দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতিতে ক্রেতারা দিশেহারা

0
5
দেশে চাল, ডাল ও তেলসহ ৩০টিরও বেশি  নিত্যপ্রয়োজনীয়  ভোজ্য পণ্যের দাম অস্বভাবিকভাবে বেড়ে  গেছে। এতে করে বৈশ্বিক করোনার মহামারিতে নাকাল জনজীবনে নাভিশ্বাস উঠার উপক্রম হয়ে পড়েছে। করোনাকালে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি যেন মরার উপর খাঁড়ার ঘার সামিল। বাজার নিয়ন্ত্রণে জোরালো মনিটরিং ব্যবস্থা না থাকায় অসাধু ব্যবসায়ীদের  কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছেন ক্রেতা সাধারণ। রাত পোহালেই বাড়ছে নিত্যপণ্যের দাম । বাধা দেয়ার যেন কেউ নেই । দ্রব্যমূল্যের উধর্বগতির লাগাম টেনে ধরার  জন্যে কাউকে খুঁজে পাওয়াও এখন দুস্কর ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। শহর থেকে গ্রামাঞ্চল সর্বত্র একই অবস্থা বিরাজ করছে। অসাধু ব্যবসায়রাই নিয়ন্ত্রণ করছে বাজার ব্যবস্থা । বর্তমান বাজারে ৮০ টাকার নিচে কোন সবজি বিক্রি করা হচ্ছে না । শুধু সবজির বাজারেই লাগামহীন অবস্থা বিরাজ করছে তা নয়, প্রতিটি নিত্যপণ্যের দামে উর্ধ্বগতির ঢেউ লেগেছে । ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের লোকজনদের জীবনে নেমে এসছে চরম দুর্ভোগ ।
সরকারি বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) হিসাবে, এই দর গত বছরের এই সময়ের তুলনায় প্রায় ৪৯ শতাংশ বেশি। মানুষ কম কিনলেও মূল্যস্ফীতি কিন্তু বাড়ছে। সাধারণত চাহিদা কমলে পণ্যের দাম পড়তির দিকে থাকে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাবে, আগস্টে খাদ্য মূল্যস্ফীতির হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ শতাংশের বেশি।যা–ই হোক, এখনকার সবজি বাজারকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা যায়। ‘ভিআইপি’ শ্রেণিতে রয়েছে বেগুন, করলা ও টমেটো। দাম প্রতি কেজি ৮০ থেকে ১২০ টাকা। এর পরে ৬০ টাকা বা তার বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে বেশির ভাগ সবজি। পটোল, কচুমুখি, লতি, হাইব্রিড শসা ইত্যাদি ৫০ টাকা প্রতি কেজি। কাঁচামরিচের দাম খুব চড়া। আড়াই শ গ্রাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা।বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হিসাবে, বর্ষা মৌসুমে সবজি উৎপাদন শীতের চেয়ে প্রায় ২০ শতাংশ কম। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দেশে ৪৫ লাখ টন সবজি উৎপাদিত হয়েছে। এর মধ্যে শীতে হয়েছে প্রায় ২৫ লাখ টন। বিপরীতে বর্ষায় উৎপাদিত হয়েছে ২০ লাখ টনের কিছু কম। বিবিএস ৪২ ধরনের শাকসবজির উৎপাদনের হিসাব রাখে। শুধু সবজি নয়, বাজারে এখন চাল, ডাল, ডিম, গরুর মাংস ও আদার দাম চড়া।
চাল, ডাল, পেঁয়াজ, মচিরসহ নিত্যপণ্যের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় অভিযান পরিচালনা করেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। ঢাকা মহানগরসহ সারা দেশে এ অভিযান পরিচালিত হয়।এ সময় অবৈধভাবে মূল্যবৃদ্ধি ও পণ্যে ভেজালের কারণে ১১২টি প্রতিষ্ঠানকে সোয়া চার লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।জানা যায়, অধিদপ্তরে প্রতিদিন অনুষ্ঠিত সকালের সভার সিদ্ধান্তক্রমে ঢাকা মহানগরীর হাতিরপুল বাজার, পলাশী বাজার, চকবাজার, বংশাল, শ্যামপুর ও সূত্রাপুর শান্তিনগর বাজারে অভিযান চালানো হয়।এ অভিযান পরিচালনা করেন প্রধান কার্যালয়ের উপপরিচালক মো. মাসুম আরেফিন ও সহকারী পরিচালক প্রণব কুমার প্রামাণিক, ঢাকা জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক আব্দুল জব্বার মণ্ডল ও ঢাকা বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রোজিনা সুলতানা। ঢাকার বাইরে বিভাগীয় কার্যালয়ের উপপরিচালক ও জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালকের নেতৃত্বে ৩৪টি টিম বিভিন্ন বাজারে তদারকি ও সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করে। এ ছাড়া সারা দেশে ১১২টি প্রতিষ্ঠানকে চার লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আরোপ ও আদায় করা হয়।
রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে ব্যবসায়ীদের সাথে কথা বলে জানাগেছে , দেশে দীর্ঘস্থয়ী বন্যার কারণে মাস দুয়েকের বেশি সময় ধরে ঢাকার বাজারে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক-সবজি ও কাঁচা মরিচ । বর্তমানে কাচা মরিচ কেজি প্রতি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে । এর মধ্যে আবারও অস্বাভাবিকভাবে পেঁয়াজের দাম বাড়তে শুরু করেছে। গতকাল বুধবার রাজধানীর  , কারওয়ান বাজার, যাত্রাবাড়ী বাজার,ফকিরাপুল বাজার মুগদা বাজারসহ বেশ কয়েকটি বাজার ঘুরে পেঁয়াজের সঙ্গে আদা, রসুন ও আলুরও বাড়তি দাম দেখা গেছে । দাম বেড়েছে ব্রয়লার মুরগিরও। তবে গরু ও খাসির মাংসের দাম আগের চেয়ে কিছুটা কমেছে। এদিন মগবাজারের চারুলতা কাঁচাবাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হয় কেজি ৬৫ টাকা থেকে ৬৮ টাকা দরে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি। কারওয়ানবাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছিল ৫৮ থেকে ৬০ টাকা কেজি, আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৫০ থেকে ৫৫ টাকা কেজি।গত সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজ ৪৫ টাকা থেকে ৫০ টাকা, আর আমদানি করা পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয়। পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে কারওয়ানবাজারের খুচরা ব্যবসায়ীরা বলেছেন, আড়ত থেকে বাড়তি দামে কিনতে হয়েছে। তাই কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। হঠাৎ পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ জানতে চাইলে পুরান ঢাকার শ্যামবাজারে পেঁয়াজের আড়ত আমানত ভাণ্ডারের মালিক মানিক সাহা বলেন, “ভারতে বন্যার কারণে সম্প্রতি ভারতীয় পেঁয়াজের সরবরাহ কমে গেছে, সেই সাথে দামও বেড়ে গেছে। ভারতীয় পেঁয়াজের সাথে পাল্লা দিয়ে গত এক সপ্তাহে দেশি পেঁয়াজের বাজারও বেড়েছে।
গত বছর এই সেপ্টেম্বরেই ভারত প্রথমে পেঁয়াজের রপ্তানিমূল্য বৃদ্ধি এবং পরে রপ্তানি বন্ধ করে দিলে বাংলাদেশের বাজারে দেখা দেয় অস্থিরতা। কেজিপ্রতি ৫০ টাকার পেঁয়াজের দাম উঠে যায় ২৫০-৩০০ টাকায়। পরে মিয়ানমার, চীন, মিশর ও পাকিস্তান থেকে নানা রঙের পেঁয়াজ এনে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করে সরকার। আদা, রসুন ও আলুর দামও গত সপ্তাহের তুলনায় বেড়েছে। আলু গত সপ্তাহে খুচরা বাজারে বিক্রি হয়েছে ৩৬ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি, শনিবার তা বিক্রি হয় ৩৮ থেকে ৪০ টাকায়। দেশি রসুন গত সপ্তাহে ছিল ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি। শনিবার তা বিক্রি হয় ১০০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি। আর আমদানি করা রসুন বিক্রি হয় ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। আমদানি করা আদার কেজি ২০০ থেকে ২৪০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। তবে দেশি আদার দাম কিছুটা কমে ১২০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শাক-সবজির দাম এখনও চড়া, শুধু কাঁচা পেঁপে ছাড়া প্রায় সব সবজির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। কাঁচা পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৪৫ টাকা কেজি। ঝিঙ্গা, ধুন্দল, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা থেকে ৬০ টাকা কেজি। টমেটোর কেজি ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা। গাজর আমদানি করাটা ৯০ টাকা থেকে ১২০ টাকা কেজি। লাউ প্রতিটি ৬০ টাকা থেকে ৭০ টাকা। গোল বেগুনের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। আর লম্বা বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা কেজি। দাম বৃদ্ধির ধারায় রয়েছে ব্রয়লার মুরগিও। গত সপ্তাহে ১১০ থেকে ১২০ টাকা কেজি বিক্রি হলেও শনিবার তার দাম উঠেছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকা। পাকিস্তানি কক মুরগি ২৩০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ২৩০ টাকা থেকে ২৪০ টাকা কেজি বিক্রি হতে দেখা যায়। তবে এদিন গরুর মাংসের কেজি ৫২০ টাকা থেকে ৫৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়, যা ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা ছিল। খাসির মাংসের কেজি ৭৫০ টাকা থেকে ৮৫০ টাকায় বিক্রি হয়, যা আগে ছিল ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা।
