একজন সফল অধ্যক্ষের বিদায়, ও দু’টি কথা……….

0
0

একজন সফল অধ্যক্ষের বিদায়, ও দু’টি কথা………

সময়টা ছিল ২০১০ সালের শেষের দিকে যখন আমি বীরগঞ্জ ডিগ্রী কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করে ১বছর পরে ২০১২ সালে আই,সি,টি বিষয়ে প্রশিক্ষণের জন্য ঢাকা টিচার্স ট্রেনিং কলেজে যাই। সেখানে গিয়ে রাতের বেলা রুম বরাদ্ধের পর খাওয়া দাওয়া সেরে নেই। একটু বেশি আড্ডাবাজ হওয়ার কারনে পার্শ্ববত্তী রুমমেটদের সাথে পরিচিত হওয়ার জন্য বিভিন্ন রুমে প্রবেশ করি। দেখতে পাই আমার মতো অনেকেই নিজের রুমে না থেকে অন্যর রুমে গিয়ে সকলেই একত্র হয়ে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি বিভিন্ন গল্পগুজবে মত্ত হয়ে উঠেছে। সেখানে একটা বিষয় লক্ষ করেছি যে, অধিকাংশ শিক্ষকের আলোচনার মূখ্য বিষয় ছিল প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে।অর্থাৎ প্রতিষ্ঠান প্রধানরা তাদের সহকর্মীদের সাথে কিরুপ আচরণ করে, আর্থিক বিষয়ে কতটা স্ব”ছতা রয়েছে, সুষ্ঠ ব্যব¯’াপনা কতটুকু বজায় রাখতে পারে, প্রতিষ্ঠান প্রধান এবং সহকর্মীদের মধ্যে পারস্পারিক সম্পর্ক কেমন? এই বিষয়গুলো নিয়েই চুলচেরা বিশ্লেষণ হ”েছ। প্রশিক্ষণে যেহেতু বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমিক ও উ”চমাধ্যমিক পর্যায়ের সিনিয়র শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করে থাকে সেখানে আমিই একমাত্র সর্বকনিষ্ঠ ছিলাম। সকল স্যারদের আলাপচারিতায় যে বিষয়টি বুঝতে পারলাম- সেটা হলো তারা কেউই নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে ভালো অব¯’ানে নাই,অসংখ্য অভিযোগে জর্জরিত প্রতিষ্ঠান প্রধানরা।

যেহেতু তারা সিনিয়র শিক্ষক, দীর্ঘদিনের কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে তাদের, সেখানে আমি ছোট্র মানুষ কি আর বলতে পারি? তার পরেও সকলের আলোচনা শেষে আমি যখন আমাদের প্রতিষ্ঠান প্রধান সম্পর্কে তাদের সকল আলোচনার সম্পুর্ণ বিপরীতমূখী কথা বলি তখন মনে হয় তারা থ- মেরে যায়। তারা বলে এমন ক’জন প্রতিষ্ঠান প্রধান আছেন? যিনি কলেজের যে কোন কাজ সকলের মতামতের ভিত্ততে করে থাকেন,সকল কার্যক্রম শিক্ষকদের সমন্বয়ে কমিটির মাধ্যমে সমাধান করে থাকেন। কলেজের সকল প্রকার আয় রশিদ মূলে জমা দানের ব্যব¯’া করে থাকেন। প্রতি বছর প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনে হোক আর স্ব”ছতা ও জবাবদিহীতার কারণে হোক কলেজের সকল আয়-ব্যয়ের হিসাব ইন্টারনাল অডিটের দ্বারা সম্পন্ন করে থাকেন। কথায় কথায় শিক্ষকদের উপরে চাঁদাবাজি করেন না, যে কোন ধরনের প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের নাম আসলে বাধা প্রদান করেন না এবং প্রশিক্ষণ শেষে শিক্ষকদের নিকট হতে কমিশন গ্রহণ করেন না,বরং প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে কিভাবে স্কিল ডেভলপ করা যায় সে বিষয়ে তিনি যথারীতি তাগিদ দিয়ে থাকেন। কোন সহকর্মী যদি প্রাতিষ্ঠানিক কোন বিষয়ে বিপদে পড়ে তাকে বাচিয়ে নেয়ার সর্ব”েচা চেষ্টা তিনি করতেন। এতসব কথা শুনে তখন তারা নিজেরাই হতাশাগ্র¯’ হয়ে বলল,স্যার আপনারা অনেক ভাগ্যবান, আপনারা একজন ভালো প্রতিষ্ঠান প্রধান পেয়েছেন। তারা সকলে মিলে আরো একটি সার্টিফিকেট দিলো যে,সারা বাংলাদেশে এমন প্রতিষ্ঠান প্রধান যদি ৫জনও থাকেন তাহলে তার মধ্যে আপনার অধ্যক্ষ মহোদয়ও থাকবেন।

