফল বিক্রি করে তারা ব্যাপক লোকসানের মুখে পড়ছে। লিচু পাড়া ও আম পাড়ার জন্য যে দক্ষ শ্রমিক দরকার সে পরিমান দক্ষ শ্রমিকও এ বছর পাওয়া যাচ্ছে না। দক্ষ শ্রমিক না আসায় এ ফলগুলো পাড়তেও বেশ পরিমাণ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আমের এ ভরা মওশুমে শুরু হয়েছে ফল বাগান মালিকদের হাহাকার।

ফলে এ ব্যবসায় জড়িত হাজার হাজার মানুষ বেকার হয়ে পড়ছে। করোনা ভাইরাস এর কারনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনায় বাগান মালিকদের জন্য প্রনোদনার কথা স্পষ্ট বলা আছে। তা বাস্তবায়ন হতে হয়ত আরো অল্প কিছু সময় লাগবে। তবে বাজেটে বাগান মালিক ও বাগান ব্যবসায়ীদের কথা উল্লেখ না থাকায় তারা হতাশা প্রকাশ করেন। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রনোদনার কথায় তারা খুশি। সরকারের কৃষি বিভাগ এ ব্যাপারে আরও ব্যাপক উদ্যোগ নিয়ে কৃষকদের এ ফল সরাসরি ঢাকার আড়তে পাঠানোর ব্যবস্থা করলে তারা আরও উপকৃত হত বলে বাগান মালিকরা মত প্রকাশ করেছেন।

জেলার সর্ববৃহৎ দারোগা আম বাগান এ নবাবগঞ্জেই অবস্থিত। দিনাজপুরে উৎপাদিত আমের প্রায় বিশ ভাগ নবাবগঞ্জেই উৎপাদিত হয়। এত বড় আমের বানিজ্যের পরও নবাবগঞ্জে নেই আমের নিদ্রিষ্ট বাজার। এ ব্যাপারে আম লিচু বাগান মালিক ও ব্যবসায়ীরা সরকারের সুনজর কামনা করে। সরকারের কৃষি বিভাগ এ যায়গায় সুনজর দিলে সরকার এখান থেকে প্রচুর রাজস্ব আয় করতে পারে।

  • 11
    Shares