নিত্যপণ্যের দামে উর্ধ্বগতির ঢেউ শুধু রাজধানীর কাচা বাজারগুলোতে লেগেছে  তা নয়,গ্রামাঞ্চলেও বেড়েছে দাম । সিলেটের বাজারে ২০০ টাকা কেজিদরে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। কিছুদিন আগেও দেশ কাঁপিয়ে যাওয়া পেঁয়াজের দর  কমে স্বাভাবিক হয়ে আসলেও গত এক সপ্তাহ ধরে আবারও বাড়তে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম । সিলেটের বাজারে একলাফে কেজিতে হাফ সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছে পেঁয়াজ। অথচ কিছুদিন আগেও পেঁয়াজ ২০ থেকে ২৫ টাকার মধ্যে উঠানামা করছিল। দুই থেকে তিন দিনের ব্যবধানে সেই পেঁয়াজ এখন কেজি ৬০ টাকা।দেশের ময়নসিংহ , খুলনা , রাজশাহী, রংপুর,বরিশাল ও চট্রগ্রামের প্রতিটি হাটবাজারেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বভাবিক ভাবে বাড়ছে বলে আমাদের প্রতিনিধিরা বাজার ঘুরে এসে জানিয়েছেন ।
আমাদের ময়মনসিংহ প্রতিনিধি জানিয়েছেন যে তিনি কয়েকজন ক্রেতার সঙ্গে কথা বলেছেন । দ্রব্যমূল্যের এই উর্ধ্বগতির ব্যাপারে ক্ষোভ প্রকাশ করে ফুলপুরের সিদ্দিকুল হাসান বলেছেন, সাধারণত রমজান মাস এলে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের দাম বাড়ে। কিন্তু অসময়ে এভাবে এ দুই কাঁচামালের দাম বাড়ার কোনো যৌক্তিকতা দেখছি না।পক্ষান্তরে  মোতাহার নামে একজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, সামনে পেঁয়াজ রোপণের মৌসুম। যে কারণে এখন বাজারে পেঁয়াজ আসতেছে না। তাই দাম বাড়ছে। একইভাবে কাঁচা মরিচেরও দাম বাড়ছে।
 আমাদের সিলেট প্রতিনিধি জানিয়েছেন, তিনি সিলেটের রিকাবি বাজারের কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বলেছেন । এসময় মোদি দোকানি রোকন আহমদ আমাদের প্রতিনিধিকে জানিয়েছেন, পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে। তাই ৫০ টাকা কেজি দরে পেঁয়াজ বিক্রি করতে হচ্ছে। ক’দিন আগে আড়ৎ থেকে ৪০ টাকা কেজি কিনে এনেছি। তখন পচা বাদ দিয়ে ৪৫ থেকে ৪৬ টাকা বিক্রি করতে হতো। আড়তে দাম বেড়ে যাওয়ায় এখন ৫০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। নগরের বন্দরবাজারের কাঁচামালের ব্যবসায়ী আকবর আলী বলেন, বাজারে মরিচের আকাল। বস্তা হিসেবে চড়া দামে কিনে আনতে হয়। আর ২০০ টাকা কেজি বিক্রি করে মাত্র ২০ টাকা লাভ করি।
এদিকে কাঁচা মরিচ ও পেঁয়াজের সঙ্গে যেন তাল মিলিয়ে চলছে সিলেটের কাঁচা বাজার। সিলেটের বাজারে কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার নিচে মেলে না কোনো সবজি। নিত্যপণ্যের দাম শুনে যেন কপালে চোখ ওঠে ক্রেতাদের। যে কারণে নিম্ন ও নিম্নমধ্যবিত্তরা পড়েছেন বিপাকে। আমাদের দিনাজপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন ,দিনাজপুরের হিলিতে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করে পেঁয়াজের মূল্যবৃদ্ধি রুখতে ও টিসিবিকে পেঁয়াজ সরবরাহ করতে হিলি স্থলবন্দরের আমদানিকারকদের সঙ্গে বৈঠক করেছে উপজেলা প্রশাসন ও টিসিবি।হাকিমপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ১২টায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সভাকক্ষে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। এসময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে আমদানিকারকদের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে পেঁয়াজের দাম না বাড়ানোর আহবান জানানো হয়। পাশাপাশি দাম নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযানের কথা জানানো হয়। বৈঠকে হিলি স্থলবন্দর থেকে টিসিবির চারশ’ টন পেঁয়াজ কেনার কথাও জানানো হয়। এ লক্ষ্যে ১২ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিতব্য দরপত্রে আমদানিকারকদের যোগ দেওয়ার আহবান জানানো হয়।
দাম স্বাভাবিক রাখতে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রি শুরু করবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। বাজারে নতুন পেঁয়াজ না আসা পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকবে। গত  ৮ সেপ্টেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।এতে জানানো হয়, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে সাশ্রয়ী মূল্যে পেঁয়াজ বিক্রয় শুরু করবে টিসিবি। এছাড়া পেঁয়াজ আমদানি ও বিক্রয়ের জন্য এ যাবতকালের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে টিসিবি।
  • 1
    Share