যাই হোক ঘরোয়া আড্ডা শেষে ঘুম থেকে উঠে পরের দিন সেশনের প্র¯‘ুতি নিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম শুরু করি। যথারীতি সেশনের মাঝামাঝি সময়ে চা-বিরতিতে যেতেই হয়। সেখানেও দেখি অন্যন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকেরা ঐ একই বিষয় নিয়ে চা-এর টেবিলে ঝড় তুলছে। টার্গেট শুধু একটাই- প্রতিষ্ঠান প্রধান! এই আড্ডায় অবশ্য আমাকে আর নতুন করে কিছু বলতে হয় নাই, গত রাতে যারা অধ্যক্ষ সম্পর্কে সার্টিফাই করেছিল তারাই আজ আমাকে দেখার সঙ্গে সঙ্গে বলছে এই সারের সামনে এসব কথা বলে লাভ নাই।এনার অধ্যক্ষ অনেক ভালো মানুষ। এ কথা বলার সঙ্গে সঙ্গেই তখন অন্যসব শিক্ষকেরা বলা শুরু করল স্যার আপনি কোন কলেজের? পরের দিন থেকে আর আমাকে কেউ আসল নামে চিনেনা। সবাই চিনে বীরগঞ্জ কলেজের স্যার হিসেবে। যাই হোক সে এক অন্য রকম ভালোলাগা।
ট্রেনিং শেষে বাড়ি ফেরার সময় অন্যান্ন ট্রেনিজরা আমার অধ্যক্ষ সারকে না দেখেই তার কথা শুনেই সকলের পক্ষ হতে সালাম পৌছানোর কথা বলেন।

পরবত্তীতে পর্যায়ক্রমে জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণকেন্দ্র নেকটার,বগুড়ায়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সি,ই,ডি,পি ট্রেনিং, রোভার স্কাউটের বেসিক কোর্স,এ্যাডভান্স কোর্স,স্কিল কোর্সসহ উপজেলা পর্যায়ের আরো বিভিন্ন কোর্সে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের সাথে প্রশিক্ষণ করার সুবাদে জানতে পেরেছি তাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানদের নিয়ে তিক্ত অভিজ্ঞতা। তারা শুধু ব্যতিক্রম গল্প শুনতো আমার নিকট হতে। যার কারনে আমার অধ্যক্ষ মহোদয়ের প্রতি সকলের একটা শ্রদ্ধাবোধ তৈরী হতো। যা ্একজন সহকর্মী হিসেবে অত্যন্ত গর্বের বিষয় মনে হতো।

প্রশিক্ষণের এত অভিজ্ঞতা কেন শেয়ার করলাম? তার কারণ হ”েছ সারা বাংলাদেশ হতে এখানে শিক্ষকরা অংশগ্রহণ করে। তাদের আলাপচারিতার মাঝেই ফূটে উঠে প্রতিষ্ঠানের/প্রধানদের চিত্র। সত্যিকার অর্থে অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী ছিলেন একজন যোগ্য অভিভাবক। অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি কাজ করে গেছেন। প্রতিষ্ঠানের প্রতি আন্তরিকতার কোন ঘাটতি ছিল না। কলেজ চলাকালীন সময়ে প্রায়দিনই বিকাল ৫টার আগে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতেন না। পরিবারকে বেশি সময় না দিয়ে অত্যন্ত দরদ দিয়ে প্রতিষ্ঠানকে ভালবেসে গেছেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সামাজিক কর্মকান্ডেও জড়িত ছিলেন, আমি প্রায়ই লক্ষ করেছি গ্রাম হতে অনেক লোক আসতো তার কাছে গ্রাম্য সালিস নিয়ে। তিনি এমনই একজন নির্ভরযোগ্য লোক ছিলেন যে, গ্রামের যে কোন ঝামেলায় দুপক্ষই যখন কোন সিদ্ধান্ত উপনিত হতে পারত না, স্যারের কাছে এসে তারা দুপক্ষই বলত যে প্রিন্সিপাল যা করিবে হামরা সেটাই মানিয়া নিব।অবশেষে তিনি এমন এক সুষ্ঠ সমাধান করে দিতেন যে, দুপক্ষই তা মেনে নিয়ে চলে যেত। এতক্ষণ যাবৎ যাকে নিয়ে এতো আলোচনা তিনি হলেন বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী।

যিনি ১৯৯০ সালে অত্র কলেজে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করেন। স্বাধীনতার ফসল হিসেবে খ্যাত বীরগঞ্জ কলেজটি বীরগঞ্জ,কাহারোল ও খানাসামার আপামর জনসাধারনের প্রত্যাশা পূরনে ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে এই কলেজটি দীর্ঘদিন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ দ্বারা পরিচালিত হয়ে আসছিল। মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী যখন অত্র কলেজের শিক্ষক হতে ২০০৪ সালে অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তখন কলেজটিতে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা ছিল মাত্র ৩৭৫ জন। দায়িত্ব গ্রহণের পর হতে কলেজটির কিভাবে আরো উন্নয়ন করা যায়, পড়া-লেখার মান ভালো করা যায়,কলেজটিতে কিভাবে একটি ভালো পরিবেশে নিয়ে আসা যায় এই চিন্তা চেতনায় মনোনিবেশ করেন।

পরবত্তীতে অভিভাবক,শিক্ষকমন্ডলী এবং ছাত্র/ছাত্রীদের বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে বর্তমানে ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৭০০০ হাজারে উন্নিত করেন। ¯’ানীয় জাতীয় সংসদ জনাব মনোরঞ্জনশীল গোপাল মহোদয়কে অত্র কলেজের গভনিং বডির সভাপতি পেয়ে অধ্যক্ষ মহোদয়ের কাজের গতি আরো বেগবান হয়। গভনিং বডির সভাপতি এম,পি মহোদয় অধ্যক্ষ মহোদয়ের একনিষ্টতা,দক্ষতা ও সৃজনশীলতা দেখে কলেজ উন্নয়নের যে কোন কাজে সহযোগীতা করার আশ্বাস প্রদান করেন। এরই ধারাবাহীকতায় ২০১০ সালে অত্র কলেজে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বাংলা, সমাজবিজ্ঞান,রাষ্ট্্রবিজ্ঞান, ব্যব¯’াপনা, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি (মোট ৫টি) বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করেন। যেটি কলেজের মানকে আরো একধাপ এগিয়ে নিয়ে যায়।

অধ্যক্ষ মহোদয় প্রতি বছর উ”চ মাধ্যমিক পর্যায়ে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষকদের নিয়ে বিষয়ভিত্তিক ফল পর্যালোচনা করে থাকেন,যা কিনা পরবর্ত্তীতে ভাল ফলাফল অর্জনে সহায়ক ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী কলেজের অবকাঠামো,পড়া-লোখার মান এবং শিক্ষার পরিবেশ এমনভাবে গড়ে তুলেছেন যার কারনে জাতীয়করণের তালিকাভূক্তির সময়ে বীরগঞ্জ কলেজ ছাড়া অন্য কোন কলেজ তালিকাভূক্ত হওয়ার ই”ছা প্রকাশ করেনি। অথচ পার্শ্ববর্ত্তী উপজেলায় যা বিশেষভাবে লক্ষণিয়,একই উপজেলায় দুটি করে কলেজ নিজেদেরকে যোগ্য দাবী করে মামলা মোকদ্দমায় জড়িয়ে পড়ে জাতীয়করণের সুবিধা হতে বঞ্চিত হয়ে আছে। এছাড়াও অধ্যক্ষ মহোদয়ের সঠিক কাউন্সিলিং এর মাধ্যমে অত্র কলেজ হতে রেকর্ড সংখ্যক শিক্ষার্থী প্রতি বছর বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। বীরগঞ্জ কলেজের সাবেক ছাত্র, যারা বর্তমানে অভিভাবক হয়ে নিজেদের ছেলে-মেয়েদের ভর্তি করাতে আসেন তারাও কলেজটির অভাবনীয় উন্নয়ন দেখে তৃপ্তির ঢেকুর তোলে এবং বলে আমারা কি দেখিছিলাম আর এখন কি দেখছি। অবকাঠামাগত এত উন্নয়ণ যা অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরীর আমলেই সম্ভব হয়েছে।

তারা আরো প্রত্যাশা করে অধ্যক্ষ মহোদয় যদি চাকুরী হতে অবসর গ্রহণের পর বীরগঞ্জ কাহারোলের জনসাধারনের পাশে এসে মানবসেবায় নিজেকে নিয়োজিত করেন তাহলে এলাকার সর্ব সাধারণ একজন সৎ, শিক্ষিত এবং দক্ষ মানুষের সংস্পর্শে আসতে পারবে। এলকাবাসী একজন যোগ্য অভিভাবকও পাবে। এবং অত্র এলাকার উন্নয়ণ সাধিত হবে। অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী দক্ষ ব্যব¯’াপনার মাধ্যমে কলেজ পরিচালনার পাশাপাশি নিজ যোগ্যতাবলে বেসরকারি কলেজ সমূহের প্রতিনিধি হিসেবে দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ডের অ্যাপিল এন্ড আ্যপিল ডিভিশনের সদস্য নির্বাচিত হন। এছাড়া বাংলাদেশ স্কাউটস দিনাজপুর জেলা রোভারের নির্বাহি কমিটির সহ-সভাপতি, দীর্ঘ ১২ বছর যাবত দিনাজপুর জেলা আইন শৃংখলা কমিটির সদস্য, বীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি, মরিচা হাইস্কুল ও দারুস সুন্নাহ দাখিল মাদ্রাসার উদ্যক্তা এবং আজীবন দাতা সদস্য ছিলেন।শিক্ষা ক্ষেত্রে বিশেষ অবদান রাখায় ঢাকা¯’ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পক্ষ হতে জাতীয় ভাবে শেরে বাংলা এ,কে,ফজলুল হক , হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দ্দী স্মৃতি পদক ও স্বাধীনতা পদক-২০১৭ অজর্ন করেন। বীরগঞ্জ উপজেলার ৯নং মরিচা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মরহুম কাবিরুল ইসলাম চৌধুরীর সুযোগ্য সন্তান অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুীর বিদায় বেলায় জানান, কলেজটির যা কিছু উন্নয়ন এলাকার সন্তান হিসেবে আমি আমার দায়িত্ববোধ থেকে ভাল করার চেষ্টা করেছি। আগামীতে যারা কলেজ পরিচালনা করবে, তারা যেন উন্নয়নের এই ধারা অব্যাহত রাখেন এবং কলেজটির পড়া লেখার মান আরো উন্নত করেন।বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের শিক্ষক পরিষদের সেক্রেটারি জনাব,মোঃ গোলাম মোস্তফা বলেন, আমারা অধ্যক্ষ মহোদয়কে শিক্ষক পরিষদের পক্ষ হতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বিদায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চেয়েছিলাম। কিš‘ অধ্যক্ষ মহোদয় সকলের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে বিদায় অনুষ্ঠানটিকে নিরুৎসাহিত করেছেন। এবং বলেছেন পরি¯ি’তির উন্নতি হলে সুবিধামত সময়ে আয়োজন করা যেতে পারে। প্রাণের এই ক্যাম্পাসে ২৯ বছরের কর্মজীবনের দায়িত্ব পালন শেষে অবসরে চলে গেলেন বীরগঞ্জ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ খয়রুল ইসলাম চৌধুরী। রবিবার শেষকর্ম দিবসে তিনি অনেকটা আবেগপ্লুত হয়ে পড়েন। আমি মনে করি বরণ্য এ শিক্ষাবিদের বিদায়টা আরো একটু সুখকর হতে পারতো যদি সদ্য সরকারিকৃত এ প্রতিষ্ঠানের এডহক নিয়োগ সম্পন্ন হতো এবং তিনি সে সুবিধাটুকু নিয়ে অবসরে যেতে পারতেন। স্যার যেখানেই থাকুন, ভালো থাকুন, আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল।উল্লেখ্য, এখন হতে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করবেন অত্র কলেজের প্রাণী বিদ্যা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জনাব মোঃ মকবুল হোসেন স্যার।

লেখক ঃ মোঃ আল মামুন
প্রভাষক, সমাজবিজ্ঞান বিভাগ

ক্রিড়া সম্পাদক, বীরগঞ্জ সরকারি কলেজ শিক্ষক পরিষদ।

  • 328
    Shares